আলোকের এই ঝর্নাধারায় ধুইয়ে দাও -আপনাকে এই লুকিয়ে-রাখা ধুলার ঢাকা ধুইয়ে দাও-যে জন আমার মাঝে জড়িয়ে আছে ঘুমের জালে..আজ এই সকালে ধীরে ধীরে তার কপালে..এই অরুণ আলোর সোনার-কাঠি ছুঁইয়ে দাও..আমার পরান-বীণায় ঘুমিয়ে আছে অমৃতগান-তার নাইকো বাণী নাইকো ছন্দ নাইকো তান..তারে আনন্দের এই জাগরণী ছুঁইয়ে দাও প্রেম উপাখ্যান -------সানজিদা রুমি ~ alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    প্রেম উপাখ্যান -------সানজিদা রুমি





    আসলে কি পৃথিবীর সব প্রেম কাহিনী একই রকম। কেবল স্থান আর পাত্র পাত্রী ভিন্ন। সেই একই জ্বালা, মিলন, বিচ্ছেদ বেদনা। না পাওয়ার কষ্ট। ভালবাসা সতীন কাঁটা। রাজা, সুয়োরানী   দুয়োরানি সবাই বয়ে বেড়ায় বৈসাদৃশ্য দ্বন্দ সংঘর্ষ। বিরামহীন ক্লেশ বিচলিত উদ্বিগ্নতা।
    দুয়ো রানীর কষ্টের কথা বহু জন বহু ভাবে বর্ণিত করেছেন।যদিও দুয়ো রানী জেনে বুঝেই এই বেদনা বিধুর জীবনে পদার্পন করেছে। সেতো আপন হস্তে নিজের ভাগ্যে লিখেছে যাতনা।রাজা ? নিষ্পেষিত দুজনার মাঝে। কিন্তু সুয়োরানী?তার অপরাধ কোথায়? তার সব থেকেও সে নিঃস্ব। রাজা সুয়োরানীর বাহু বন্দি।চোখে চোখে রাখে অনুক্ষণ। রাজ্য রাজা,প্রজা,রাজ কুমার কুমারী,দাস দাসী তারই দখলে।তবুও  রাজার বুকে মাথা রাখলেই কেন সে শুনতে পায় দুয়োরানীর স্পন্দন? কেন রাজার চোখে দেখে দুয়োরানীর ছায়া? সে কার কাছে কিই বা' নালিশ করবে? তারতো সবই আছে। তার মর্ম যাতনা দেখা যায় না ? সবাই ভাবে তার ভ্রম। মাথার দোষ। আসলেও কি তাই?দুয়োরানী কুঁড়ে  ঘরে থাকে। ঘুঁটে কুঁড়ায়। রাজার  থেকে শত ক্রোশ দূরে আপন দুঃখে দুঃখী। তার মর্ম যাতনা চোখে দেখা যায়। কিন্তু সুয়োরানীর যাতনা কেবল সেই দেখতে পায়। আসলে যত নষ্টের মূল এই ভালোবাসা।
    প্রেম সত্যি উদ্ভট. অনাসৃষ্টি। মুহূর্তের সুখ মুহূর্তে উদ্বেগ উত্কণ্ঠা ব্যথার ধন-ভান্ডার। একাকীত্ব কখনও ক্লেশ কখনও বা দীর্ঘশ্বাস অশ্রুধারা অবিরাম। দিনের  উজ্বলনে--- রাতের আঁধারে তারই মুখ ছায়া।বিস্মৃতির অতলে অস্থির স্মৃতি। অধি-অধি হৃদয়ে হৃদয় কষ্টের নির্যাস থেকে নির্গত।শাস্তিবিধানঈশ্বরেরঈশ্বরের কাছে জিজ্ঞাস্য।এই মাটির দেহ মন ভালোবাসায় কানায় কানায় ভরে জীবন্ত করো। আবার কেন তা মাটিতে পরিণত করো? ধুলায় লুন্ঠিত সব ..যেন  ডাকাতির পরে শহরের হাল চিত্র নিদারুণ আহাজারী?
    ভালোবাসা অপরাধ? ভালোবাসার শাস্তি? ভালোবাসা যদি অপরাধী হবে তবে কেন ভালোবাসতে শেখালে? কেমন   পরীক্ষা কেমন প্রভু?ক্ষনেকের  চন্দ্র সুখ পূর্ণ স্মৃতি। অতঃপর মর্মপীড়া প্রতি নিঃশ্বাসে,ভেজা পলক, কেবল জোট বাঁধা কষ্ট। এখন ভেজা ধূসর চোখে কেবল সেই ভালোসার খোঁজার পালা। এখন বন্ধন ছিঁড়ে স্মৃতিতকু নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এর থেকে আর কি শাস্তি হতে পারে? তবুও তো সুয়ো রানীর কাছে রাজা আছে অনুক্ষণ।




    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    11 comments:

    1. মিতালি চক্রবর্তীDecember 20, 2019 at 7:06 PM

      আজ বেশ কিছুদিন পর আলোকরেখায় লেখা প্রকাশিত হলো। খুব সুন্দর বক্তব্য। ভালোবাসার নানান দিক থাকে। প্রেম উপাখ্যানে সানজিদা রুমি যে বিষয় উত্থাপন করেছেন তা আমরা সাধারণত এড়িয়ে যাই। এই সুয়োরানী আর দুয়োরানীর মাঝে নিষ্পেষিত রাজা। খুব ভালো লাগলো পড়ে।

      ReplyDelete
    2. শামীম আজাদDecember 20, 2019 at 7:17 PM

      প্রেম উপাখ্যানে সানজিদা রুমি যে ত্রিভুজ প্রেমের বিষয় উত্থাপন করেছেন সে নিয়ে আসলেও আমরা কথা বলতে চাই না। কিন্তু জীবনে অহরহ এই ঘটনা ঘটে। সাঞ্জিদারুমির সাথে আমি আমি একমত আবার দ্বিমত পোষণও করি। সুয়োরানীর বুকে মাথা রেখে দুয়োরানীর স্পন্দন শুনতে পায়। এটা যেমন সত্য তেমনি রাজা তার বাহুতেই বন্দি অনুক্ষণ। সেখানে দুয়োরানীর কষ্টটা আমরা কি উপেক্ষা করতে পারি ?

      ReplyDelete
    3. শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জিDecember 20, 2019 at 7:26 PM

      প্রেম উপাখ্যানে সানজিদা রুমি যে ত্রিভুজ প্রেম নিয়ে লিখেছেন তা খুবই চমৎকার। যেমন ভাষা বিন্যাস তেমনি বিষয়। এই অনেক তর্ক করা যায়। অনেক উপন্যাস লেখা হয়েছে। কিন্তু সানজিদা রুমি ছোট পরিসরে অনেক কথা ব্যথা বেদনার কথা লিখেছেন। খুব ভালো লাগলো।

      ReplyDelete
    4. শফিক রায়হানDecember 20, 2019 at 7:31 PM

      সানজিদা রুমি প্রেম উপাখ্যানে ত্রিভুজ প্রেমে সব থেকে মজার বিষয় হচ্ছে রাজা নিষ্পেষিত দুজনার মাঝখানে। এই পথ না যাওয়ায় শ্রেয়। তাতে দুঃখ বাড়ে কষ্ট বাড়ে।

      ReplyDelete
    5. সানজিদা রুমির প্রেম উপখ্যান অনবদ্য এক লেখা। এখানে একটা কথাই বলবো রাজা ছাড়া কেউ কষ্টে থাকে না। রাজাই নিষ্পেষিত হয় -হয় নিপীড়িত।

      ReplyDelete
    6. মিতা রহমানDecember 20, 2019 at 8:17 PM

      সানজিদা রুমির প্রেম উপখ্যান খুব সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে লেখা। এখানে তিন জন মানুষের বেদনা বিধুর কারো থেকে কারো কষ্ট কম নয়। সানজিদা রুমি দারুন ভাবে উপস্থাপন ও বর্ণনা করেছেন তা অনন্য। খুব ভালো লাগলো।

      ReplyDelete
    7. রেখা আহমেদDecember 20, 2019 at 8:28 PM

      সানজিদা রুমির প্রেম উপখ্যান খুব সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে লেখা। কিন্তু আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি সুয়োরানীর কষ্ট অনেক কম যদিও সানজিদা রুমি সুয়োরাণীর মর্ম বেদনাকে বড় করে দেখিয়েছেন। আমার বিশ্বাস তার কষ্ট কম কারণ রাজার অধিকারী সে। আর দুয়োরানীর কিছুই নাই। তাই আমি দুয়োরানীর দলেই।

      ReplyDelete
    8. মেহতা আক্তারDecember 20, 2019 at 11:14 PM

      সানজিদা রুমির প্রেম উপখ্যান খুব গুরুত্বপূর্ণ লেখা।সমাজে দুয়োরানীর কোন স্থান নেই। সুয়োরানী কোন বেচারি নয়। তার সামাজিক আর্থিক সব কিছুতেই অধিকার ভুক্ত। আমার বিচারে এই দুয়োরানীর কষ্ট অনেক বেশি।

      ReplyDelete
    9. মেনকা সেনDecember 20, 2019 at 11:22 PM

      সানজিদা রুমির প্রেম উপখ্যান খুব গুরুত্বপূর্ণ লেখা। আমার খুব ভালো লেগেছে। শব্দ চয়ন বিষয় বস্তু সব নিয়ে অনন্য।

      ReplyDelete
    10. সানজিদা রুমি র প্রেম উপাখ্যান পড়ে খুব মজা পেলাম. মাইনাস ফ্রিজিঙ টেম্পারেচার এ দুয়োরানি দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে. রাজার মনে হলে তার ডাক পড়ে. মনে না হলে তার কপাল মন্দ. আর তারই শাস্তি প্রাপ্প কেননা কোন দুঃখে সে সুয়োরানীর রাজার ঘাড়ে চেপেছে !! শাস্তি অনিবার্য দুয়োরানি. কল্লাটা গিলেটিনে রেখে বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিন! এটাই আপনার প্রাপ্প.

      ReplyDelete
    11. শামীম আজাদFebruary 10, 2020 at 3:48 PM

      প্রেম উপাখ্যানে সানজিদা রুমি যে ত্রিভুজ প্রেমের বিষয় উত্থাপন করেছেন সে নিয়ে আসলেও আমরা কথা বলতে চাই না। কিন্তু জীবনে অহরহ এই ঘটনা ঘটে। সাঞ্জিদারুমির সাথে আমি আমি একমত আবার দ্বিমত পোষণও করি। সুয়োরানীর বুকে মাথা রেখে দুয়োরানীর স্পন্দন শুনতে পায়। এটা যেমন সত্য তেমনি রাজা তার বাহুতেই বন্দি অনুক্ষণ। সেখানে দুয়োরানীর কষ্টটা আমরা কি উপেক্ষা করতে পারি ?

      ReplyDelete

    অনেক অনেক ধন্যবাদ