লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে
Home »
আশরাফ আলী
,
ছবি ও ভিডিও
,
ভিডিও সংকলন
» কোভিড কালীন সময়ের সাগরিকা সৈকত আর বনলতা সেনের কাহিনী !
লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

লেখকঃ সব্যসাচী দেব
সর্বমোট পোস্ট করেছেনঃ ৫ টি
সর্বমোট মন্তব্য করেছেনঃ ২৬৩ টি
সর্বমোট পঠিত হয়েছে ২৩৩৯৮ বার
নন্দিত হয়েছেনঃ
কৃষ্ণা কবিতা
ভিডিওটি শেষ হওয়ার পরও সাগরিকার জন্য মনটা ভারী হয়ে থাকে। মনে পড়ে যায় সেই দিনগুলো, যখন আমরা নিজের ভেতরেই বন্দি ছিলাম। এই স্মরণ করিয়ে দেওয়াটাই এক ধরনের প্রয়োজনীয় শোকপ্রকাশ। যারা সেই সময় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল, তাদের জন্য এই ভিডিও এক নীরব আলিঙ্গনের মতো। কোনো উপদেশ নয়, কোনো সমাধান নয় শুধু বলা, “তুমি একা নও।”সবশেষে বলতে হয়, এই ভিডিওটি সময়ের প্রতি এক সংবেদনশীল স্মারক। ভবিষ্যতে কেউ যদি জানতে চায়, মানুষ কোভিডের সময় কেমন অনুভব করেছিল এই কাজটি তাদের চোখে জল এনে সত্যটা বুঝিয়ে দেবে।
ReplyDeleteসাগরিকার প্রতি সহানুভূতি, মর্মস্পর্শী আবেগ ও মানবিক অনুভব চোখে জল এনে দেয়। সাগরিকা শুধু একটি নাম নয়, সে যেন কোভিড-কালীন সময়ের অসংখ্য নীরব মানুষের প্রতিনিধি। তার নিঃশব্দ থাকা, তার চোখের গভীরতা সব মিলিয়ে মনে হয়, সে অনেক কষ্ট চেপে রেখেছে, কাউকে না জানিয়ে, কাউকে না বোঝিয়ে । সাগরিকার যন্ত্রণা সবচেয়ে বেশি ছুঁয়ে যায় তার নীরবতায়। সে অভিযোগ করে না, কাঁদার শব্দ তোলে না—তবু তার ভেতরের ভাঙন স্পষ্ট অনুভব করা যায়। এই নীরব সহ্য করে নেওয়াটাই তাকে আরও মানবিক করে তোলে।
ReplyDeleteএই গল্পে সাগরিকার দিকে তাকালে মনে হয়, সে শুধু নিজের কষ্ট বইছে না, সে সময়টাকেই বহন করছে। তার একাকিত্বে আমরা কোভিডের সেই থমকে যাওয়া দিনগুলোকে আবার দেখতে পাই। অনবদ্যভাবে সৈকত সাগরিকার প্রেম তুলে ধরা হয়েছে এখানে ।
ReplyDeleteএই ভিডিওটি কেবল কোভিড-কালীন এক সময়ের চিত্র নয়, এটি মানুষের নিঃসঙ্গতার দলিল। সাগরিকা সৈকতের প্রেম কাহিনী যেন আমাদের ভেতরের শূন্যতাকেই দৃশ্যমান করে তোলে। বনলতা সেন এখানে কোনো ব্যক্তি নন, বরং এক আশ্রয়ের প্রতীক যাকে মানুষ খুঁজে ফেরে চরম অনিশ্চয়তার সময়। কোভিডের নিষ্ঠুর বাস্তবতায় যেখানে জীবন থমকে গিয়েছিল, সেখানে এই কাহিনী প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের নীরব কথোপকথনকে সামনে আনে। নির্জন সৈকত আর বনলতা সেন মর্মস্পর্শী গল্প চোখ ভিজয়ে দেয়। সব মিলিয়ে এটি সেই সময়ের মানবিক প্রকাশ।
ReplyDeleteভিডিওটির সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো এর আবহ। এখানে কোনো উচ্চস্বরে আর্তনাদ নেই, আছে চাপা কষ্ট, স্তব্ধতা আর অপেক্ষা। বনলতা সেন যেন সেই আশা, যে আশা মানুষ আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে চেয়েছে, যখন চারপাশে শুধু মৃত্যুর খবর। সাগরিকা সৈকত এখানে শুধু একটি স্থান নয়, এটি একটি মানসিক অবস্থা। কোভিডের সময় মানুষ যেমন সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল, ঠিক তেমনই এই সৈকতের নির্জনতা মানুষের একাকিত্বের গভীর রূপক হয়ে উঠেছে।
ReplyDeleteবনলতা সেনের উল্লেখ আমাদের বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির সঙ্গে এই সমকালীন সংকটকে যুক্ত করে। এতে বোঝা যায়, দুর্যোগের সময় মানুষ আবার ফিরে যায় কবিতা, স্মৃতি আর ভালোবাসার কাছে—যেখানে সে একটু শান্তি খুঁজে পায়। প্রাণটা ছুঁয়ে গেল -চোখ সিক্ত হল ।
এই চিত্র ভিডিওটিকে গভীর দার্শনিক মাত্রা দেয়। প্রকৃতি চলতে থাকে, অথচ মানুষ থমকে যায় মৃত্যু এসে সামনে দারায়-এই সত্যটি খুব সংবেদনশীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বনলতা সেন এখানে এক ধরনের মানসিক আশ্রয়। বাস্তবে যখন কেউ সৈকতের পাশে ছিল না, তখন স্মৃতি, কল্পনা আর কবিতাই সঙ্গী হয়েছে। ভিডিওটি এই বাস্তবতাকে খুব মানবিকভাবে তুলে ধরেছে।ভিডিওটি আমাদের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়—কোভিড শেষে আমরা কি সত্যিই আগের মতো হয়ে উঠেছে সাগরিকার জীবন? নাকি সেই নিঃসঙ্গ সৈকত আর নীরব সন্ধ্যাগুলো এখনো আমাদের ভেতরে রয়ে গেছে? সব মিলিয়ে, এই সময়কে ধরে রাখার এক সংবেদনশীল প্রচেষ্টা। ভবিষ্যতে যখন কোভিড কেবল ইতিহাস হবে, তখন এই কাহিনী আমাদের মনে করিয়ে দেবে। মানুষ কীভাবে ভয়, একাকিত্ব আর আশার ভেতর দিয়ে বেঁচে ছিল।
ReplyDeleteএকজন চিত্রগাহক ও ফিল্ম মেকার হিসাবে বলতে পারি ভিডিওটির সবচেয়ে বড় গুণ হলো এর আবহ নির্মাণ। সাগরিকা সৈকতের নির্জন দৃশ্য, ধীর গতির ভিজ্যুয়াল আর নীরবতার ব্যবহার দর্শককে মুহূর্তের মধ্যেই কোভিড-কালীন মানসিক অবস্থায় নিয়ে যায়। কোনো অতিরিক্ত উপস্থাপনা ছাড়াই অনুভূতি পৌঁছে দেওয়াই এর শক্তি।
ReplyDeleteগল্প বলার ধরনটি অত্যন্ত সংযত ও পরিমিত। সংলাপ বা বক্তব্যের চেয়ে ইমেজ, প্রতীক ও সময়ের ব্যবহারে যে বর্ণনা তৈরি হয়েছে, তা ভিডিওটিকে শিল্পসম্মত ও গভীর করে তুলেছে। এই মিনিমালিস্ট স্টাইল ভিডিওটির মান অনেক উঁচুতে তুলে নিয়েছে।এটি কেবল দৃশ্যনির্ভর নয়, বরং দর্শকের স্মৃতি ও পাঠ-অভিজ্ঞতার সঙ্গে সংযোগ তৈরি করে যা একটি শক্তিশালী সৃজনশীল গুণ। এডিটিং ও গতির ভারসাম্য খুব সুচিন্তিত। কোথাও তাড়াহুড়া নেই, আবার একঘেয়েমিও আসে না। এই নিয়ন্ত্রিত ছন্দ ভিডিওটিকে ধ্যানমগ্ন, নান্দনিক ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে সক্ষম করেছে।
এই ভিডিওটি দেখার সময় মনে হয়েছে, আমরা সবাই যেন কোনো না কোনোভাবে এই গল্পের অংশ। কোভিডের সেই নিঃশব্দ দিনগুলো, যখন চারপাশে মানুষ ছিল কিন্তু পাশে কেউ ছিল না—এই ভিডিও সেই নিঃসঙ্গতার গভীর ক্ষতকে খুব মমতায় স্পর্শ করেছে। সাগরিকা সৈকতের ফাঁকা বিস্তার দেখে বুকের ভেতর এক অদ্ভুত ভারী অনুভূতি তৈরি হয়। যেন সমুদ্র নিজেই মানুষের হয়ে কাঁদছে। ভিডিওটি সেই না বলা কান্নাগুলোকে দৃশ্যে রূপ দিয়েছে। যা আমরা তখন কাউকে বলতে পারিনি। এই কাজটি শুধু একটি সময়কে নয়, সেই সময়ের মানুষের ভেতরের ভাঙনকে ধারণ করেছে। যারা প্রিয়জন হারিয়েছে, যারা নিঃশব্দে আতঙ্কে দিন পার করেছে। এই ভিডিও তাদের অনুভূতির প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন। রুমি তুমি ভাল থাকো।তোমার জন্য ভালবাসা।
ReplyDeleteতোমার কাছে এই কথাটা শুনেছি খুব খারাপ লাগতো কিন্তু আজ এই ভিডিও দেখে চোখ ভিজে আসে, কিন্তু তা কেবল দুঃখে নয়-সহমর্মিতায়। মনে হয় কেউ তোমার সেই অব্যক্ত কষ্টগুলো বুঝতে পেরেছে, শব্দ না দিয়েই পাশে এসে বসেছে কোভিড-কালীন সময়ের তোমার কষ্ট একাকিত্ব ছিল অবর্ণনীয় । এই ভিডিও সেই একাকিত্বকে নাটকীয় না করে, খুব নীরব ও সম্মানজনক ভঙ্গিতে তুলে ধরেছে যা আমাদের হৃদয়ে গভীর দাগ কাটে। বুকের ভেতর দীর্ঘশ্বাস হয়ে বাজে। ভিডিওটি যেন বলে দেয়, কষ্টের মাঝেও একটু বনলতা সেন খুঁজছিলাম। একটু শান্তি, একটু বোঝাপড়া, একটু আশ্বাস। ভিডিওটি সেই সার্বজনীন মানবিক চাওয়াটিকে গভীর মমতায় ধরেছে।ভিডিওটি শেষ হওয়ার পরও মনটা ভারী হয়ে আছে । মনে পড়ে যায় সেই দিনগুলো, যখন তুমি এর ভেতর দিয়ে যাচ্ছিলে। মানসিক ভাবে কাছে ছিলাম কিন্তু ভয়ে তোমার সাথে কথা বলতে পারতাম না । সবশেষে বলতে হয়, এই ভিডিওটি সময়ের প্রতি এক সংবেদনশীল স্মারক। ভবিষ্যতে কেউ যদি জানতে চায়, মানুষ কোভিডের সময় কেমন অনুভব করেছিল—এই কাজটি তাদের চোখে জল এনে সত্যটা বুঝিয়ে দেবে।
ReplyDelete