alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    চন্দ্রমল্লিকা ----- সঞ্চিতা দত্ত





    চন্দ্রমল্লিকা

    সঞ্চিতা দত্ত

    পাহাড়ঘেরা ছোট্ট গ্রাম রাঙ্গামাটি। সবুজে ঘেরা, পাখির কুজনে মুখরিত সেই গ্রামে ছিল রোহিনীর ছোট্ট সংসার। বাবা বিপ্রদাস মুখার্জি, গ্রামের স্কুলের শিক্ষক। মা মীনাক্ষী, ঘরকুনো শান্ত স্বভাবের এক নারী। ছোট ভাই সুব্রত, যার বয়স তখন আট। রোহিনী ছিল বাবার স্বপ্ন—তাকে বড় করে ডাক্তার বানাবে।

    আল মাহমুদ -----মেহরাব রহমান

     

    আল মাহমুদ 
    কাব্যগ্রন্থ : আমি ক্রীতদাস 
    মেহরাব রহমান
    (৬ জানুয়ারি, ২০০৫, মূলধারা ইন্টারন্যাশনাল, ঢাকায় শীতকালীন কবিতা উৎসবে কবি আল মাহমুদের বক্তব্য থেকে যে তথ্য পেয়েছি তার ভিত্তিতে) 

    মফস্বলের পথ ধরে হেলেদুলে চলেছে ছুটে যুবক। স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে উঠে আসে কাঙ্ক্ষিত নগর রাজধানী ঢাকায়। হাতে ধরা, রং করা, জংধরা, গোলাপের ছবি আঁকা, দড়িদড়া দিয়ে বাঁধা টিনের স্যুটকেস। বীরদর্পে হেঁটে যায় শ্যামলবরন যুবক এক। কী তার নাম? নাম জেনে কী হবে? নাম তো ছড়ায়নি সুনাম।

    কাঙ্ক্ষিত ! - আশরাফ আলী






    কাঙ্ক্ষিত !
    - আশরাফ আলী
    প্রজ্জ্বলিত কামনার কাছে বাসনা ছিলো
    একজন বাঙময় বাসবদত্তার।
    বৈরাগ্য নয়, বৈভব নয়
    শুধু এক পশলা বৃষ্টির মত
    বাতাবি নেবুর পাতার গন্ধের মত

    বন্ধন ~~~~~~~~~~~~~~~সানজিদা রুমি



     বন্ধন

    সানজিদা রুমি

    আমি যেন এক ফলভরা কানন,
    সহস্র শ্রমে গড়ে তোলা জীবন-বাগান।
    শাখা-প্রশাখায় ছড়িয়ে দিয়েছি স্নেহ ও প্রেম—
    দিনরাত ভরে উঠি নিঃশব্দ নিবেদনে।

    পাখিরা আসে, গান গায়, বাসা বাঁধে,
    শুক-সারির মৃদু ছোঁয়ায় কাঁপে পত্র-পল্লব।
    ক্লান্ত পথিক আমার ছায়ায় খুঁজে পায় প্রশান্তি,
    নির্ভার হয়ে আমার কোলে হারায় ঘুমের দেশে।

    এসে দেখে যেও, শুনে যেও! ---------- সুনিকেত চৌধুরী

    এসে দেখে যেও, শুনে যেও!
    - সুনিকেত চৌধুরী

    অসামান্য আন্তরিকতায় উন্মোচিত হয়েছিলো একদা 
    আমাদের যত  ভ্রম আর ভাবনার অলিগলি 
    ঠিক-বেঠিকের নিরিখে তো প্রতিভাত হয়নি 
    একটিও  কথা কিংবা গুনগুনিয়ে গাওয়া গান ! 

    "তোমার মুখের আলো" ~~~~~ সানজিদা রুমি

    "তোমার মুখের আলো"

    সানজিদা রুমি

     তোমার এই মুখায়বয়ব যেন ভোরের প্রথম রোদ,

    নিরবে নিয়ত নির্ঝর এক আশীর্বাদ, চোখে জমে থাকা চিরস্মৃতির বোধ।

    তুমি কিছু বল না – তবুও শ্রুতিগোচর হয়,

    তোমার মৌন হাসিতে বেজে ওঠা বহমান জীবনের রাগিণী।

    একটি বিকেলের গল্প। - সুনিকেত চৌধুরী

     একটি বিকেলের গল্প।
    - সুনিকেত চৌধুরী

    বিকল্প বিনোদন হলুদাভ বিবর্ণতায় ম্রিয়মান
    সম্মুখ সমুদ্র সৈকত সহসা অদৃশ্য অরুণাচলে
    ভগবদ গীতা উচ্চারিত অনুচ্ছেদে

    পৌষ সংক্রান্তি পুরনো ঢাকার এক ঐতিহ্যবাহী ঘুঁড়ি উড়ানোর উৎসব

    পৌষ সংক্রান্তি পুরনো ঢাকার এক ঐতিহ্যবাহী ঘুঁড়ি উড়ানোর উৎসব








    পৌষ সংক্রান্তি পুরনো ঢাকার এক ঐতিহ্যবাহী ঘুঁড়ি উড়ানোর উৎসব।বাংলা পৌষ মাসের শেষের দিন এই উৎসব পালন করা হয়।পুরান ঢাকার মানুষ আমরা বলি “সাকরাইন”। সাধারণত জানুয়ারি মাসের ১৪ তারিখেই এই উৎসব পালন করা হয়।পৌষ মাসের শেষ দিন অর্থাৎ পৌষ সংক্রান্তির দিনই পালিত হয় পুরান ঢাকার আদি “সাকরাইন” উৎসব যা জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলে একসাথে পালন করে আসছে যুগ যুগ ধরে।

    কি করি হায় আসে না সজনী।

    কি করি হায় আসে না  সজনী।
    পরিশ্রান্ত দৃষ্টি উচাটন    ---
    কারো পদ পরশনে চকিত প্রান মন।
    পাগল আমি ছুটে যাই দশদিকে 
    বরষন মন্দির বাজে রিনিঝিনি 
    মনের কোণে বাজে তার পদ ধ্বনি ।

    সহসা সাহসী - সুনিকেত চৌধুরী

    সহসা সাহসী
    - সুনিকেত চৌধুরী  

    নিরাসক্ত, নৈর্ব্যক্তিক ও নিরাভরণ একটা জীবন 
    যদি সহসা সাহসী হয়ে সমাজ হিতৈষী সম্মোহনের 
    মায়াজালে আবদ্ধ করতে উদ্যোগী চরিত্রে 
    রূপায়িত হয়ে ওঠে সকালের সোনারোদে 
    ঝিলমিল পুকুর পাড়ে -

    নদী উপাখ্যান ......... মেহরাব রহমান

     



    নদী উপাখ্যান 

    মেহরাব রহমান 


    গতরাতে বসবাস ছিল 

    অগ্নিপ্রেম ছিল নদী ও নারীর সঙ্গে 

    প্রাতে উঠে 

    বৃদ্ধ শেকড়ের মতো আঁকড়ে ধরলো

    নদী প্রেম 

    ভাবি শুধু ভাবি

    যদি কবি হই

    বলতেই হয়

    গাইতেই হয় নদীর জয়গান 

    তুমি বেরিয়ে পড়ো~~~~~~~~সানজিদা রুমি



    তুমি বেরিয়ে পড়ো

    সানজিদা রুমি


    তুমি বেরিয়ে পড়ো আপনার খোঁজে

    নয় আর আমগ্ন হতাশায় -নিমগ্ন-নিলীন

    তুমি নিরন্তর সম্মুখযাত্রী -

    করো নিজ অস্তিত্বের অন্বেষণ ।

    জীবনসত্য তোমার দ্রুতি

    কালচক্র জীবনের গতি।

    শিরোনামহীন ! - আশরাফ আলী।

     


    শিরোনামহীন !
    - আশরাফ আলী।

    সমুদ্র সমান সঞ্জীবিত সম্ভ্রমকে সহায় করে
    তোমার সকাশে আসতে চাইলাম,
    তুমি চেয়ে রইলে নির্বাক!
    অবাক হওয়ার পালা আমার তখন!

    আঁজলা ভরা এক পশলা বৃষ্টি ! - সুনিকেত চৌধুরী

     আঁজলা ভরা এক পশলা বৃষ্টি ! 
    -   সুনিকেত চৌধুরী   

    আজকের সকালের, দুপুরের, সন্ধ্যার গাওয়া যত গান 
    যত জপনাম 
    আঁজলা ভরে মৃদুপায়ে নিয়ে যাবো  
    ছোট্টবেলার গাছের ডালে বাঁধা খেলাঘরে - 
    তখন অনেক উত্তপ্ত দিনের শেষে বৃষ্টি নামবে !

    পাঠকদের বিশেষ অনুরোধে কবি সুনিকেত চৌধুরীর যুগল কবিতা প্রকাশ করা হলো।

     দু'হাজার চব্বিশ এবং অতঃপর!
    - সুনিকেত চৌধুরী 
     
    রেখেছি প্রস্তুত করে 
    খাতা-কালি-কলম
    একটা নতুন (কিংবা পুরানো) প্রেমের কাহিনী 
    রচনা করবোই এবার! 
    উজ্জীবিত আনন্দে 
    শর্তহীন আকাঙ্খায় 
    মেলে ধরা পেখমের ভারশূন্যতায়  
    অতলান্ত নীলে হয়ে যাবো লীন!
    দু'হাজার চব্বিশ এবং অতঃপর!