alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    প্রিয় পাঠক

    প্রিয় পাঠক,
    এক বন্ধু সেদিন কথায় কথায় বলছিলেন আমাদের সৃষ্টিকর্তার যদি কোন ভাষা থাকে তবে  সেটা ইংরেজী-উর্দু-আরবী-বাংলা-সংস্কৃত ভাষা নয় সেটা হলো "নীরবতা"।  কথাটা মেনে নিতে ইচ্ছে হোলো।  ইচ্ছে হলো এই কারণে যে সারাটা পৃথিবী জুড়ে আজ যে অখন্ড নীরবতায় আমরা আমাদের নিজের দিকে তাকানোর সুযোগ পেয়েছি।  আমাদের অন্তরীণ জীবনে আমরা ক্রমান্বয়ে একটা উপলব্ধিতে আসছি, একটা উপসংহারে আসছি যে আমরা কত অল্পে আমাদের প্রাত্যহিক জীবন চালাতে পারি, আমরা নীরবতায় নিমগ্ন থেকে যোগাযোগ ঘটাতে পারি আমাদের ভেতরের আদি এবং অকৃত্রিম এর সাথে।  আর ওখানে পৌঁছে আমরা যখন পরস্পরের মুখোমুখি তখন আমাদের চারপাশ ঘিরে একরাশ সবাক নীরবতা।  

    যদি বলি, অনিবার্য্য একটা কারণে আলোকরেখাও গত কয়েক সপ্তাহ নীরব ছিল, পাঠক হয়তো বলবেন, তা আর বলতে !  তাই কোন কারণ দেখতে চাইনা এই বিশ্বাসে যে নীরবতায় নীরবতায় যে সুস্পষ্ট যোগাযোগ হয়েছে পাঠকে পাঠকে আলোকরেখায় তাদের অন্তরীণকালের বিচরণে,  যে সমস্ত লেখা তাঁরা খুঁটিয়ে দেখেছেন , নতুন করে পড়েছেন, তাতে আলোকরেখার নীরবতা আর তাঁদের নীরবতা মিলে সৃষ্টি হয়েছে এক অখন্ড উপলব্ধি ! আমরা জয়ী হবো ! ভালো থাকবে আমাদের সন্তানেরা!

    আমি আশা করছি এখন থেকে নিয়মিত নতুন কিছু পোস্ট করতে পারবো পাঠকদের জন্যে।   

    বিনীত,
    সানজিদা রুমি।  

    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    ও মেয়ে-----------শতাব্দী রায়



    ও মেয়ে
    শতাব্দী রায়

    ও মেয়ে
    তোর বয়স কত?
    কি জানি গো!
    মা থাকলে বলে দিত।
    সেই যে বারে দাঙ্গা হলো,
    শ'য়ে শ'য়ে লোক মরলো।
    হিন্দুদের ঘর জ্বললো,
    মুসলমানের রক্ত ঝরলো।

    চুম্বক চুম্বন ----------- মেহরাব রহমান




     চুম্বক চুম্বন
    মেহরাব রহমান   

    প্রেম এক
    দুঃখ দোকানীর
    হারিয়ে যাওয়া হালখাতা
                শেষহীন নমস্য
                                   নীরব   
                                           নীরবতা
    জগৎ এক বিকিকিনির হাট
                                    চেয়ে দ্যাখো  দিগন্ত
                                         কতটা রক্ত লাল
                                      টুকটাক কাটাকুটি
                              আঁকিবুকি লেখাজোকা

    জিতে যাবে --------- নুসরাত সুলতানা


    জিতে যাবে
    নুসরাত সুলতানা চুমুগুলো সব জমা রাখো সময়ে বুঝে নেব গুনে গুনে কেটে যাক গ্রহনকাল, আবারও অলি এসে বসবে কলির পরে। আমাদের সখ্যে বোনা চাদরে বসে আমরা দেখবো, কি করে দুপুর কে গিলে খেয়ে মহাকালের পেট থেকে বেরিয়ে আসে বিকেল।

    আমি আশা করছি এখন থেকে নিয়মিত নতুন কিছু পোস্ট করতে পারবো পাঠকদের জন্যে।


    এক বন্ধু সেদিন কথায় কথায় বলছিলেন আমাদের সৃষ্টিকর্তার যদি কোন ভাষা থাকে তবে  সেটা ইংরেজী-উর্দু-আরবী-বাংলা-সংস্কৃত ভাষা নয় সেটা হলো "নীরবতা"  কথাটা মেনে নিতে ইচ্ছে হোলো।  ইচ্ছে হলো এই কারণে যে সারাটা পৃথিবী জুড়ে আজ যে অখন্ড নীরবতায় আমরা আমাদের নিজের দিকে তাকানোর সুযোগ পেয়েছি।  আমাদের অন্তরীণ জীবনে আমরা ক্রমান্বয়ে একটা উপলব্ধিতে আসছি, একটা উপসংহারে আসছি যে আমরা কত অল্পে আমাদের প্রাত্যহিক জীবন চালাতে পারি, আমরা নীরবতায় নিমগ্ন থেকে যোগাযোগ ঘটাতে পারি আমাদের ভেতরের আদি এবং অকৃত্রিম এর সাথে।  আর ওখানে পৌঁছে আমরা যখন পরস্পরের মুখোমুখি তখন আমাদের চারপাশ ঘিরে একরাশ সবাক নীরবতা। 

    ইরফান খান ------ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে তিনি তার অতুলনীয় ও অকল্পনীয় সহজাত অভিনয় ক্ষমতার জন্য পরিচিত।

    ইরফান খান (৭ জানুয়ারি ১৯৬৭ - ২৯ এপ্রিল ২০২০) ছিলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা। ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে তিনি তার অতুলনীয় ও অকল্পনীয় সহজাত অভিনয় ক্ষমতার জন্য পরিচিত। ৩০ বছরের তাঁর দ্যুতিমান যাত্রায়, ইরফান খান প্রায় ৫০টির কাছাকাছি দেশী ও বহু বিদেশী চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয়ের মাধ্যমে বারবার দর্শকদের বিমুগ্ধ করেছেন। বলিউড, ব্রিটিশ ভারতীয়, হলিউড এবং একটি তেলুগু চলচ্চিত্রে তিনি কাজ করছেন।৩৫ বছরের কর্মজীবনে তিনি ৫০টির অধিক দেশীয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার-সহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন। চলচ্চিত্র সমালোচক, সমসাময়িক অভিনয়শিল্পী ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা তাকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও অনন্য একজন অভিনয়শিল্পী বলে গণ্য করে থাকেন। ২০১১ সালে ভারত সরকার তাকে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রীতে ভূষিত করে।

    ২৫ লক্ষ ভালোলাগা স্পন্দন !

    ২৫ লক্ষ ভালোলাগা স্পন্দন !

    দম বন্ধ হয়ে আসা এই প্রকোষ্ঠের সব 'টা জানালা আজ খুলে দেয়া যাক ! আর উঁকি দিয়ে রাতের আকাশের যত তারা তার সবগুলো গোনা যাক - এরসাথে যোগ হোক আমাদের উপলব্ধি যে এরপর থেকে আমরা এমনি করে গুনবো আমাদের জীবনের আশীর্বাদগুলো ! আমাদের মাথায় বর্ষে দেয়া আমাদের মায়েদের আঁচল ভরা যত আশীর্বাদ , বিশুদ্ধ বাতাসের আশীর্বাদ, অবারিত বিশুদ্ধ পানির আশীর্বাদ,  আদিগন্ত আকাশভরা নীলের আশীর্বাদ।  


    সবশেষে দিগন্তের ওই আলোকরেখার ধার ঘেঁষে পঁচিশ লক্ষ ভালোলাগা স্পন্দনের উপহার নিয়ে দাঁড়াবো হাতে হাত ধরে ! ঘোষণা দেবো : সত্যম শিবম সুন্দরম! আমরা সৃষ্টির সৃষ্টির অংশ ! আমরা স্পন্দনে স্পন্দনে মিলেমিশে একাকার


    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    আত্মশুদ্ধি ------------- মুনা চৌধুরী

    আত্মশুদ্ধি

    মুনা চৌধুরী

    কে বলে আমারেকেকে বলে?
    শুদ্ধ তুই শুদ্ধ আরো শুদ্ধ 
    পাথর সরিয়ে ঝর্ণার প্রথম জলেপুত পূণ্য হ।

    গ্লানিগুলো ধুয়ে ফেলবেদনার শুশ্রুষা কর
    অচল পেতে সাদা ফুল নে
    গন্ধরাজবেলীলিলি আর ক্যামেলিয়া
    মঙ্গলালোকে বিশুদ্ধ হ।

    যে শিশুদের মা নেই তাদের মা 
    যে মানুষেরা পথহারা তাদের বন্ধু 
    যে বৃদ্ধরা মমতার জন্য দাঁড়িয়ে ঠায় তাদের জড়িয়ে রাখ গভীর মায়ায়।

    এই বোশেখে ----- - সুনিকেত চৌধুরী।

     এই বোশেখে
    - সুনিকেত চৌধুরী। এই বোশেখে পণ করেছি ভালোবেসে নিঃস্ব হয়ে যাবো ! এই বোশেখে পণ করেছি তোমার সাথে হেঁটে হেঁটে অনেক দূরে যাবো। এই বোশেখে পণ করেছি ওই আকাশের নিলাদ্রীকে আপন করে নেবো।

    রোকসানা লেইসের ছয়টি অনু কবিতা

     রোকসানা লেইস
    এক ষষ্ঠ ইন্দ্রেয় বড় বেশী কথা বলে আজকাল আমি স্বযতনে দূরে সরিয়ে রাখি আতংক অনিন্দ্য স্বপ্নের পথে হাঁটি. হৃদয়ের ওষ্ঠে অধর ছোঁয়ায়। মনের চত্বরে মেলে মায়াময় পাখা, থাক না যতই বাঁধা ও বিপত্তি যুদ্ধ বিগ্রহ। নিহারিকা আলো পেরিয়ে যাবো ঠিক ভালোবাসার হাত ধরে অবশেষে। ফাগুয়ার দোল রঙ ছড়িয়ে যাবো হৃদয়ের আলপনায়, রঙিন বন্ধন আনন্দ ।

    HEART এর ব্যবচ্ছেদ ! - আশরাফ আলী।



    HEART এর ব্যবচ্ছেদ !
    - আশরাফ আলী। 

    ইংরেজী HEART শব্দটির তো অনেকগুলো অর্থ !

    সর্ব প্রথমে বাংলা পরিপূরক সে শব্দটি আমাদের মনে আসে সেটা হলো "হৃদয়"  এই হৃদয় নিয়েই তাহলে কথা বলি সবার প্রথমে।  আমরা বাংলায় যখনহৃদয়” শব্দটি ব্যবহার করি এবং এই হৃদয়কে ঘিরে যে সমস্ত অভিব্যক্তি প্রকাশ করি তাতে এটা অত্যন্ত পরিষ্কার যে এই হৃদয় নামক বস্তুটির কোনো আকার এবং অবয়ব নেই ! অর্থাৎ এর কোনো বস্তুগত অবস্থিতি নেই।  আমরা এটা একটা প্রতীকী হিসেবে ব্যবহার করি।  "হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে......"  এই বলে আমরা আমাদের মানসিক আনন্দময়তার, উৎফুল্লতার অবস্থা বর্ণনা করি ! এখানে "হৃদয়" নিরাকার একটা কিছু।

    আগামীকাল ! ----- সুনিকেত চৌধুরী

    আগামীকাল !
    - সুনিকেত চৌধুরী


    স্বপ্ন আর সম্ভাবনার
    সমস্ত দুয়ার
    বন্ধ হয়ে যায় যদি কাল সকাল নাগাদ
    বিরান হয়ে যায় যদি সকল প্রাসাদ
    সকল অট্টালিকা আর সকল দপ্তর
    সেইসাথে জনশূন্য এই নাট্যশালা, এই নগর।
    নগরপতি, সেনাপতি আর করণিক
    নগরের নামকরা সকল বণিক
    উদ্যান রক্ষী, দেহরক্ষী নগরপিতার
    সুযোগ রহিত আলাপচারিতার। 
    দূরে দূরে থেকে কাছে থাকার চেষ্টা
    আকাশ পানে চেয়ে থাকা চাতকের তেষ্টা
    না যদি মেটে কোনোমতেই অতঃপর আগামীকাল
    মানবতা কি মরে যাবে, দেখবোনা আর কোনো
    নতুন সকাল?

     http://www.alokrekha.com