alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    মানুষ চলে গেলে পালক ফেলে যায়….কবি শামিম আজাদ




    মানুষ চলে গেলে পালক ফেলে যায়….

    কাল রাত থেকেই লন্ডনে অসম্ভব কুয়াশা পড়ছিলো। আমি বাতি নিভিয়ে জানালার পর্দা না টেনে কুয়াশা দেখে দেখে ঘুমিয়ে পড়েছি। রাত তিনটার দিকে বালিশের পাশে মোবাইল মৃদু সংকেত-শব্দ করলো।
    বার্তা এসেছে।

    স্নেহের কবি তারেক সুজাত মাত্র ক’টা শব্দ লিখেছে, আপা মাত্র কিছুক্ষণ আগে ছোটলু ভাই (আলী যাকের) চলে গেলেন!

    শুনে নিরবে কাঁদতে কাঁদতে বসার ঘরে এসে বাইরের প্রবল কুয়াশায় তাকিয়ে থাকলাম। হায় আমাদের পাহাড়ের ও পতন হল!

    গত ক’দিন ধরেই সে আশংকায় আমি মনের দাঁত চেপে হাত মুঠ করেছিলাম। যেন মুঠো ছেড়ে দিলে তাকে আর তো পাবো না। বিলেত থেকে ঢাকায় আমি ভয়ে ভয়ে ফোন করতাম। কে জানে কে কখন আমাকে এই আজকের মত অবিশ্বাস্য এ সংবাদটা দিয়ে দেয়! অপরাধি মন বলছিল, আমার মুঠো ছাড়ার সময় হয়েছে। আর বুঝি নিজেকেও বুঝ দেবার থাকলো না।




    প্রিয় ও পরম এ মানুষটি যে শেষ লড়াইটা শুরু করেছিলেন জানতাম। মাত্র ন’দিন আগে আমি চূড়ান্ত ভয়ের জায়গায় গিয়ে শক্ত হয়ে মুষ্ঠি পাঁকিয়ে হোয়াটস এ্যাপে লিখেছিলাম..
    -বড়ই বিচলিত আছি বন্ধু!(বয়সে জ্যেষ্ঠ হলেও দীর্ঘদিন, সেই বিচিত্রার কাল থেকে একই আড্ডাসঙ্গী ও শিল্পসাথী বলে আসাদুজ্জামান নূর আমার বন্ধু)।
    -হ্যাঁ। গতকাল প্রথমবারের মত ডায়ালাইসিস করা হোল। আমার টেক্সট এর উত্তরে তিনি লিখেছিলেন।
    -নূর, আমার বড় ইচ্ছা ছিলো তাঁকে ও তাঁর কাজ নিয়ে তাঁর তোলা ছবি, অভিনয়, পরিচালনা, মুক্তিযুদ্ধ, সামাজিক এ্যাকটিভিজম, পারিবারিক বলয় সব নিয়ে একটি বৈশ্বিক অন লাইন অনুষ্ঠান করার।

    আমি যখন নূরকে নোট লিখছিলাম, মনে ভেসে আসছিলো তাঁর সেই প্রবল উচ্চতার চনমনে চেহারাটা। আমি তাঁকে প্রথম যেমন দেখেছি সেটাই। বহুব্রীহি,দেওয়ান গাজীর কিসসা থেকে। অভিনয়ের সময় স্টেজে দরদর করে ঘামার সেই সময় থেকে। ইরেশের বিয়ের সময়ও লাঠি ঠেকা দিয়ে দাঁড়ানো তাঁর কী রাজকীয় স্টাইল দেখেছি। দ্রুত মনে আসছে সেই আঁখি, ললাট চিবুক।আমরা তাঁকে বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে চিনি। তাঁর কন্ঠ চিনি মুক্তিযুদ্ধের আবদ্ধকালিন সময় থেকে। স্বাধীনতার রক্তবীজ অংকুরিত হবার কাল থেকে।

    নূরকে টেক্টএ আরো লিখলাম, তুমি দেশ থেকে সারা, ইরেশ এবং আর দু’জন নিয়ে বসলে। আর আমি বিলেত থেকেই আমেরিকা, ক্যানাডা ও জার্মানী থেকে তিনজন নিয়ে বসলাম। আমাদের প্যানেলের মানুষগুলো সাংবাদিক, শিল্পী, শিল্প নির্দেশক,টিভি ব্যাক্তিত্ব হতে পারে। আমরা ছোটলু ভাইকে নিয়ে, তাঁর কাজ ও পাহাড়ের মত ব্যক্তিত্ব নিয়ে কথা বল্লাম। আমার বড় ইচ্ছা তাঁকে ও তাঁর কাজ নিয়ে, তাঁর তোলা ছবি, অভিনয়, পরিচালনা, মুক্তিযুদ্ধ, সামাজিক এ্যাকটিভিজম, পারিবারিক বলয় এসব নিয়েই একটি বিশ্বজোড়া অন লাইন অনুষ্ঠান করার।

    আর আমাদের প্যানেলের মানুষগুলো হবেন সাংবাদিক, শিল্পী, শিল্প নির্দেশক,
    টিভি ব্যাক্তিত্ব। আমরা তাঁর আপোষহীন পাহাড়ের মত ব্যক্তিত্ব নিয়ে কথা বলতাম। তিনি হাসপাতাল থেকে বা বাড়ি এসে দেখলেন। কি বল?

    নূর কিছু বল্লেন না। একেবারে নিঝুম নিশ্চুপ! এমনকি আমার একটা সুসংবাদেরও উত্তর তিনি দেন নি। তখনি আমি অশনি সংকেত পেয়েছিলাম। জানি ওঁরা দু’জন সবচেয়ে কাছের বন্ধু।একবার ছোটলু ভাই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন জেনে লন্ডনে এসেই পরিকল্পনা ছেঁটে দেশে ফিরে গিয়েছিলেন। আগের রাতে ব্রাডি সেন্টারে অনুষ্ঠানের ফাঁকে শুধু মৃদুস্বরে বলেছিলেন, শামীম, ছোটলু ভাইর শরীরটা খারাপ করেছে।

    আমাদের সাংস্কৃতিক জগতের সোনার পাহাড় তুল্য একজনই ছিলেন।তিনি আলী যাকের। আমি ডাকতাম সিবি মানে ছোটলু ভাইয়ের নামের সংক্ষেপ করে।সে ডাক ও ছিলো ফেইসবুকের মেসেজ বক্সে আমাদের ছোট ছোট আলাপন জুড়ে।কিন্তু সিবি’র সংগে টুকটাক কথা গত এক বছরের উপর আর নাই। আর তখন থেকে হাত মুঠ করে মনের মধ্যে বিড়বিড় করতাম, তুমি প্লিজ চলে যেওনা। একে একে আমাদের সব চলে যাচ্ছে। দেশের মানসিক অবক্ষয়ে শেষ হয়ে গেল সব। আকাশ থেকে আমাদের মানচিত্র যাদের অবস্থানে চিহ্নিত করা যেতো , বলা যেতো ঐ আমাদের নদী, ঐ আমাদের পাহাড় আর ঐ যে সুন্দর বন - একে একে তার সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মানুষরা চলে গেলে কী হবে আমাদের!

    তবে কি যে হবে সে আমরা সবাই তার আলামত দেখে আন্দাজ করতে পারি। এবং সত্যি তাইতো হচ্ছে। দেশে প্রচন্ড কুয়াশা নেমেছে। যে চার নীতির ভিত্তিতে দেশ হয়েছিল- কে আর ভাবে এভাবে চলতে থাকলে কিছুদিন পর আকাশ থেকে আমাদের মানচিত্রটা সনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়বে। তবে জানি আর সেই কঠিন সময়েও ‘আমরা তোমাকে স্মরণ করবো আর তোমাকে ভুলবো না।

    শামীম আজাদ
    ২৭ নভেম্বর ২০২০
    লন্ডন
    কেউ চলে গেলে তাঁর যৌবনের বা শ্রেষ্ঠ সময়ের ছবি দিতে হয়। আমি দিলাম।

     

    সুত্র : অন্তর্জাল

     


     http://www.alokrekha.com

    চক্র ------ মুনা চৌধুরী

    চক্র

    মুনা চৌধুরী

    _________

     

    যদি নিরেশ্বর বলে ফিরে আসতে নিযুত কোটি বার

    আমার গল্পগুলো একই রয়ে যাবে।

    হেটে চলা একই পথে

    হই হুল্লোড় আর বর্ণমালার ভিড়ে

    দুর্গার মতো রহস্যময়ী হয়ে

    এক হাতে অস্ত্র, অন্য হাতে  বরাভয় নিয়ে

    Being the myth, the symbol, the enigma that she is …

    সেই লম্বা টানা বারান্দা পেরিয়ে

    গ্রামোফোন ভাঙা রেকর্ড বাজিয়ে বার বার:

    "অজো নিত্য: শাশ্বত হয়ং পুরানো

     ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে"

    একই ভাবে গোলাপের স্তুপে

    একই পদচিহ্ন রেখে 

    একই ক্রোড়পত্র হাতে 

    একই ভাবে চক্রাকারে

    তোমার দুয়ারে ফিরে আসা বারবার।  





     http://www.alokrekha.com

    সাধ্য কি তার! ---- সুনিকেত চৌধুরী

    সাধ্য কি তার! - সুনিকেত চৌধুরী কল্পিত সময়ের সাধ্য কি যে আমাকে ছোঁয় মূর্তমান আমি এই এখানে বর্তমান হৃদয়ের প্রতি স্পন্দনে থিরিথিরি ভালোলাগায়! নিয়ে যাবে অন্য কোথাও অন্য কোন মেঘে ঢাকা মোহনীয় মোহনায় - আমিতো বিলীন অস্তিত্বহীন পেলবিত পল্লবের পবিত্র পরশে। বিজড়িত বিমগ্নতায় আচ্ছাদিত সকালটা যেমন সামনের সবক'টা জানালা খুলে দেয় আলোকিত করে তখনো ঘুমিয়ে থাকা তোমার কপোলের কালো চুল ভেসে আসে আঙিনার দখিনা বাতাসে বাতাবি লেবুর মচকানো পাতার মাতাল সুবাস
     কার সাধ্য তখন আমাকে ছোঁয় !
     http://www.alokrekha.com

    বিশ্বাসের গল্প ------------------- মুনা চৌধুরী

    বিশ্বাসের গল্প

     মুনা চৌধুরী

    কে বলেছে তোমায়, স্বপ্ন দেখার দিন শেষ?

    জন্মান্ধ মেয়েও স্বপ্ন দেখে ঝলমলে বাজে ফিনিশতের, অন্ধ হয়েও

    সে খুঁজে ফেরে অলীকের সন্ধান।

    আমি জুলিয়া, যে ডাবলিনের পাব- বসে থাকি সেই অনার্য

    যুবকের অপেক্ষায়; লিলিয়ান হয়ে সিল্ক রুট ধরে হেটে চলি

    পরিব্রাজকের দলে অথবা ক্রেমলিনের তাতিয়ানা হয়ে

    বরফবুড়োর খোঁজে নীল স্লেজে ছুটে চলি। আমিই হ্যাজাক

    জ্বালানো রাতে নিরঞ্জন বয়াতি হয়ে পদ্মার পারে গান ধরি,

    'কি খুঁইজ্জ্যা গেলি রে তুই সারা জন্ম ভর' আর মারিয়া হয়ে

    বিস্ময়ভরা চোখে ঈশ্বরকে পেয়ে যাই সিস্টিন চ্যাপেলের

    ফ্রেস্কোতে .... God making Adam, earth, wind, fire and

    the whole series

    কে বলেছে তোমায়

    জীবন শুধুই ক্ষয়িষ্ণু শহরক্ষুধার্ত মুখ, রক্তাক্ত বধ্যভূমি অথবা

    Botox এর faces of painted veil, হরিণাক্ষী, রঙ্গরস আর

    সব মুখস্ত পাঠ?

    কে বলেছে তোমায়

    জীবন শুধুই নিদারুন আত্মপ্রচার, Buddha Bar, Pina colada,

    great pomp and show আর অভিনয়ের ক্লান্তিকর

     এপিসোড?

    এর বাইরেও জীবন আছেজীবন থাকবে; যে জীবন স্বপ্ন

    দেখার, প্রত্যাবর্তনের, বৃত্ত ভাঙার, metamorphosis আর

    miracle এর ......

     http://www.alokrekha.com

    ছাব্বিশ লক্ষ হৃদয়ের স্পন্দন!

    ছাব্বিশ লক্ষ হৃদয়ের স্পন্দন! 

     

    কোভিড পরবর্তী সময়টা আমাদের সবাইর জীবনে একটা নতুনতর ধারা আনবেএকটা স্বপ্রনোদিত কৃচ্ছতা একটা সংযম,একটা সার্বজনীন সহমর্মিতা এবং সর্বোপরি নিরবিচ্ছিন্ন নীরবতা কিংবা সশব্দে সবান্ধবে উপস্থিতি কোন প্রশ্নের উদ্রেক 

    করবে না - এই রকম একটা ধারণা সবার মনে কম বেশী দানা বেঁধেছিলো।আমরা আশায় ছিলামঅপেক্ষায় ছিলাম কোভিড প্রাপ্ত শিক্ষা আমাদের এই পৃথিবীটাকে আমাদের সন্তানদের জন্যে 

    অধিকতর বাসযোগ্য করার কাজ শুরু করার প্রয়োজনটা প্রাধান্য পাবে আমাদের সমস্ত উন্নয়ন পরিকল্পনায় ! একদুইতিন করে পর্য্যায়ে পর্য্যায়ে গত 'দিনের বদ্ধ দুয়ার খুলে আর নীরবতা ভেঙে আমাদের আঙিনা কলরবে মুখরিত হবার 

    সম্ভাবনাটা সত্য হয়ে উঠছে ধীরে ধীরে ! দিগন্তে উদ্ভাসিত আলোকরেখা চিরকালের মতো আজও আমাদের সবার হৃদয়ে পুত পবিত্র আনন্দের অনুরনণ এনে দেয় একেবারে সনাতন সত্যের মত!

    পরশ মানিকের সন্ধানে শেকল গায়ে জড়ানো সেই পাগলের মত একটি করে পাথর শেকলে ছুঁইয়ে শেকল সোনা হয় .কিনা পরখ করতে করতে ক্লান্ত পাগল যেমন এক সকালে ঘুম থেকে জেগে অবাক বিস্ময়ে আবিষ্কার করেছিল অভ্যাসের 

    বশে কখন যে পরশমনি খুঁজে পেয়ে শেকলে ছুঁইয়ে আবার ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলো সে নিজেই জানে না ! আজ আলোকরেখার ওয়েব সার্ভারের প্রনোদিত নতুন ডিজাইনের ড্যাশবোর্ডে কাজ করতে গিয়ে উন্মোচিত পাঠক কাউন্টারের সংখ্যাটা যেন পাগলের সেই সোনা হয়ে যাওয়া শেকল। অতিক্রান্ত ছাব্বিশ লক্ষ! 'আলোকরেখা' ছায়ায় এই ছাব্বিশ লক্ষ হৃদয়ের স্পন্দনের  সিম্ফোণীতে আমাদের সবার গৃহকোণ হোক সুন্দর , হোক সুরক্ষিত ! আমরা দূরে দূরে থেকে পরস্পরে অনেক বেশী কাছাকাছি আসি।আমরা ভালোবাসি ! অনঅভিপ্রেত কোভিড এর ছায়া হোক অপসারিত !

    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    প্রিয় পাঠক

    প্রিয় পাঠক,
    এক বন্ধু সেদিন কথায় কথায় বলছিলেন আমাদের সৃষ্টিকর্তার যদি কোন ভাষা থাকে তবে  সেটা ইংরেজী-উর্দু-আরবী-বাংলা-সংস্কৃত ভাষা নয় সেটা হলো "নীরবতা"।  কথাটা মেনে নিতে ইচ্ছে হোলো।  ইচ্ছে হলো এই কারণে যে সারাটা পৃথিবী জুড়ে আজ যে অখন্ড নীরবতায় আমরা আমাদের নিজের দিকে তাকানোর সুযোগ পেয়েছি।  আমাদের অন্তরীণ জীবনে আমরা ক্রমান্বয়ে একটা উপলব্ধিতে আসছি, একটা উপসংহারে আসছি যে আমরা কত অল্পে আমাদের প্রাত্যহিক জীবন চালাতে পারি, আমরা নীরবতায় নিমগ্ন থেকে যোগাযোগ ঘটাতে পারি আমাদের ভেতরের আদি এবং অকৃত্রিম এর সাথে।  আর ওখানে পৌঁছে আমরা যখন পরস্পরের মুখোমুখি তখন আমাদের চারপাশ ঘিরে একরাশ সবাক নীরবতা।  

    যদি বলি, অনিবার্য্য একটা কারণে আলোকরেখাও গত কয়েক সপ্তাহ নীরব ছিল, পাঠক হয়তো বলবেন, তা আর বলতে !  তাই কোন কারণ দেখতে চাইনা এই বিশ্বাসে যে নীরবতায় নীরবতায় যে সুস্পষ্ট যোগাযোগ হয়েছে পাঠকে পাঠকে আলোকরেখায় তাদের অন্তরীণকালের বিচরণে,  যে সমস্ত লেখা তাঁরা খুঁটিয়ে দেখেছেন , নতুন করে পড়েছেন, তাতে আলোকরেখার নীরবতা আর তাঁদের নীরবতা মিলে সৃষ্টি হয়েছে এক অখন্ড উপলব্ধি ! আমরা জয়ী হবো ! ভালো থাকবে আমাদের সন্তানেরা!

    আমি আশা করছি এখন থেকে নিয়মিত নতুন কিছু পোস্ট করতে পারবো পাঠকদের জন্যে।   

    বিনীত,
    সানজিদা রুমি।  

    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    ও মেয়ে-----------শতাব্দী রায়



    ও মেয়ে
    শতাব্দী রায়

    ও মেয়ে
    তোর বয়স কত?
    কি জানি গো!
    মা থাকলে বলে দিত।
    সেই যে বারে দাঙ্গা হলো,
    শ'য়ে শ'য়ে লোক মরলো।
    হিন্দুদের ঘর জ্বললো,
    মুসলমানের রক্ত ঝরলো।

    চুম্বক চুম্বন ----------- মেহরাব রহমান




     চুম্বক চুম্বন
    মেহরাব রহমান   

    প্রেম এক
    দুঃখ দোকানীর
    হারিয়ে যাওয়া হালখাতা
                শেষহীন নমস্য
                                   নীরব   
                                           নীরবতা
    জগৎ এক বিকিকিনির হাট
                                    চেয়ে দ্যাখো  দিগন্ত
                                         কতটা রক্ত লাল
                                      টুকটাক কাটাকুটি
                              আঁকিবুকি লেখাজোকা