alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    কাঁটাতার বেড়া মেহরাব রহমান





















    কাঁটাতার বেড়া
    মেহরাব রহমান

    উত্তরের দেশ ; হিমাংক নগর
    বাস্পায়িত জল ; তৃষ্ণার্ত আকাশের আকণ্ঠ পান ;
    তাই নিয়ে মেঘপুঞ্জ... তোলপাড় মেঘের মিছিল
    হুহু করে মন ; ভেতরে পরবাসি ক্রন্দন...
    প্রবাহিত ঝোড়ো হাওয়া ; ধূলিকণার উল্টোরথ ;
    বিস্তীর্ণ অন্ধকার.... ঝোড়ো হাওয়ায় রাঙানো সকাল  বৃষ্টি হবেকি হবেনা , বর্ষা নামবেকি নামবেনা !

    এই কষ্টের নাম ! ----- সুনিকেত চৌধুরী

    এই কষ্টের নাম !
    - সুনিকেত চৌধুরী

    কখনো কখনো ইচ্ছে করে
    রাগ করি তোমার ওপর,
    প্রচন্ড রাগ - ইচ্ছে হয়,
    একটা ইউটউব ভিডিও ভাইরাল করি,
    জানুক পৃথিবীর সবাই, কি কষ্ট হয় আমার
    "মেসেন্জার"এ সাড়া যখন পাইনা তোমার
     জানিনা যখন কেমন আছো তুমি!
    আমার মত প্রেমিক আছে যত এই মর্তলোকে 
    "লাইক" দিয়ে করে "শেয়ার" আমার কষ্টটাকে
    করে দিক ভাইরাল ইউটউব ভিডিওকে!

    আবহাওয়া দপ্তর যেমন
    করে নামকরণ কর্মীর নামে
    কোন সাইক্লোন আসন্ন হলে
    অসহায় যত প্রেমিকের কষ্টের তেমন  
    হবে তখন আমার নামে নাম!

     http://www.alokrekha.com

    এমন ভেঙ্গে চুরে ভালো কেউ বাসেনি আগে - তসলিমা নাসরিন---কিছুক্ষণ থাকো


    এমন ভেঙ্গে চুরে ভালো কেউ বাসেনি আগে
    তসলিমা নাসরিন
    কী হচ্ছে আমার এসব!
    যেন তুমি ছাড়া জগতে কোনও মানুষ নেই, কোনও কবি নেই, কোনও পুরুষ নেই, কোনও
    প্রেমিক নেই, কোনও হৃদয় নেই!
    আমার বুঝি খুব মন বসছে সংসারকাজে?
    বুঝি মন বসছে লেখায় পড়ায়?
    আমার বুঝি ইচ্ছে হচ্ছে হাজারটা পড়ে থাকা কাজগুলোর দিকে তাকাতে?
    সভা সমিতিতে যেতে?
    অনেক হয়েছে ওসব, এবার অন্য কিছু হোক,
    অন্য কিছুতে মন পড়ে থাক, অন্য কিছু অমল আনন্দ দিক।

    বৃষ্টিভেজা বেলীফুল সকাল। - সুনিকেত চৌধুরী

     বৃষ্টিভেজা বেলীফুল সকাল।
    - সুনিকেত চৌধুরী বৃষ্টিভেজা বেলীফুল সকালটা যেন সদ্য জেগেছে গভীর এক স্বপ্ন ভরা ঘুমের ওপার থেকে। চোখ মেলে সদ্য-স্নাত তোমাকে বুকের মধ্যিখানে নিয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়ার বাসনাকে বালখিল্যতা আখ্যা দেয়া যাবে নাতো ! যাবেনাতো বলা, অনেক হয়েছে এবার ক্ষান্ত দাও, হয়েছে যে বেলা। আমার কি দোষ ? মরে যেতে এতো সুখ ভালোবেসে বলে যে দিলে তুমি করে পূরণ সমর্পনের সব ক'টা শর্ত সুনিপুন সখ্যতায়!
     http://www.alokrekha.com

    নির্বাসন --------------------- © সুনীতি দেবনাথ

      












    নির্বাসন
    ---------------------
    ©
    সুনীতি দেবনাথ
    আমাকে চৌদ্দ বৎসর নয় চৌদ্দ মিনিটের
    নির্বাসন দিয়ো না হে জীবন
    প্রতিটি মিনিট বহুবর্ণ বাহারি
    তাই বেঁচে যেতে চাই দেখে যেতে চাই
    তোমার মহিমান্বিত পতন উত্থান
    শৈলশিখরে কবোষ্ণ আলোকচ্ছটা
    ছলকে ছিটকে যায় আলোকবর্ষের সীমানা
    ভেঙেচুরে কোন অভিনব অনাবিষ্কৃত
    অন্যলোকের আরেক মহা জ্যোতিষ্ক অভিমুখে
    আমি সেই মহাসঙ্গমে আলোস্নান করতে চাই
    যারা গেছে বন্ধন ছিঁড়ে যাক না

    ষোলো লক্ষ পাঠকের ভালোবাসাধন্য আলোকরেখা !

    ষোলো লক্ষ পাঠকের ভালোবাসাধন্য আলোকরেখা !
    আমরা যারা ইতিমধ্যে জীবনের পথে অনেকটা পথ হেঁটেছি তারা এটা নিশ্চিতভাবে জানি যে সংখ্যা দিয়ে কখনো গভীরতা মাপা যায়না।  যায়না মাপা মান কিংবা ভালোবাসা ! ভালোবাসা ধন্য কেউ  তার হৃদয়ের মাঝখানে ভগবানের বসিয়ে দেয়া এক অদৃশ্য তারে সৃষ্ট কম্পনে জেনে যায়, বুঝে যায় তার দিকে প্রসারিত ভালোবাসার মোহময়তা !
    যদি বলি আজ আলোকরেখার অগুনতি পাঠকের ভালোলাগা উৎসারিত ভালোবাসার অনুরণন একান্ত স্পষ্টভাবে অনুভূত আমার হৃদয়ে ! আর আমি তখন আপ্লুত, আমি সানজিদা তখন নিখোঁজ! আমি সানজিদা তখন অস্তিত্বহীন ! সবকিছু ছাড়িয়ে তখন শুধু সকলের আনন্দের সাগরে অবগাহন।  তখন শুধু সুন্দরের বন্দনা! তখন শুধুই "সত্যম শিবম সুন্দরম !"

    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    চিত্তে ঋতুপর্ণ,




    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    জেগে থাকি আমি ! - সুনিকেত চৌধুরী।



    জেগে থাকি আমি !

    - সুনিকেত চৌধুরী।



    সবুজ সবুজ ভালোবাসার কাছে সমর্পিত

    সমগ্র স্বত্বা আমার জেগে থাকে সারাটা রাত্রি

    চেয়ে থাকে সারাটা সকাল

    চব্বিশ নম্বর বাসটার আগমনী পথের দিকে !

    ঝরা পাতায় মোড়া হাঁটাপথটাও অপেক্ষায় যেন

    নেমে আসা আসি আসি শীতের জুতো পরা পদযুগলের !

    নিশ্চিত জানি আমার হৃদস্পন্দন জেনে যাবে ঠিক

    আমার প্রিয়ার বুকের কাঁপন দাঁড়াবে যখন এসে

    আমার দরোজায় !

    জেগে থাকি, চেয়ে থাকি আমি

    সে  আশায় !

     http://www.alokrekha.com

    " কোজাগর পূর্ণিমা " ----------------------------- গীতালি চক্রবর্তী।


    " কোজাগর পূর্ণিমা "
    ----------------------------- গীতালি চক্রবর্তী।

    আজ , কোজাগর রাত , কোজাগর পূর্ণিমা !
    মিষ্টি আলোয় ডুবে আছে ধরা ,
    জ্যোৎস্নার বান ডেকেছে ভূবন জুড়ে ,
    সাদা মেঘের পাল তোলা নৌকো
    ভাসছে আলোর স্রোতে ।
    আজ , কোজাগর পূর্ণিমা !
    চারিদিকে চাঁদের হাসির লুটোপুটি ,
    জ্যোৎস্নার ওড়না জড়িয়ে পায়ে পায়ে
    এগিয়ে আসছে ধূষর সন্ধ্যা ,
    অপূর্ব তার রং এর ছটা ! 
    গভীর রাত , নিস্তব্ধ চারিধার ,   
    টুপটাপ শিউলি ঝরার শব্দ ,শিউলী সুবাস
    জড়িয়ে আছে শরতের চপল হাওয়ায় ।
    বারান্দায় আমি !

    Rituparno Ghosh in conversation with Aparna Sen


    Rituparno Ghosh in conversation with Aparna Sen who is an Indian filmmaker, screenwriter and actress who is known for her work in Bengali cinema. A leading actress of the late 1960s and 1970s she has received eight BFJA Awards, five for best actress, two for best supporting actress and one for lifetime achievement. She is the winner of nine National Film Awards and nine international film festival awards for her direction in films. She was awarded the Padma Shri, the fourth highest civilian award, by the government of India in 1987.


    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    জাগিয়ে দিও ভোরবেলাতে ! ------ - সুনিকেত চৌধুরী l


    জাগিয়ে দিও ভোরবেলাতে !

    - সুনিকেত চৌধুরী l



    জাগিয়ে দিও ভোরবেলাতে

    যেতে হবে অনেকদূরে

    পাশের বাড়ী, তাদের বাড়ী,

    সূর্য্যদীঘল ওই বাড়ী পেরিয়ে

    সব সীমানার সীমা ছাড়িয়ে

    বৃষ্টিধোয়া সকালে স্নেহ দিয়ে লেপা কোন এক আঙ্গিনায়।

    কাঁচাঘর / মুনা চৌধুরী

    কাঁচাঘর / মুনা চৌধুরী
    ভেজা মাটির নিকোনো ঘরটা এখন তৈরী হচ্ছে.
    পশলা পশলা বৃষ্টি এসে সেটাকে বার বার ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছে.
    কালরাতে মনিটরের সব বক্ররেখাগুলো একসময় সরল হয়ে গেলো
    কাচঘরের এপারে ছিলাম আমি- ওপারে তুমি, তোমরা সবাই.
    জীবনের সব কঠিন সমস্যাগুলো যেন এক নিমেষে সমাধান হয়ে গেলো.
    সত্যি সত্যি কোনো miracle আমায় আর জাগিয়ে রাখলো  না ।
    মনে আছে, miracle আর বিশ্বাসের গল্পগুলো তোমায় আমিই বলতাম.
    পশলা পশলা বৃষ্টিতে সযতনে তুমি আমার শরীরখানা নামিয়ে দিও.
    আমায় শুইয়ে দিও ভেজা মাটির নতুন ঘরে. শুভ্রতার উপর
    আমার মাথায় হাত রেখো; হাত রেখো তোমার আশির্বাদে;
    শেষ বারের মতো হাত রেখো ভালোবাসায় আর অভিমানে.
    তুমি কি থাকতে পারো আজ রাতে?
    একটা বিনিদ্র রাত্রিতে তুমি কি পারোনা আমার পাশে জেগে বসে থাকতে?


     http://www.alokrekha.com

    কবিতা নিয়ে আমার নুতন পর্ব বিশ্বকবিতা অনুবাদ -পাসপোর্ট মাহমুদ দারভিশ (প্যালেস্টাইন) অনুবাদ: মেহরাব রহমান-

     কবিতা নিয়ে আমার নুতন পর্ব
    বিশ্বকবিতা অনুবাদ
    পাসপোর্ট মাহমুদ দারভিশ (প্যালেস্টাইন) অনুবাদ: মেহরাব রহমান ছায়ার পরে ছায়া......ছায়ার মিছিল ছায়া উপছায়ায় ওরা আমাকে চিনতে পারেনি আঁধারীর ম্লান অন্ধকার পাসপোর্ট থেকে শুষে নিয়েছে আমার সমস্ত রং এবং তাদের কাছে আমার ক্ষতচিহ্ন ছিল কেবলমাত্র প্রদর্শনীর মতো ওরা ভেবেছে আমি এক পর্যটক সখের বশে স্থিরচিত্র সংগ্রহ করি

    প্রসঙ্গ – “হে মহাজীবন“------------ ঋতু মীর

                                                        



     প্রসঙ্গ – “হে মহাজীবন
    ঋতু মীর

    Books are mirrors, you only see in them what you already have inside you 
    --Carlos Ruis Zafon

    পাঠকের অনুভূতি এবং উপলব্ধির প্রকাশ লেখকের এক বিশাল অনুপ্রেরনা।একটা মানসম্পন্ন ভাল লেখা বা কবিতার নান্দনিক প্রকাশে পাঠকের সুচিন্তিত মন্তব্য একজন লেখক বা কবির জন্য প্রাপ্য স্বীকৃতিও বটে! গত নভেম্বর ২১ তারিখ  আলোকরেখায় “হে মহাজীবন!এক অনুপম জীবনালেখ্য “শিরোনামে লেখক আকবর হোসেনের হে  মহাজীবন “বইটির পর্যালোচনা প্রকাশ এবং পাঠকের মন্তব্য আমাকে নিঃসন্দেহে অনুপ্রাণিত এবং সন্মানিত করেছেআমি এক বিমুগ্ধ পাঠক মাত্র!“হে মহাজীবন“ জীবন দর্শনের কিছু অমোঘ সত্য উচ্চারিত করে আমার উপলব্ধির বোধকে সমৃদ্ধ করেছে বলেই লেখালেখিতে আমার অনিয়মিত কলম অক্ষর আর শব্দে ভাষা খুঁজে পেয়েছে আমি অনুপ্রাণিত এই ভেবে যে, এক স্বতঃস্ফূর্ত উৎসাহে পাঠক বইটি হাতে তুলে নেবে! বইটির রিভিউ লেখায় আমার সার্থকতার মাত্রাও বোধহয় সেখানেই!


    ১।
    কবি মেহরাব রহমান হে মহাজীবন এর রিভিউ প্রসঙ্গে তাঁর সুচিন্তিত মুল্যবান মন্তব্যের মাঝে যে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন তার উত্তরে বিনয়ের সাথেই বলতে চাই- কোন বইয়ের পর্যালোচনা সম্পূর্ণই পাঠকের ব্যাক্তিক অভিমত এবং অনুভুতির গভীরতম প্রকাশ আমার মতে- যে কোন কিছুর পর্যালোচনা নির্ভর করে ব্যাক্তির নিজস্ব চিন্তা, perception বা প্রত্যক্ষন এর উপর অর্থাৎ ব্যাক্তির নিজস্ব দেখার চোখ বা অনুভব দিয়েই তাঁর বিশ্লেষণ প্রভাবিত হয় সেখানে অন্য মতামতের ভিন্নতা থাকতেই পারেলেখক আকবর হোসেনের “হে মহাজীবন“ বইটি প্রসঙ্গে আমি আরও অনেক সমৃদ্ধ পর্যালোচনা পড়েছি যার সাথে আমার দৃষ্টিভঙ্গী বা বিশ্লেষণের পার্থক্য রয়েছেরিভিউ তত্ত্ব বা থিউরির মত universal truth নয় যে তাকে  সর্বস্বীকৃত , সার্বজনীন হতেই হবে লেখক আকবর হোসেনের ভাষায়- “শব্দাবলী কাব্য নয়, শব্দের মাঝখানে যে নীরবতা, সেটা কাব্য। কবিতার মর্ম শব্দাবলীতে নয়, শব্দের পেছনে যে নিগুঢ় নীরবতা, সেখানেই।" কবি মেহরাব রহমানের মন্তব্যে- শব্দাবলীই কাব্য। একথা অনস্বীকার্য যে, শব্দ অবশ্যই ভাষা শৈলীতে সমৃদ্ধ হয়ে একটা কবিতা বা লেখাকে নান্দনিক করে তোলে তবে এক্ষেত্রে আমার অভিমত- সব শব্দই কাব্য হতে পারেনা যেমন- বাঙলা ভাষায় অনেক লেখক/কবি বানিজ্যিক প্রবণতা বা সস্তা জনপ্রিয়তার খাতিরে শব্দ বা ভাষার অপব্যাবহার করেন যেমন, বই, নাটক বা বিজ্ঞাপন সংলাপে- দিও বা দিও না কে দিবা/দিবানা, কর বা করবেনা কে করবা / করবানা, যাবে, যাবে না কে যাবা/ যাবানা ইত্যাদির মত আরও অনেক বাঙলা শব্দ অবলীলায় ব্যবহৃত হচ্ছে এই সব শব্দের ব্যবহারে কোন লেখা বা সংলাপ যে কাব্য হতে পারেনা কবি মেহরাব রহমান নিচ্ছয়ই তা স্বীকার করবেন

    ‘হে মহাজীবন’! এক অনুপম জীবনালেখ্য!-------------- ঋতু মীর

    ‘হে মহাজীবন’! এক অনুপম জীবনালেখ্য!

    ঋতু মীর


    এক গভীর মনোযোগে দৃষ্টি আটকে থাকে বইয়ের প্রচ্ছদে, শিরোনামে। জনশুন্য প্রান্তরের পথে ত্রিশূল হাতে এক সন্ন্যাসী, গন্তব্য তাঁর অজানালোকের সত্য সন্ধানে, অথবা কোন অনন্তের পথে, অন্তর্জলী যাত্রায়! ‘হে মহাজীবন’ লেখক আকবর হোসেনের আত্মচেতনার বিশ্লেষণ, আত্মজীবনীমুলক এক উপাখ্যান। ঋতবাক প্রকাশনা, কলকাতা থেকে প্রকাশিত বইটির ঝকঝকে মুদ্রণ, কাগজের মান ও প্রচ্ছদে পরিমিত রঙের ব্যাবহারে এক রুচিশীল শোভনতা। সহজ সরল ভাষায় লিখিত অসাধারণ এই জীবন আলেখ্য পাঠককে সমৃদ্ধ করে প্রতি অধ্যায়ে, প্রায় প্রতিটি ঘটনায়। জীবনকে নিবিড়ভাবে অনুভব করে নির্মোক এক সন্ন্যাসীর মত জীবন কাহিনীর যে চিত্র তিনি এঁকে গেছেন, তাঁরই মতে, “তা যেন কখনও হীরকখণ্ড, কখনও অশ্রু জল, কখনও বা জলন্ত অঙ্গার”!