দেবব্রত সিংহ বাংলা সাহিত্যের এমন এক স্বতন্ত্র কণ্ঠ, যিনি মাটির গন্ধে ভেজা শব্দ দিয়ে গড়ে তুলেছেন নিজের আলাদা জগৎ। পশ্চিমবঙ্গ-এর বাঁকুড়া অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষাকে তিনি কবিতার প্রাণ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ফলে তার লেখা পড়লেই পাঠকের সামনে ভেসে ওঠে লাল মাটির পথ, ধুলোমাখা দুপুর, আর সহজ সরল মানুষের জীবনযাপন।
লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে
শ্রদ্ধাঞ্জলি : শহীদ মাতা বিপ্লবী বিদুষী সাদেকা সামাদ
শ্রদ্ধাঞ্জলি : শহীদ মাতা বিপ্লবী বিদুষী সাদেকা সামাদ
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে কিছু নাম আছে, যাদের জীবন সংগ্রাম, ত্যাগ ও আদর্শ প্রজন্মের পর প্রজন্মকে পথ দেখায়। শহীদ মাতা বিপ্লবী বিদুষী সাদেকা সামাদ তেমনই এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর জন্ম ও মৃত্যু—দুই-ই স্বাধীনতার মাহাত্ম্যে আবদ্ধ। ২৫শে মার্চের কালরাত্রি পেরিয়ে ২৬শে মার্চের স্বাধীনতার সূর্যোদয়ের প্রাক্কালে তাঁর জীবনাবসান যেন এক প্রতীকী বার্তা বহন করে—ব্যক্তিজীবনের অবসান হলেও আদর্শের মৃত্যু নেই।
২৫শে মার্চ: গণহত্যার কালরাত্রি ও স্বাধীনতার অগ্নিস্মৃতি
বার্তা পাঠিও--------- মেহরাব রহমান
এসো আমরা রোদ্দুরে যাই! - সুনিকেত চৌধুরী।
শুভাশীষকে চিঠি -------মুনা চৌধুরী
"মনে হয় আমার থিকাও একা বৃক্ষের পরান,
আমার থিকাও দুঃখী যমুনার নদীর কিনার।
আমার তো গ্যাছে এক, কত কোটি লক্ষ গ্যাছে তার।।
আমারে তলব দিও দ্যাখো যদি দুঃখের কাফন
তোমারে পিন্ধায়া কেউ অন্যখানে যাইবার চায়
মানুষ কি জানে ক্যান মোচড়ায় মানুষের মন,
অহেতুক দুঃখ দিয়া কেউ ক্যান এত সুখ পায়? ……
আমি কার কাছে গিয়া জিগামু সে দুঃখ দ্যায় ক্যান,
ক্যান এত তপ্ত কথা কয় …
সর্বাত্বক সমর্পণ - সুনিকেত চৌধুরী।
পৌষ সংক্রান্তি পুরনো ঢাকার এক ঐতিহ্যবাহী ঘুঁড়ি উড়ানোর উৎসব ~~~~~~~~~~~ সানজিদা রুমি
পৌষ সংক্রান্তি পুরনো ঢাকার এক ঐতিহ্যবাহী ঘুঁড়ি উড়ানোর উৎসব।বাংলা পৌষ মাসের শেষের দিন এই উৎসব পালন করা হয়।পুরান ঢাকার মানুষ আমরা বলি “সাকরাইন”। সাধারণত জানুয়ারি মাসের ১৪ তারিখেই এই উৎসব পালন করা হয়।পৌষ মাসের শেষ দিন অর্থাৎ পৌষ সংক্রান্তির দিনই পালিত হয় পুরান ঢাকার আদি “সাকরাইন” উৎসব যা জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলে একসাথে পালন করে আসছে যুগ যুগ ধরে।
কবিতা কন্যা কাব্যগ্রন্থ: আহা পাখি ~~~~ মেহরাব রহমান
শুভ নববর্ষ ২০২৬—হোক দায়িত্বশীল রাষ্ট্র, মানবিক সমাজ ও সচেতন মানুষের বছর।~~~~~~~~সানজিদা রুমি
শুভ নববর্ষ ২০২৬—হোক দায়িত্বশীল রাষ্ট্র, মানবিক সমাজ ও সচেতন মানুষের বছর।
২০২৬ সাল এসে দাঁড়িয়েছে আমাদের জীবনের দরজায়।
ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি আরেকটি সংখ্যা মাত্র হলেও মানুষের মনে এর অর্থ অনেক গভীর।
প্রতিটি নতুন বছর আসলে একটি প্রশ্ন নিয়ে আসে—আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি, আর কোন দিকে যেতে চাই। ২০২৬ সেই প্রশ্নগুলোকে আরও
স্পষ্টভাবে আমাদের সামনে তুলে ধরছে।
পেছনে ফেলে আসা বছরগুলো আমাদের খুব সহজ ছিল না। অনিশ্চয়তা, দ্রুত বদলে যাওয়া পৃথিবী, প্রযুক্তির তীব্র অগ্রগতি, সামাজিক সম্পর্কের ভাঙন—সব মিলিয়ে মানুষ ক্রমেই একা হয়ে পড়েছে ভিড়ের মধ্যেই। ২০২৬ তাই কেবল নতুন সময় নয়, এটি মানুষের মানসিকতা ও মূল্যবোধের এক বড় পরীক্ষার বছর।
আমি বিজয় দেখেছি — ব্যক্তিগত স্মৃতিতে ~~~~~~~~~~১৬ই ডিসেম্বর সানজিদা রুমি
বেগম রোকেয়া: নারীজাগরণের ইতিহাসে প্রথম আলোর দীপশিখা ~~~~~~~~~~সানজিদা রুমি
বেগম রোকেয়া: নারীজাগরণের ইতিহাসে প্রথম আলোর দীপশিখা
বাংলার নারীজীবনের ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যাদের উপস্থিতি শুধু সময়কে বদলায়নি, বদলে দিয়েছে সমাজের ভিত, চিন্তার ভিত্তি এবং মানবতার দৃষ্টিভঙ্গি।ইতিহাসের পাতা কখনো কখনো এক অসাধারণ মানুষকে এমনভাবে ধারণ করে, যেন তিনি একাই একটি যুগের মানচিত্র বদলে দেন। উনিশ ও বিশ শতকের সেই আলো-অন্ধকারের সন্ধিক্ষণে বাঙালি মুসলিম সমাজের এক ঘন কুয়াশার সময়ে জন্ম নিয়েছিলেন যে নারী, তিনি আজ ইতিহাসে সুস্পষ্ট অগ্রদ্যুত—বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। তাঁর জন্ম যেন সময়কে চ্যালেঞ্জ করা এক আলোককণা, আর তাঁর যাপন ছিল অশ্রুত, অবদমিত, বাঁধনমুক্তির সংগ্রামে নির্মিত এক মহাকাব্যের মতো। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন তাদের মধ্যেই অন্যতম—বরং সর্বাগ্রে। তিনি ছিলেন নারীশিক্ষার বীজতলা, মুসলিম নারীর আত্মমর্যাদার প্রথম উচ্চারণ, এবং পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুক্তির ধারালো অস্ত্র। উনিশ শতকের শেষদিকে, যখন নারী ছিল গৃহবন্দী, অশিক্ষা ছিল নিয়মের মতো স্বীকৃত, এবং কুসংস্কার ছিল রীতির মতো স্বাভাবিক, ঠিক তখনই রোকেয়া দাঁড়িয়েছিলেন প্রতিরোধের প্রথম সারিতে। তাঁর হাতে ছিল কলম, হৃদয়ে ছিল দৃঢ় বিশ্বাস—শিক্ষাই মানবমুক্তির একমাত্র পথ।







.jpg)

.jpeg)










