alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    তুমি ! - সুনিকেত চৌধুরী।

     
    তুমি !  
    - সুনিকেত চৌধুরী।
    এই যে সমুদ্র, এই যে নদী, এই যে নন্দিত নগর  

    এই দ্বিপ্রহরে এক দন্ড অবসর 

    দিয়ে দেয়া গেলো তোমাকে

    সেইসাথে দেয়া গেলো আমাদের দু'জনার 

    ফেলে আসা সবগুলো স্বর্ণালী সন্ধ্যা

    আমাদের দু'জনার হাত ধরাধরি হাঁটা 

    আর সেদিনের সেই প্রথম চুমু!

    এক বাউলের ভিন ধারাপাত মেহরাব রহমান












    এক বাউলের ভিন ধারাপাত
    মেহরাব রহমান  

    কবুল কবুল বোইলেছো কইন্যা
    দেন মোহর দেই নাই
    মাইনা লইছো এই বান্দার শত অনাচার
    মাইনা লইছো বাউলের কত অইত্যাচার    
    এই উড়াকু সংসার
    আমারে বান্ধে বারবার
    জানি আমি ছাইড়তে হবে এই অবাক জীবন 
    ডাক পোইড়লে যাইতে হবে অইন্য এক ভূবন 
    যে থাইকবার সে ক্যান হারায় সকাল সকাল
    যার যাইবার সে থাইক্কা যায় য্যান চিরকাল
    কবুল কবুল বোইলেছো কইন্যা
    দেন মোহর দেই নাই

    রিজিয়া রহমান (১৯৩৯–২০১৯) হলেন স্বাধীনতা উত্তর কালের বাংলাদেশের একজন নারী ঔপন্যাসিক ছিলেন।

    রিজিয়া রহমান



    রিজিয়া রহমান (১৯৩৯২০১৯) হলেন স্বাধীনতা উত্তর কালের বাংলাদেশের একজন নারী ঔপন্যাসিক ছিলেন। ষাটের দশক থেকে গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, রম্যরচনা শিশুসাহিত্যে তার বিচরণ। তার প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ অগ্নি স্বাক্ষরা। তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলো হল ঘর ভাঙা ঘর, উত্তর পুরুষ, রক্তের অক্ষর, বং থেকে বাংলা। লিখেছেন অভিবাসী আমি নদী নিরবধি নামে দুটি আত্মজীবনী। উপন্যাসে অবদানের জন্য তিনি ১৯৭৮ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।বাংলা ভাষা সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

    শুভাশীষকে চিঠি": এপিসোড ৫

    Updated 15 April 2 am --"শুভাশীষকে চিঠি": এপিসোড ৫

    নীল,
    ছেলেরা তোমার চিঠি পেয়ে, বিশেষ করে বাবার ছেলেবেলার বন্ধুর চিঠি পেয়ে ভীষণ খুশি। তোমায় নাকি ওরা লিখেছে ইমেইলে। 
    আগের চিঠিতে তুমি আমায় যা যা বলেছো এর উত্তরে আমার কিছু বলার নেই। শুধু এটুকু বুঝতে পারি, আমি তোমার ভালোবাসার মর্যাদা দিতে পারিনি। ভালোবাসার যে 'আদব' থাকে, সেই আদব তোমায় প্রত্যুত্তরে দিতে পারিনি। শামস এর মতো তুমি কাটা দেখেছিলে কিন্তু সেই সাথে দেখেছিলে গোলাপ। রাত্রির অন্ধকার দেখেছিলে সেই সাথে দেখেছিলে আলোকিত ভোর। তুমি জানতে এক ফালি বাঁকা চাদ পূর্ণচন্দ্রে রূপান্তর হতে সময় লাগে। সালমান-আল-ফারসি(র:) তার প্রিয় বন্ধুর খোঁজে পৃথিবী চোষে বেড়িয়েছিলেন। সূদুর ইরান থেকে কত পথ পাড়ি দিয়ে খুঁজে পেয়েছিলেন তার না-দেখা বন্ধুকে। তার কাছে স্বর্গ হয়ে গেছিলো সামান্য আর বন্ধুর খেজুর পাতায় মোড়া মাটির ঘর হয়ে গেছিলো অসামান্য। আতিফ আসলাম এর গজাল এর মতো, "জান্নাত ভি গাওয়ারা হ্যায় মাগার মেরে লিয়ে/ইয়ে কাতিব-এ-তাকদির মদিনা লিখ দে"।

    আলোকরেখার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

    অনিবার্য কারণে আলোকরেখা সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। সেই জন্য আলোকরেখা আপনাদের কাছে করজোড়ে ক্ষমাপ্রার্থী।সেই সাথে আপনাদের আলোকরেখার প্রতি ভালোবাসাকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। 
    নতুন লেখা না পেয়ে পুরোনো লেখাগুলো পড়েছেন তবুও আলোকরেখাকে ছেড়ে যাননি।সেই জন্য আলোকরেখা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি খুব শীগ্রহী আলোকরেখায় আবার নতুন নতুন লেখা নিয়ে ফিরে আসছে।আপনাদের প্রিয় লেখকদের লেখা প্রকাশিত হবে। পর্ব লেখাগুলোও  আবার শুরু হতে যাচ্ছে। আলোকরেখার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    অনন্তের অস্তিত্ব ! ------------- সুনিকেত চৌধুরী।


    অনন্তের অস্তিত্ব !

    - সুনিকেত চৌধুরী। 



    অনন্তের অস্তিত্ব অতিক্রমে সহযোগী হতে চেয়ে

    অন্তরীণ হবো তোমাতে

    এই আকাঙ্খায় প্রতীক্ষা ছিল এতটাকাল।

    গতকাল আচমকা প্রচারিত ফেসবুক স্ট্যাটাস

    সম্বিৎ ফিরিয়ে দিল যেন।

    কা কা করে চীৎকার করলো কাক

    প্রার্থনা কক্ষ সংলগ্ন বোটানিক্যাল গার্ডেনের আপেল গাছের ডালে।

    খান খান হলো বিশ্বাস

    বাজলো বেহালায় বেহাগ।

    মুঠো ফোনে জড়ো হলো পুঞ্জিভূত ক্ষোভ

    পেলব মেঘেরা পালালো তল্লাট ছেড়ে।  

    এই ক্ষণে আমি সানজিদা আপনাদের সবাইকে করজোড়ে কৃতজ্ঞতা জানাই !



    বারো বছরে হয় একযুগ ! হয়তো বারো জনে হয় বারোয়ারী।  বারো লক্ষ পাঠকে হয় একটি বেদী যে বেদীতে বন্দনা হয় সুন্দরের। "আলোকরেখা" বারো লক্ষ পাঠক ধন্যতার এই পুত-পবিত্র ক্ষণে একসাথে সবার হৃদয়ে ধ্বনিত হোক "সত্যম শিবম সুন্দরম !" তোমার ভগবান, আমার আল্লাহ, তোমার শিব, আমার যীশু, তোমার বুদ্ধ, আমার মা কালী, তোমার অন্তরের অন্তঃস্থল, Higher Conscience, অথবা হৃদয় মাঝারে শুধুই তুমি - সব বিশ্বাস আর অনুভূতির গভীরে অনুরণিত যে গান আর যে স্নিগ্ধতা, তার জয় হোক ! জয় হোক মানবতার ! "অলোকরেখা" এসে  সকল হৃদয় উদ্ভাসিত হোক একটি মাত্র রংয়ে - পবিত্রতার রংয়ে !



    এই ক্ষণে আমি সানজিদা আপনাদের সবাইকে করজোড়ে কৃতজ্ঞতা জানাই ! জানাতে চাইনা কতটুকু ভেজা আমার চোখ !


    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    নৈঃশব্দ নীরবতায়--------------- মেহরাব রহমান





    নৈঃশব্দ নীরবতায়

    মেহরাব রহমান



    এক বৈরাগী বাউল পাখি

    নিয়তির নিয়ন আলোয় আমার বসতবাড়ি

    আমি লালনের ভাঙা ঘর ,ভরা-প্রাণ শূন্যতা; সমুদ্রস্নাত পবিত্রতায় ....

    যে কোনও বসন্ত প্রভাতে

    চৈতি হাওয়ায় উড়ি সুতাকাটা ঘুড়ি

    অন্য আলোকবর্ষে...

    রাত্রিদিন ভাবি কে আমি

    কে এই অবিনশ্বর ?

    কে এই ভগবান বসে থাকেন মাথার উপর ? 

    তুই ~~তুই কি আমার দুঃখ হবি?--------- আনিসুল হক



    তুই ~~তুই কি আমার দুঃখ হবি?
    ----- আনিসুল হক

    কি আমার দুঃখ হবি?
    এই আমি এক উড়নচণ্ডী আউলা বাউল
    রুখো চুলে পথের ধুলো
    চোখের নীচে কালো ছায়া।
    সেইখানে তুই রাত বিরেতে স্পর্শ দিবি।
    তুই কি আমার দুঃখ হবি?

    শুভ ৮ই মার্চ ! - সুনিকেত চৌধুরী।

     
    শুভ ৮ই মার্চ !

    - সুনিকেত চৌধুরী। 



    আচম্বিতে তোমাকে যদি বলে ফেলি আমি

    "শুভ ৮ই মার্চ!"

    দুঃখ পেয়োনা তুমি,

    ভালোবাসি তোমাকে অন্য তিনশত চৌষট্টি দিনেও !

    আজকের এই শুভ কামনা শুধুই আনুষ্ঠানিকতা

    জন্মদিনের "ফেসবুক হ্যাপী বার্থডে" যেমন!

     http://www.alokrekha.com

    নারীত্ব আমার অহংকার ! সানজিদা রুমি-----




    নারীত্ব আমার অহংকার !

      সানজিদা রুমি-----
    আমি নারী! নারীত্ব আমার আমার অহংকার!
     আমি বিশ্ব বিধাত্রীআমি জন্মের আধার।
    আমি নই কোন দিবসের -নই বাঁধা বন্দি কালের যাত্রায়-
    আদি থেকে অন্ত নিত্যকালের চিরন্তন আমি অক্ষয়তায়।
    অদম্য অক্লান্ত সম্পূর্ণ নারী! নই পাত্র কৃপা-অনুকম্পার-
    তাকে বেঁধে রাখে সাধ্যি নেই কোন পুরুষ বিধাতার।
    আমি অর্ধাঙ্গিনী আমি অভিমানী প্রেমিকা,
    আমি ভানুসিংহের বিরহী বিধুর রাধিকা।
    আমি মধুসূদনের মেঘনাদবধ অমর কাব্য !
     মুকুন্দরামের দেবী চণ্ডীর মহিমা
    কোমল পদ্মস্নেহার্দ্রতা মমতার কেতন-
     আমি মঙ্গল ঘটের লক্ষী প্রতিমা।