alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    ভালবাসার ইতিকথা ............ তাসরীনা শিখা

     

    ভালবাসার ইতিকথা   

    তাসরীনা শিখা

    মানুষের জীবন একটা ।কিন্তু এই এক জীবনে  একেক বয়েসের ভাবনা একেক রকমের। আরে এই  ভাবনার অধ্যায় গুলো সবাইকেই পেড়িয়ে আসতে হয়। আমাকেও হয়েছে। তরুন বয়সে একটা  ভাবনা আমার মাথায় ঘুরপাক খেতো সেটা ছিলো , যারা  ভালোবেসে বিয়ে করে তাদের দাম্পত্য জীবনটা না জানি কেমন হয়। নিশ্চয়ই ভীষণ সুখের এবং আনন্দের। যাকে  ভালবেসেছে তাকেই বিয়ে করতে  পেরেছে। আমার সব সময় ইচ্ছে ছিলো যাকে বিয়ে করবো ভালোবেসে করবো অচেনা একটা মানুষকে কোন  অবস্থাতেই  করবো না। কিন্তু  দুর্ভাগ্য বলি আর সুভাগ্য বলি আমার ভালোবেসে বিয়ে করা হয়নি। আমার অধিকাংশ বন্ধুরা  ভালোবেসে বিয়ে করেছিলো কিন্তু তাদের বিয়ের পরের জীবনটা কেমন  হয়েছিলো সেটা জানার সুযোগ আমার হয়নি ।কারন তাদের বিয়ের আগে আমার বিয়ে হয়ে গেছিল , তারপর বিদেশ যাত্রা

    ফিরে আসে আলো! --------- আশরাফ আলী

     

    ফিরে আসে আলো!
    - আশরাফ আলী 

    আলোর সাথে আত্মীয়তা আমার 
    জন্মের সেই মহেন্দ্রক্ষণ থেকে !
    অমিতাভ হয়ে অহরাত্রি অঞ্জলি দিয়ে 
    আঁধারের সাথে আঁতাতে অপারগ 
    আমার অস্তিত্ব অনুক্ষণ।

    সুচিত্রা সেন বাংলা চলচ্চিত্রের এক কিংবদন্তি নাম।



    সুচিত্রা সেন

    সুচিত্রা সেন বাংলা চলচ্চিত্রের এক কিংবদন্তি নাম। অনন্য সৌন্দর্যের সঙ্গে ভুবন ভোলানো আবেদনময় মিষ্টিহাসি আর অসাধারণ অভিনয় শৈলীর কারণে চিরকালীন বাঙালি সুচিত্রা সেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মন জয় করেছেন।সুচিত্রা সেন (৬ এপ্রিল ১৯৩১ – ১৭ জানুয়ারি ২০১৪) একজন ভারতীয় অভিনেত্রী  তার জন্মগত নাম ছিল রমা দাশগুপ্ত। তিনি মূলত বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। বাংলা চলচ্চিত্রে উত্তম কুমারের বিপরীতে নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।

    কবিতা কন্যা]---------- মেহরাব রহমান




    নুতন কবিতা
    নুতন ধারা

    ১ ডিসেম্বর, ২২০২ ইং
    টরন্টো

    কবিতা কন্যা
    মেহরাব রহমান 

    জমকালো ঝর্ণা ধারা…
    আজ  শ্রাবণের প্লাবনে 
    পরিপূর্ণ আকাশ 
    এ তাঁর প্রকাশের স্বাধীনতা 
    অপূর্ব নীলিমায় আঁকা 
    প্রতিদিনের সূর্য-চেতনা
    বিস্ময়কর রচনা 
    ভালোবাসা উন্মাদ
    উত্তাল সমুদ্দুর 
    উগ্র উনুন জ্বলে

    দেবব্রত সিংহ -----একাদশী

     প্রান্তভাষী আয়োজিত বাংলার লোকসাধারণের কবিতার অনলাইন কর্মশালায়  বিনম্র নিবেদন---









     http://www.alokrekha.com

    আমার ফিরে আসা! ~~~~~~~~সানজিদা রুমি

    আমার ফিরে আসা!

    আমার একটার পর একটা অসুস্থতার নজরদারি করেই নিজের জীবনটা কাটালো সে! কিন্তু এ নিয়ে তাঁর অভিযোগ ছিলোনা কোনো! ছিলোনা কোনো আক্ষেপ, কিংবা কোনো অভিযোগ!  বরং আমার জীবনটাকে সে ভরিয়ে রেখেছিল হাসি, গল্প, কথকতায়, জ্ঞানে এবং বৈচিত্র্যে! আর এর ফলে আমার নিজের বয়সের কথা মনে ছিলোনা,  ছিলোনা কোনো দুশ্চিন্তা আমার ভবিষ্যতকে নিয়ে! আমার অতীতের কথাও যেন মনে ছিলো না। আমার ছিলো শুধু বর্তমান। ছিলো আমার হাসিখুশির সংসার, ছিলো আমার গান শোনা , আমার কবিতা, আমার নাটক, আমার আলোকরেখা। তারপর একদিন হঠাৎ দেখি, কিছু নেই। সব শূন্য, সব ফাঁকা! ঘর শূন্য, বিছানা শূন্য!

    হিন্দি কবি গুলজারের কবিতার অনুবাদ করার প্রচেষ্টা

    হিন্দি কবি গুলজারের কবিতার অনুবাদ করার প্রচেষ্টা 
    कोबी गुलज़ार  साब की कविता….. माकन  की  ऊपरी  मंज़िल  पे  अब  कोई  नहीं  रहता 


    কবি গুলজারের কবিতা। 
    অনুবাদঃ সানজিদা রুমী 

    বাড়ির উপর তলায় এখন কেউ থাকে না আর।  

    বাড়ির উপর তলায় এখন কেউ থাকে না আর, 
    ওই ঘরগুলো বন্ধ বহুদিন ; 
    যে সিঁড়ির চব্বিশটি ধাপ গিয়ে ঠেকতো সেখানতক 
    সেটা আর উপরতক যায় না এখন। 
    বাড়ির উপর তলায় এখন কেউ থাকে না আর। 

    এই বড়দিনের শেষে ।

    এই বড়দিনের শেষে ।  

    কেউ কেউ বলছেন এটা কোভিডকালীন দীর্ঘ সময় ধরে অন্তরীণ থাকার কারণে, অন্যেরা বলছেন এটা কোভিড এর ভ্যাকসিন নেবার ফলশ্রুতি - সব সময়ের জন্যে এক ধরণের নৈর্ব্যক্তিকতা, একটা উদাসী মনোভাব, একটা প্রচ্ছন্ন বিষন্নতা - যেন আচ্ছন্ন করে রাখছে মনটাকে ! আমার মতো যারা পরিবারের সদস্যকে হারিয়েছেন, আত্মীয়-স্বজন, কাছের বন্ধুদের কাউকে হারিয়েছেন তাদের এই মানসিক অবস্থাকে স্বাভাবিক বলে অনেকে যুক্তি দেখাচ্ছেন! কিন্তু যারা  সৌভাগ্যক্রমে কাছের তেমন কাউকেও হারান নি তারাও যখন একইভাবে এই মানসিক অবস্থার কথা বলছেন তখন বিষয়টাকে অন্য প্রেক্ষিত থেকে অবলোকনের এবং এর সঠিক কারণটা জানার চেষ্টা করা প্রয়োজন বলে আমার মনে হয়! 

    অনুর ভিতর পরমাণু *** মেহরাব রহমান



    অনুর ভিতর পরমাণু
    মেহরাব রহমান
    কাব্যগ্রন্থ : নীল বিষ নীল অজগর 

    হেমন্তের নবীন কুয়াশা মাড়িয়ে হাঁটি
    অচেনা বৈদেশ মাটি I
    হঠাৎ চমকে উঠি
    ভোরের কাক ডাকে ;
    কা-কা-কা কা-কা-কা
    সানি ধাপা মাগা রেসা
    বিষাদ কণ্ঠস্বর অনেকটা খাদে ;
    বুকের কিনারে জাগে ভূমিকম্প-বিস্ময় ;
    ঝোড়ো হাওয়া বয় ; আগ্নেয়গিরি-কম্পন I

    শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস




    শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি বিশেষ দিবস। প্রতিবছর বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর সকল বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। কাজে বাংলাদেশীদের মধ্যে রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর সদস্যরা তাদের প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল।

    তোমার সাথে ! - সুনিকেত চৌধুরী

     তোমার সাথে !
    - সুনিকেত চৌধুরী  
     
    কাঙ্খিত সবুজ আর নবান্নের ঘ্রাণ আমি নেই  
    তোমার ঘামে ভেজা গ্রীবায় নাক ঘষে!
    আমি আকাশটাকে আলিঙ্গন করি  
    তোমার বুকের সাথে লীন হয়ে !
    আমি রাগ ভৈরবী আর ত্রিতালে নিমগ্ন হয়ে যাই 
    তোমার হৃদয়ের কম্পনে কান পেতে! 

    ওগো যা পেয়েছি সেইটুকুতেই খুশী আমার মন!



    ওগো যা পেয়েছি সেইটুকুতেই খুশী আমার মন

    প্রথম সন্তান হিসেবে দুরন্ত না হয়ে যেন শান্ত স্বভাবের হই এবং দু'জন পেশাজীবী মানুষ আমাকে সামলাতে গিয়ে তাদের পেশাগত দায়ীত্ব পালনে বেশী stress না নিতে হয় এই আশায় আমার মা-বাবা হয়তো আমার নাম রেখেছিলেন "সানজিদা"! তাঁদের  আশা কতটা পূরণ হয়েছিলো তা আমি শুনেছি তাঁদের দু'জনারই মুখে ! পরবর্তীতে খেলার সাথী, সহপাঠী, স্বামী সন্তানদের কাছ থেকেও ওই সুবাদেই মন্তব্য শুনেছি ! আমার নামের মতোই আমি  নাকি শান্ত-শিষ্ট ! আমার ড্যাবড্যাবে চোখ নাকি কারো জন্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে না, বরং আমি একজন হাবা-গোবা মানুষ এই ধারণাই সবাই পায় আমার সাথে প্রথম সাক্ষাতের পর, সাক্ষাৎ পরবর্তী সময়গুলোতে

    স্মৃতিমাসী

     স্মৃতিমাসী
    ডঃ শকুন্তলা চৌধুরী


    সবাই ওনাকে স্মৃতিমাসী বলেই ডাকতো চিরকাল — ঋতু, ঋজু, বৃষ্টি এবং তাদের মা-বাবারাও। সবারই তিনি স্মৃতিমাসী। আসলে ঋতু-ঋজুর দিম্মা, যিনি হচ্ছেন বৃষ্টির ঠাম্মা, তাঁর সম্পর্কে মামাতো বোন হন্ স্মৃতিমাসী। কিন্তু বয়সে তিনি ঋতুর মায়ের চেয়ে সামান্যই বড়ো। অতএব ঋতুদের প্রজন্ম তাঁকে দিদিমা-ঠাকুমা না ডেকে, ‘মাসী’ বলেই ডেকে এসেছে চিরকাল। কিভাবে যেন শেষপর্যন্ত ‘স্মৃতিমাসী’ — এই পুরো শব্দটাই ‘প্রপার নাউন’ বা ‘নামবাচক বিশেষ্য’ হয়ে গেছে। সবার তিনি স্মৃতিমাসী — মামাবাড়ীর কাজের মাসী আর রান্নার ঠাকুরেরও। সবকাজে তিনি সাহায্যকারিণী স্মৃতিমাসী। সব উৎসবের বাড়ীতে তিনি ভাঁড়ার আগলানো স্মৃতিমাসী।…

    আমি শুনেছি সেদিন তুমি ||




    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    মাতাল পংক্তিমালা

     




    মাতাল পংক্তিমালা
    মেহরাব রহমান

    ১০/৯/২০২২ ইং
    টরোন্টো

    সুবর্ণ সোনার চামচ মুখে নিয়ে
    অতল… অবতল…অব্যয়…অক্ষয়… :
    জোতির্ময় প্রেম
    এখন অবনত ফ্রেম
    বাঁধানো দেয়াল
    শুধুই মনের খেয়াল?