alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    প্রিয় শুভ্র-------জেমি/ টরন্টো/ কানাডা/ ১২ ই জুলাই ২০১৯



     প্রিয় শুভ্র

    আজ এই ভরা গ্রীষ্মে তোমার লেখা কিছু একটা পাব আশা করছিলাম কিন্তু আমার পাওয়া হল না। এই গ্রীষ্মে কোন কোকিলের ডাক আমি শুনবো না জানি তবে নাম না জানা অনেক পাখি ডাকবে যখন আমি অবাক হয়ে তাদের মাঝে কোকিলের ডাক খুঁজে ফিরব।
    বনফুলের বুনো গন্ধ যখন আমাদের নাকে লাগবে সেখানে খুঁজে ফিরব রজনীগন্ধা বেলি কিংবা বকুলের আনাগোনা আর নীল জলে বুনোহাঁসেরা খেলা করবে। আর আমি সেখানেই হারাবো দৃশ্যটা। লবসন্ত দিনে লিখতে বসেছি তোমাকে আমার হৃদয়ের সব কিছু দিয়ে। এই সময়ে দিনগুলি বড় উজ্জ্বল আর চারদিকে চলে নানা রঙের বাহার। আমি মুগ্ধ চোখে খুঁজে ফিরি মুগ্ধতা। শরতের নীল আকাশের মত নীল শাড়িটা পরা বা বড় লাল টিপটা নাইবা পরলাম। না হয় রইলো কিছু বাকী, না হয় অপূর্ণই রয়ে গেল পূর্ণতা পাওয়ার আশায় কিছু আশা।

    জানো তো তোমার নীল কিশোরী থেকে যৌবনে, যৌবন থেকে বার্ধক্যের দিকে যাচ্ছে। তাই কিছু না পাওয়ায় কষ্ট হয় না। শুধু অপেক্ষায় থাকে ছুঁয়ে দেবার। ভয় হয় জানোতো হারানোর ভয়, স্বপ্ন দেখার ভয়, হাতে হাত রেখে বহুদূর হেঁটে যাওয়ার ভয়, হেঁটে না যাওয়ার ভয় আর ভয় হয় অযুত-নিযুত অপেক্ষার।

    আমার গ্রীষ্মের দাবদাহে চারিদিকে অসংখ্য ফুলের সমারোহ নানা রঙের বাহার যেমন সবুজ, হলুদ, লাল, বেগুনি, নীল। সব রঙগুলো কেমন যেন একটু বেশি রকম রঙিন।

    গাঢ নীল একটু বেশি নীল, সবুজ একটু বেশি সবুজ। শুভ্র কত কিছু যে আমার তোমাকে লিখতে ইচ্ছে করে৷ আর গাইতে ইচ্ছে করে।
    'মোরা আর জনমে হংস মিথুন ছিলাম'
    আসলে কি আমরা তাই ছিলাম। কত দিন তোমার কথা ভেবে ভেবে কেঁদেছি নীরবে শব্দহীন তুমি জানতে পারোনি। আসলে আমি জানতে দিই নি নাকি তুমি অনুভব করোনি আমাকে।

    আজ এই গোধূলি সন্ধ্যায় লেকের পারে বসে গাইতে মন চাইল নাকি শুনতে মন চাইলো জানিনা

    "আমার সকল নিয়ে বসে আছি সর্বনাশের আশায় যে জন দেয় না দেখা যায় যে লিখি ভালোবাসি আড়াল থেকে"

    কি লিখবো বল রবিবাবু সেসব বলে গেছেন লিখে গেছেন। কবে কখন কিভাবে যে আমার মৃত্যু হয়েছিল ভালবাসায় আমি জানিনা। তুমি কি জানতে! আর আমি খুব যত্ন করে আমার পরম ভালোবাসাকে রেখে দিয়েছি আমার শাড়ির ভাঁজে ভাঁজে। আমি জানি তুমি রেখেছো মনের ভাঁজে ভাঁজে।

    শুভ্র জানো তো এই সময়টার জন্য আমি আমরা অপেক্ষা করে থাকি নিরবে। তবে সেখানে যদি তোমার উপস্থিতি থাকতো সে রঙ আরও অপরূপ হতো। প্রকৃতির সাথে আমি আর তুমি একাকার হয়ে যেতাম। আমার খুব ইচ্ছা নীল আকাশ, সবুজ বনানী, সাগর, পাহাড় সব ছাড়িয়ে হারিয়ে যাব থাকবো নীরবে সেও কি কম প্রাপ্তি নয় বল।

    শুভ্র তুমি কি জানো আমার কি ফুল পছন্দ! কৃষ্ণচূড়া লাল টা যেমন আমার পছন্দ তেমনি ভোরের শিউলি, কামিনী, সন্ধ্যার হাসনাহেনা আবার জেসমিন, বেলি, রজনীগন্ধা কত কত বলব। আসলে সব ফুলই আমার পছন্দ। তোমার কি ফুল পছন্দ আজও জানা হলো না। যদি বল কি চাই তোমার কাছে আমি বলব শরতের শিউলি মালা, বেলি ফুলের মালা দিয়ে মুড়ে দিও হাত কিংবা আমার খোঁপা। আমি চাই তোমার সাথে আমার দেখা হোক বৃষ্টি দিনে। আমি হয়তো মেঘ বালিকা নই। তবে তোমার নীল হয়ে বৃষ্টি হবো। আমরা কোনদিন ভালোবাসায় ঋণী হবো না। আমরা তার কথা বলব অলক্ষ্যে থেকে যিনি আমাদের মিলিয়ে দিয়ে খেলছেন আর ভাবছেন।

    জানো তো এই যে এত কথা লিখছি খেই হারিয়ে যাচ্ছে আমার লিখতে পাচ্ছিনা সামার বা গ্রীষ্মের কথা সেখান থেকে কোথায় চলে এলাম বল।আমার সবুজ পাতারা আস্তে আস্তে রঙ বদলাবে সবুজ থেকে হলুদ, কমলা, লাল তারপর ঝরে পড়বে পাতাশূন্য হয়ে সব গাছ গুলো। মনেই হবে না যে এই গাছগুলোয় পাতা ছিল সেই সাথে আমি শূন্যতা অনুভব করতে থাকবো তোমার অপেক্ষার। ভালো থেকো।

    ভালো থেকো আমার শুভ্র!!
    তোমার নীল
    ______________________________
    জেমি/ টরন্টো/ কানাডা/ ১২ ই জুলাই ২০১৯


     http://www.alokrekha.com

    জলপাই সবুজ উড়াল দেয়া পাখী ! ঋতু মীর






    জলপাই সবুজ উড়াল দেয়া পাখী !
    ঋতু মীর
    তুই যে কেন ওই দুজনের মাঝখানে ওভাবে বসে থাকিস! দেখিস! ত্রিভুজ প্রেমের জন্ম দিস নাউচ্ছল হাসিতে গুড়োগুড়ো হয়ে কৌতুকে উজ্জ্বল চোখ রাখি বন্ধুর চোখেআরে ! ওদের মেয়ের নাকটা আমার মত হবে কিনা সেই বিষয়ে কথা বলতেই না মাঝখানে বসা! বিষয়টা জটিল কিনা বল! স্থান কাল বিবেচনা না করেই বন্ধুর বাহু খামচে ধরি ততক্ষণেতুইও চল না সাথেআমার রোদে পোড়া ঘাম চিকচিকে মুখ, উরুখুরু অবিন্যস্ত চুল আর দৌড় ঝাঁপের দেহ ভঙ্গিমার দিকে তাকিয়ে বন্ধুর চোখে অভিমান আহত হালছাড়া হতাশা যেন! সেই সাথে  ভালবাসার এক মায়াবী আলো চকিতে খেলে যায় ওই মুখে দাঁড়ানোর শিথিল ভঙ্গীতে অজানা কষ্টের বিষাদ, উদাস চোখ  অন্যরকম ভাষায় নীরব স্বভাবজাত বন্য অস্থিরতায় তাঁর অনুভুতির সেই গভীরতাটুকু উপলব্ধির সময় হয়না আমার ততক্ষনে প্রায় ছুটে চলে গেছি কোন বন্ধুসভার উত্তাল আড্ডায় অথবা ধুম করে বসে গেছি অনাগত সংসারের স্বপ্নে মগ্ন অন্য কোন যুগলের মাঝখানে

    তুমি ---------- আশরাফ আলী



    তুমি

    - আশরাফ আলী



    সাত সাতটা সমুদ্র আর তেরোটা নদীর দূরত্বেও

    অত্যাশ্চর্য্য এক আলো জ্বলে উঠে

    প্রতীয়মান করে দেয় আমার মানসে

    সাদা চিকেন টপে আবৃত তোমাকে !

    মনে হয় হাত বাড়ালেই  ছোঁয়া যাবে তোমাকে

    কান পাতলেই শোনা যাবে হৃদস্পন্দন তোমার !

    বুক ভোরে নেয়া যাবে

    তোমাকে ছুঁয়ে থাকা অক্সিজেন কণা। 

    তাকিয়ে থাকা যাবে অপলক

    বেদীতে সমাসীন তোমাকে

    বিচ্ছুরিত আলোকচ্ছটায় !
     http://www.alokrekha.com

    বারে বারে কে যেন ডাকে আমারে? ------কামাল আহমেদ



    বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতি-রাজনীতির যে সর্বোচ্চ নক্ষত্রগুলোকে আমরা দূর থেকে দেখি তাঁদের অনেকের ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যে হাইপার অ্যাক্টিভ কৈশোর যৌবন কাটিয়ে আমাদের প্রিয় ৮৯ বছরের কামাল ভাই আজ টরোন্টোর বৃদ্ধাশ্রমে। তাঁর ৬৩ বছরের ভ্যালেন্টাইন গত ১৫ই ডিসেম্বর দুনিয়া ছেড়ে গেছেন। সাথীহারা এখন তাঁর প্রতিটি মুহূর্ত কি হাহাকারে কাটে তা কি আমরা কল্পনা করতে পারব? স্ত্রীর স্মরণে এটা তিনি লিখে ফোনে যেভাবে বলে গেছেন আমি সেভাবে টাইপ করেছি।
    হাসান মাহমুদ
    **********************************************

    শব্দ ছোঁয়া গোধূলি বেলা জাফর ইকবাল সিদ্দিকী




    শব্দ ছোঁয়া গোধূলি বেলা
    জাফর ইকবাল সিদ্দিকী


    শব্দস্রোত থামিয়ে দিয়ে যে পারস্পরিক সম্পর্কের সূচনা
    হয়েছিল কৈশোরের কোনো এক অচিহ্নিত রাতে, তার
    প্রান্তরেখা এখনো দীপ্তমান আমার সমস্ত ভাবনায় আমি
    দাঁড়িয়ে ছিলাম আর এখনো দাঁড়িয়েই আছি তোমার
    শিওরে, দীর্ঘ চুলের মোহে এরই মধ্যে কড়া নাড়ছে
    ফেরার সূচনা আমার রূপান্তর হয়নি কিংবা পরিবর্তনও
    সময় পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, আর আমিও পথের পথিক
    হয়ে সময়ের সাথে সাথে বেড়ে উঠছি তোমার ছায়ায়,
    তোমার হৃদ্যতায়, তোমার ভালোবাসায়, তোমার ক্যানভাস
    জুড়ে রং ও রেখায়

    বৃষ্টিস্নাত অনন্যা। ------------ সুনিকেত চৌধুরী

    বৃষ্টিস্নাত অনন্যা।  
    - সুনিকেত চৌধুরী 

    অনন্যা, স্বপ্নে দেখেছি আমি গত রাতে
    আমি বৃষ্টির সাথে পাল্লা দিয়ে
    ভিজিয়ে দিয়েছি তোমাকে !
    তোমার পরতে পরতে মিশে
    আমি হয়ে গেছি তুমি 
    তোমার সোঁদা গন্ধ শুঁষে নিয়ে
    মদিরতায় মাতাল আমি 
    মধ্যাকর্ষণে প্রবাহিত আমি
    উঁচু-নীচু পাহাড় বেয়ে 
    অবশেষে আশ্রিত উপত্যকায় !
    বৃষ্টিস্নাত তুমি প্রগলভা বসুন্ধরা যেমন 
    বৃষ্টিভেজা আবীর মেখে পূজোয় সমাসীন 
    পুত-পবিত্র মমতার আধার 
    প্লাবিত স্নেহের বন্যায় !

    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    সূর্যোদয় কিংবা সূর্যাস্তের অরুনাভ কিরণের চ্ছটা দিগন্তে যে মোহনীয় দৃশ্যের অবতারণা করে অনেক দূরে হলেও দিগন্তের ওই আলোকরেখা আমাদের হৃদয়কে একই রংয়ে রঞ্জিত করে



    সূর্যোদয় কিংবা সূর্যাস্তের অরুনাভ কিরণের চ্ছটা দিগন্তে যে মোহনীয় দৃশ্যের অবতারণা করে অনেক দূরে হলেও দিগন্তের ওই আলোকরেখা  আমাদের হৃদয়কে একই রংয়ে রঞ্জিত করে ! দিগন্তের ওইআলোকরেখা  তাকিয়ে আমরা অজান্তেই হয়ে যাই আনমনা, কিংবা সমাহিত এক উচ্চতর কোনো কিছুতে ! মনে হয় হৃদয়ের ভেতরে কোথাও শোধনাগারে সব মলিনতা আর অপূর্ণতা সরে গিয়ে জায়গা করে দিচ্ছে এক নির্মল আর প্রশান্ত সরোবরের। আর বিশ  লক্ষ বা দু' মিলিয়ন যে নামই দিই না কেন এই সরোবরের প্রশান্তি নির্মলতার সংগীত যেন বাজতেই থাকে - পৌঁছাতে থাকে আমাদের হৃদয়ের গভীর থেকে গভীরে , যেখানে ভগবান !

    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    কথোপকথন ---------------- মুনা চৌধুরী

     কথোপকথন
    মুনা চৌধুরী


    : একটু শোনো
    কথা আছে তোমার সঙ্গে  
    সত্যি বলো তো কেন বললে
    আমায় দেবার মতো কিছুই নেই তোমার ?

    : হাসছো যে ?
    সবই তো দিলে, বাকি রাখলে কি ?
    এই যে রবিঠাকুরের গান শোনালে গোটাদশেক
    সেদিন Morissey আবৃত্তি করলে,
    "The heart knows why I grieve
    And yes one day I will close my eyes forever
    But I will see you in far off places”

    : ভুলে গেলে প্রথম বিকেলে
    আমায় যেভাবে জড়িয়ে ধরেছিলে
    আর থরথর করে কাঁপছিলে ?

    : বুদ্ধু কোথাকার !
    সেকি মনে নেই দীঘির ধারে কাশবনে
    আমায় ইচ্ছে মতো খেলে নিলে সেদিন ?

    : কি বললে ?
    হৃদয় তোমার শূন্য মরুভূমি ?
    শুকনো, শূন্য, নিস্তব্ধ-
    empty and nothing to pour ?

    : অবাক করলে !
    আমি এসে জল ঢেলে কানায় কানায়
    ভরিয়ে দেব
    anytime, anywhere, any moment ....

    : লক্ষী সোনা আমার
    মন দিয়ে ফেলছো আমায় ?
    তবে বলি শোনো
    straight cut
    আমি তোমায় ভালোবাসি

    তুমি বললে 'হুম ম ম ম'            তারপর শুধুই নিস্তব্ধতা ...

    - মিষ্টি আতরের গন্ধ
    - ধবধবে সাদা কাপড়
    - চোখের নোনা জল
    - চিৎকার, কান্না, উন্মাদনা
    - কেঁচো, পিঁপড়ে, আর গুবরে পোকার দল
    ওরা সবাই আঁকড়ে ধরে রেখেছে অধরা কফিনটা    

     http://www.alokrekha.com

    প্রিয়, লেখার অভ্যাসটা ছেড়েছি বহুকা্সি--------------------------------- সানজিদা রুমি




    প্রিয়,
    লেখার অভ্যাসটা ছেড়েছি বহুকাল। ডায়েরিগুলোর স্থান এখন আলমারির এক কোনায়। কোনোটা ধুলোয় মাখা, আবার কোনোটা বা নগ্নাবস্থা। হঠাৎ  আজ স্মৃতিচারণ করতে ইচ্ছে হলো। বসলাম কাগজ, কলম নিয়ে। পাশে রাখলাম লাল মলাটের পুরনো সেই ডায়েরি। জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি সন্ধ্যা আসন্ন। আকাশটা লাল হয়ে আছে, যেন কেউ এসে আবির ঢেলে দিয়েছে। মনে এলোমেলো কত কি আসছে  কিন্তু কি লিখবো বুঝে উঠতে পারছি না। হঠাৎ ইলেক্ট্রিসিটি গেলো চলে। সমস্ত আকাশ গর্জে উঠলো একসাথে। ধ্বনিত হল এক ভয়ংকর শব্দ। বাতি নিয়ে ঘরে ফিরে দেখি পুরনো ডায়েরির পাতাগুলো সব এলোমেলো হয়ে গেছে আর তার ওপর খেলা করছে একগুচ্ছ জলরাশি। যেন অতীত কোনো প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছে পাতার ওপর। আর এতেই মনে হল এসব লেখা-টেখা আর আমার জন্য নয়, আর সেটা বোঝাতেই জলরাশিগণের আগমন এই অসময়ে। তাই আর দুঃসাহস দেখাতে গেলাম না। বন্ধ করলাম লেখা। চোখ পড়ে গেলো ডায়েরির হলুদ হওয়া একটা পাতার দিকে। যেন এক মুহূর্তে পিছিয়ে গেলাম অনেকটা। মনে পড়ে গেলো তোমার কথা। হ্যাঁ, একদম ঠিক ধরেছ তোমার কথাই বলছি আমি। তোমার সাথে আমার পরিচয় বহুকালের,যখন ভালো করে ভালোবাসার মানে বুঝতে শিখিনি ।ভালোবাসার  টালমাটালি পায়ে সদ্য হাঁটতে শেখার আনন্দে সমগ্র বিশ্বকে পেতে চাইতাম  হাতের মুঠোয়। যেন ছুটে চলতাম পৃথিবীর এক কিনারা থেকে অন্য কিনারায়। জিজ্ঞাসু চোখে সবসময় লেগে থাকতো প্রেমের  ভাষা। দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মন আমার ।

    সেই ভালো! - সুনিকেত চৌধুরী

     সেই ভালো!
    - সুনিকেত চৌধুরী

    মিতা আমার, একমত আমি তোমার সাথে। 
    বুকের ভেতরে আসমুদ্র হিমাচল বিস্তৃর্ণ
    Elsa পরশে জমে যাওয়া বরফের মত
    কষ্টকে লুকিয়ে রেখে
    আমিও দাঁড়াবো এসে
    এইখানে এই রেখার কাছে প্রতিদিন

    এক মুঠোয় বন্দী যখন ---------------- সানজিদা রুমি


    এক মুঠোয় বন্দী  যখন
    সানজিদা রুমি 

    নরম মসৃন  দুটি দেহ একসাথে এক মুঠোয় বন্দী  যখন
    অধরে অধর এলোমেলো নিঃশ্বাস বুকের স্পন্দন।
    অঝোর বর্ষণ প্লাবিত দুজন---
    দুটি দেহ  একসাথে এক মুঠোয় বন্দী যখন।
    দুজনে এতো কাছাকাছি কেবল তুমি আর আমি
    স্পর্শানুভূতি  সুরের আধার  -----

    উত্তর আধুনিক ----------- মেহরাব রহমান



    উত্তর আধুনিক
    মেহরাব রহমান

    তিনি আমার জন্মদিনে
    একটি চায়ের কাপ উপহার দিয়ে
    পালিয়ে গেলেন।
    অন্তর্জালে তাঁকে আর পাচ্ছি না।
    এই একটু আগেই অনলাইনে ছিলেন
    ককটেল হাইপার সাউন্ড ডট কম।
    এখন অফলাইন, পুরোমাত্রায় ঘুমিয়ে
    পড়েছে, হাইবারন্যাশন কিংবা
    ব্যাঙের শীতনিদ্রা কি না জানি না।
    এটাচমেন্টে পাঠিয়েছে বিশাল মাপের
    শ্বেত মর্মরের চায়ের কাপ।
    ভাইরাসমুক্ত নিশ্চিত হয়েই ডাউনলোড করেছি।