alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    শামসুর রাহমান (১৯২৯-২০০৬) কবি, সাংবাদিক।............সানজিদা রুমি



    শামসুর রাহমান (১৯২৯-২০০৬)  কবিসাংবাদিক।

                                                                 সানজিদা রুমি     
                                                  

    শামসুর রাহমান (১৯২৯-২০০৬)  কবি, সাংবাদিক। তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক বাড়ি ঢাকা জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে। কবির পিতা মোখলেসুর রহমান চৌধুরী এবং মাতা আমেনা খাতুন। শামসুর রহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত।
    শামসুর রাহমান ঢাকার পোগোজ স্কুল থেকে ১৯৪৫ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৪৭ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আই.এ পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন। কিন্তু তিনি অনার্স ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি। তবে তিনি ১৯৫৩ সালে বি.এ (পাস কোর্স) পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালে বর্তমান রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান, জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, হাসান হাফিজুর রহমান, সৈয়দ মোহাম্মদ আলী, সাবের রেজা করিম, তরীকুল আলম, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, বদরুদ্দীন উমর, আবুল মাল আবদুল মুহিত, মোস্তফা কামাল, সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, সৈয়দ আলী কবির, আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী প্রমুখ ব্যক্তিত্বের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল।

    রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহকে লেখা তসলিমা নাসরিনের চিঠি

    রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহকে লেখা তসলিমা নাসরিনের চিঠি


    প্রিয় রুদ্র,
    প্রযত্নে, আকাশ
    তুমি আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখতে বলেছিলে। তুমি কি এখন আকাশ জুরে থাকো? তুমি আকাশে উড়ে বেড়াও? তুলোর মতো, পাখির মতো? তুমি এই জগত্সংসার ছেড়ে আকাশে চলে গেছো। তুমি আসলে বেঁচেই গেছো রুদ্র। আচ্ছা, তোমার কি পাখি হয়ে উড়ে ফিরে আসতে ইচ্ছে করে না? তোমার সেই ইন্দিরা রোডের বাড়িতে, আবার সেই নীলক্ষেত, শাহবাগ, পরীবাগ, লালবাগ চষে বেড়াতে? ইচ্ছে তোমার হয় না এ আমি বিশ্বাস করি না, ইচ্ছে ঠিকই হয়, পারো না। অথচ এক সময় যা ইচ্ছে হতো তোমার তাই করতে। ইচ্ছে যদি হতো সারারাত না ঘুমিয়ে গল্প করতে করতে। ইচ্ছে যদি হতো সারাদিন পথে পথে হাটতে হাটতে। কে তোমাকে বাধা দিতো? জীবন তোমার হাতের মুঠোয় ছিলো। এই জীবন নিয়ে যেমন ইচ্ছে খেলেছো। আমার ভেবে অবাক লাগে, জীবন এখন তোমার হাতের মুঠোয় নেই। ওরা তোমাকে ট্রাকে উঠিয়ে মিঠেখালি রেখে এলো, তুমি প্রতিবাদ করতে পারোনি।

    সহযাত্রী--------------- সানজিদা রুমি








    সহযাত্রী
    সানজিদা রুমি 

    "সহযাত্রী" নামের বন্ধুরে বয়ে চলেছি কতটা কাল ধরে
    রাত দিন এক সাথে পাশাপাশি বিরামহীন-আজ অবদি
     হঠাৎ দুজনার দিকে তাকিয়ে অবাক ,বিমূঢ়
    হায় ! আমাদের পক্ক কেশ।
    অথচ তুমিতো রয়েছো আগেরই মত
    প্রথম যেদিন দেখা হয়েছিল -
    সেই ভোরের সূর্যালোকে
    নক্ষত্রলোক হতে ভেসে আসা স্বপ্ন মানুষ।

    সনির্বন্ধ অনুরোধ! - সুনিকেত চৌধুরী।

     সনির্বন্ধ অনুরোধ!
    সুনিকেত চৌধুরী।  

    সপ্রতিভ তোমাকে সনির্বন্ধ অনুরোধ আমার 
    ভুলে যেও এখানে ছিল বাগান একদা। 
    সম্মৃদ্ধিৰ সোপান গড়ে অট্টালিকার বাগানে 
    প্রপিতামহের শুদ্ধ সংগীতের চর্চা হয়নাতো কোনদিন!
    আমার সবজির বাগানে তোমার প্রবেশ নিষেধ!
    সুপ্রাচীন সৌহার্দের দোহাই অকর্মন্য ইদানীং 
    নতুন কিছু বল 
    আর চল চলে যাই


     http://www.alokrekha.com

    অধরা রমণী --------- মেহরাব রহমান












    অধরা রমণী
    মেহরাব রহমান

    শেষবার ধবল অন্ধকার,
    চমকিয়া অনির্বান আঁধার I
    মধু চন্দ্রিমা চাঁদনী, চাঁদগো আমার;
    গোপন খিড়কি পথে ঢুকে গেলো
    আমাদের জোৎস্নাঘরে    
    আকাশের গহীন শূন্যতা থেকে
    অঝর দুধের নহর

    হাত –--------- তসলিমা নাসরিন







    হাততসলিমা নাসরিন

    আবার আমি তোমার হাতে রাখবো বলে হাত
    গুছিয়ে নিয়ে জীবনখানি উজান ডিঙি বেয়ে
    এসেছি সেই উঠোনটিতে গভীর করে রাত
    দেখছ না কি চাঁদের নীচে দাঁড়িয়ে কাঁদি দুঃখবতী মেয়ে!
    আঙুলগুলো কাঁপছে দেখ, হাত বাড়াবে কখন?
    কুয়াশা ভিজে শরীরখানা পাথর হয়ে গেলে?
    হাত ছাড়িয়ে নিয়েছিলাম বর্ষা ছিল তখন,
    তখন তুমি ছিঁড়ে খেতে আস্ত কোনও নারী নাগাল পেলে।

    বারান্দা......... লেখক: দেবাশিস লাহা






    বারান্দা
    লেখক: দেবাশিস লাহা

    জানালাটা বন্ধই থাকত। গাড়ি-ঘোড়ার আওয়াজ, ধোঁয়া, ধুলো, হাড়বজ্জাত মাতালের মাতলামি কোনোটিকেই কারণ হিসেবে দায়ী করা যাবে না। তথাকথিত ফ্ল্যাট-বাড়ির জানালাও এটি নয় যে, অন্ধের কি--বা দিন কি--বা রাত! শুধু ছিটকিনি খোলার অপেক্ষা। হুড়মুড়িয়ে রোদ আর বাতাস। আহা কী দিনই না ছিল! শুধু কি জানালা! দরজা খুললেই চওড়া বারান্দা। শীতের সকালে আরামকেদারা আর খবরের কাগজ। পিতৃপুরুষের সেই আসবাব থেকে এখন সপ্তাহান্তে একবার ধুলো মুছতে হয়; কিন্তু এমন তো হওয়ার কথা ছিল না। ইচ্ছা ছিল জীবনের শেষ দিনটা ওই বারান্দায় বসেই কাটিয়ে দেবে।উলটো ফুটের ভুঁইফোঁড় বাড়িটাই বাড়া ভাতে ছাই ঢেলে দিলো। বাড়ি তো নয় যেন রাজপ্রাসাদ। অদ্ভুত একটা রং। হলুদই বলা চলে। পাবলিকের চোখ নাকি জুড়িয়ে যায়। মিত্তিরই কেবল সরষে ফুল দেখে। আঙুল ফুলে কলাগাছ হলে যা হয়। টেক্কা দেওয়ার মতলবে এমন একটা বাড়ি বানাবে জানলে হারগিস ওই জায়গাটা বিক্রি করতেন না। তাও আবার জলের দরে। অথচ বছরপাঁচেক আগেও মিত্তিরদের বাড়িটাই চৌহদ্দির মধ্যে এক নম্বর ছিল। বড় বড় থাম, চওড়া দর-দালান, শাল-সেগুনের কড়িকাঠ, মেহগনির আসবাববনেদি বাড়ি বলতে যা বোঝায়! সবার মুখে মুখে তখনবাবুবাড়ি নাম।

    আমার রবীন্দ্রনাথ........



     আমার রবীন্দ্রনাথ

    এক তরুণ কবি ১২৮৯ বঙ্গাব্দের ভোরের সূর্যোদয় দেখতে দেখতে অনুভব করলেন তাঁর চারদিকে যেন কঠিন কারাগার, লিখলেন, "ওরে, চারি দিকে মোর- এ কী কারাগার ঘোর - ভাঙ্ ভাঙ্ ভাঙ্ কারা, আঘাতে আঘাত কর।ওরে আজ কী গান গেয়েছে পাখিএসেছে রবিরকর ॥" সেদিন কবি ওই সূর্যোদয় দেখেছিলেন কলকাতা মহানগরীর সদর স্ট্রিটের বারান্দা থেকে।

    অনুভবে তোমাকে ......... গীতালি চক্রবর্তী













    অনুভবে তোমাকে 
    গীতালি চক্রবর্তী 

    শিশির ভেজা ঘাসে যখন পা রাখি
    তোমার পরশ আমি অনুভব করি।
    উষশীর রোদের উষ্ণতা আমাকে দেয়
    তোমার বুকের উত্তাপের ছোঁয়া
    যার আবেশে "আমি " জেগে উঠি।
    সূর্যাস্তের রক্তিম আভা যখন
    তোমার কপোলে চুম্বন আঁকে
    অনুভবে আমি তোমাকে পাই
    আপ্লুত হই তোমার মাঝে

    যেতে চাই তোমার সাথে। ----- - সুনিকেত চৌধুরী

     যেতে চাই তোমার সাথে। 
    - সুনিকেত চৌধুরী

    গুঞ্জরিত গহনে তাল-বেতালের লহরা দিয়ে
    সপ্তর্ষি যখন মধ্যগগনে
    নিকষ কালো আনন্দ গ্রাস করে নেয়
    সকলের সামন-পেছন
    এদিক-সেদিক চারিদিক !
    গম্বুজ কিংবা মিনারের উচ্চতার মাপ
    মাত্রাহীন তখন !

    অনুর ভিতর পরমাণু .......... মেহরাব রহমান












    অনুর ভিতর পরমাণু
    মেহরাব রহমান

    আমাদের
    সকলের
    ভেতর ঘর
    এক দুঃখ নগর
    এবং শেষহীন
    এক আনন্দ শহর
    এরপর সাজানো স্বপ্নসুখ
    তারপর জংধরা সিন্দুক
    যন্ত্রণার অসুখ
    স্মৃতির ছায়া

    বন্ধন -------- সানজিদা রুমি















    বন্ধন
    সানজিদা রুমি

    আমি এক ফলবান বৃক্ষ বাগান 
    কত সহস্র শ্রমে ফলে ফুলে সাজিয়েছি নিজেরে  -
     শাখা প্রশাখারে স্নেহ ভালোবাসায় ভরিয়ে রাখি সারাক্ষন।
    কত পাখি গায় ,বাসা বাঁধে ,ভালোবাসে শুকসারি
    ক্লান্ত পথিক দুপুর রোদে জিরোয় আমার ছায়ায়
    কতজন নিশ্চিন্তে আমার কোলে নিদ্রা যায়।

    অনুর ভিতর পরমাণু--------- মেহরাব রহমান













    অনুর ভিতর পরমাণু
    মেহরাব রহমান

    হেমন্তের নবীন কুয়াশা মাড়িয়ে হাঁটি
    অচেনা বৈদেশ মাটি I
    হঠাৎ চমকে উঠি
    ভোরের কাক ডাকে ;
    কা-কা-কা কা-কা-কা
    সানি ধাপা মাগা রেসা