alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    উনিশ লক্ষ পাঠকের আলোকরেখা !



    উনিশ লক্ষ পাঠকের আলোকরেখা !


    একটা জিজ্ঞাসা, একটা চাওয়া তাড়িত করে আমাদের প্রত্যেককে ! কোথা থেকে এলাম, কোথায় চলেছি এইক্ষণে, কোথায় শেষ এই পথের? চির পুরান এই প্রশ্ন, এই অন্বেষণ আমাদের উজ্জীবিত করে, আমাদের ম্লান করে, আমাদের আকাশ মেঘলা করে প্রিয়জনের অন্তর্ধানে ! আবার ওই বিষাদাক্রান্ত মনই ওই প্রমিত মুহূর্তে সচকিত হয়, ধ্যানমগ্ন হয় - আর জেনে যায় : আমরা এখানেই আছি, থাকবোও চিরটাকাল এই এখানেই! এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে যাত্রা নয়, বরং আদ্যিকাল থেকে আমরা বিরাজিত শুধুই বর্তমানে ! আর  অন্য কিছুতো নেই! নেই উনিশ লক্ষ কিংবা অন্য কোন সংখ্যা !

    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    কোথায় যাবো বল ! - সুনিকেত চৌধুরী

    কোথায় যাবো বল ! - সুনিকেত চৌধুরী

     কোথায় যাবো বল
    এই নদীটার শুকিয়ে যাওয়া ক্ষীণ তটি ছেড়ে ?
    কোথায় যাবো বল
    তোমাদের ছেড়ে, এই আঙিনা ছেড়ে
    এই বকুল তলা, এই তুলসী তলা ছেড়ে ?
    শাপলা আর শালুকের ম্রিয়মান রং বিছানো
    এই কান্নাভরা পুকুরের পাড় ছেড়ে
    পড়ন্ত বেলার ঘরে ফেরা মানুষের
    এই অনন্ত মিছিল ছেড়ে
    কোথায় যাবো আমি!

    আমাদের ছোটবেলার পড়া ছড়া কবিতাগুলো কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে। পাঠ্য পুস্তকেও এখন এগুলো আর পাওয়া যায় না। তাই আলোকরেখায় এই সব বিস্মৃতির ছায়াতলে লুকোনো প্রচলিত ছড়া ,কবিতা প্রকাশের সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আমাদের ছোটবেলার পড়া ছড়া কবিতাগুলো কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে। পাঠ্য পুস্তকেও এখন এগুলো আর পাওয়া যায় না। তাই আলোকরেখায় এই সব বিস্মৃতির ছায়াতলে লুকোনো প্রচলিত ছড়া ,কবিতা প্রকাশের সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সেই মেয়েটি ------------------- মেহরাব রহমান

     সেই মেয়েটি
    মেহরাব রহমান
                  
                    মেঘ অফুরান
    চোখেতে তুফান
    জল চলমান
    কল্ কল্ ধায়
    কেঁপে কেঁপে যায়।
    অধরা প্রিয়া বাজে রিন্ রিন্
    সুরেলা রঙিন।
    সেই মেয়েটির
    দুচোখ গভীর।
    মাটির গহনা
    সুখের মোহনা।

    তুমি, আমি আর অবিনশ্বর------------- মুনা চৌধুরী

     তুমি, আমি আর অবিনশ্বর
    মুনা চৌধুরী

    যখন পৃথিবী ঘুমোয়, আমি জেগে থাকি তোমার সাথে কথা বলে যাই: লক্ষি সোনা আমার, তুমি কি শুনতে পাচ্ছ- আমার কথা? ভালোবাসো আমায় এখনো সেই আগের মতো? তোমার গন্ধ খুঁজে বেড়াই সবখানে; নদীর বাঁক দেখে বলতে পারি কোথায় তোমার জনপদ

    লক্ষী ছেলে, কি করছো এতো রাতে তুমি? ভাবি আমি, এই নশ্বর পৃথিবীতে যেদিন আমি আর থাকবো না, যখন তুমি শুইয়ে দেবে আমায় কাঁচামাটির ঘরে, সেদিনওকি আমাদের ভালোবাসা থাকবে অবিনশ্বর হয়ে? এক পবিত্র ভোরে, শিশির দেখে মনে হয়েছিল ঈশ্বরের চোখের জল গড়িয়ে পড়ছে শিশির বিন্দু হয়ে সেই চোখের জলে আমি মুখ ধুয়েছিলাম যখন, তখনই জন্ম নিয়েছিল আমাদের প্রেম, অবিনশ্বর হয়ে ওটা ছিল ঈশ্বরের আশীর্বাদ, অভিশাপ নয় মনে আছে একদিন আমায় বলেছিলে তুমি: God works in mysterious ways. আজ আমি বাকিটা, বলি তুমি শোনো: ‘He wanders to perform. He plants his footsteps in the sea and rides upon the storm’.

    অন্য এক রূপ অবলোকন করলাম

    আমি সুনিকেত চৌধুরীর ছোট ছোট প্রেমের কবিতা পোস্ট করে অভ্যস্ত কিন্তু আজ "অরুদ্ধ" কবিতায় সুনিকেত চৌধুরী' অন্য এক রূপ অবলোকন করলাম ! নাকি আমার ভুল ? এটাও প্রেমের কবির প্রেমের কবিতাই !পাঠকরাই চূড়ান্ত রায় দেবেন সুনিকেত চৌধুরীর এই চলন্তিকা রায় রুদ্র ভৈরবীর উত্তপ্ত নামাবলী গায়ে চাপিয়ে যখন ঘোষণা দেন দীঘার সৈকতে ভ্রমণে যাবার তখন ব্রতচারী ব্রজমোহন কালক্ষেপন না করে সহায়-সম্পত্তি বিকিয়ে কালীধাম থেকে যাত্রার টিকেট কেটে আনেন কেন? কেন কামনা-বাসনা ত্যাগ করে সবাই মেতে ওঠে বৈশাখী পর্বণের উৎসবে? বৃন্দাবন থেকে ভ্রমণসঙ্গী তে সদাশয় সুহৃদেরা আসে কেন ? বৃন্দাবন তো প্রেমের তীর্থ স্থান প্রেমের হিন্দোলে আন্দোলিত গোটা কবিতাটা ! যেন জীবনের পসরায় অন্তরের কথা বলে! বলে প্রজননে প্রমত্ত প্রমিত পরাগের কথা ! সুনিপুন বিনুনিতে গাঁথা সুললিত শব্দগুলো ভালোবাসার বৈঠকী আমেজের অনুরণন আর আবহ সৃষ্টি করে তবে এর পরেও এটা ভীষনভাবে প্রচ্ছন্ন যে কবি সুনিকেত চৌধুরী এই কবিতাকে অন্য এক মাত্রায় নিয়ে গেছেন কবিকে শুভেচ্ছা !


    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    অরুদ্ধ। - সুনিকেত চৌধুরী

     অরুদ্ধ।
    - সুনিকেত চৌধুরী রুদ্র ভৈরবীর উত্তপ্ত নামাবলী গায়ে চাপিয়ে চলন্তিকা রায় ঘোষণা দিলেন দীঘার সৈকতে ভ্রমণে যাবার। ব্রতচারী ব্রজমোহন অগত্যা কালক্ষেপন না করে সহায়-সম্পত্তি বিকিয়ে যাত্রার টিকেট কেটে আনলেন কালীধাম থেকে। কামনা-বাসনা যত তারচেয়ে শতগুন বেশী পরম্পরায় সহস্র যোজন দূরবর্তী ঠিকানার হদিস পাওয়ার আনন্দের মতো মৃদুমন্দ বাতাসে হিন্দোলিত বৃক্ষরাজি মেতে উঠলো বৈশাখী পর্বণের উৎসবে।

    নিস্তব্ধতা -------- মুনা চৌধুরী

    নিস্তব্ধতা
    মুনা চৌধুরী


    আজ তুমি আমার ভেতরে এসো
    : নাও
    সেই গোধূলি যা তোমার নয়
    : হও
    আমায় ঘিরে যা হতে চাও
    : আঁকো
    রং তুলি দিয়ে
    লাল কৃষ্ণচূড়া, নীলাভ কষ্ট
    বেগুনী প্রেম, শুভ্র মৃত্যু
    ঘরবাড়ি, মানুষ আর ঝলমলে বাজপাখি
    : সুরের ব্যাঞ্জনা তোলো
    বীণায় বাগেশ্রী, ভৈরবী, দরবারী
    বেদনার মূর্ছনায় রাঙিয়ে দাও
    মুগ্দ্ধ করো সুরের ঝংকারে    
    : লিখে যাও প্রেমের পংক্তিমালা
    নাও যেভাবে চাও
    ঝোড়ো হাওয়ায়, বুনো বাতাসের উন্মত্ততায়
    উড়িয়ে দাও
    উড়িয়ে দাও