আলোকের এই ঝর্নাধারায় ধুইয়ে দাও -আপনাকে এই লুকিয়ে-রাখা ধুলার ঢাকা ধুইয়ে দাও-যে জন আমার মাঝে জড়িয়ে আছে ঘুমের জালে..আজ এই সকালে ধীরে ধীরে তার কপালে..এই অরুণ আলোর সোনার-কাঠি ছুঁইয়ে দাও..আমার পরান-বীণায় ঘুমিয়ে আছে অমৃতগান-তার নাইকো বাণী নাইকো ছন্দ নাইকো তান..তারে আনন্দের এই জাগরণী ছুঁইয়ে দাও 'ভিনদেশি বাবা' নীপা লায়লা ~ alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    'ভিনদেশি বাবা' নীপা লায়লা








    'ভিনদেশি বাবা'

    নীপা  লায়লা 

    এসেছি ওয়াশিংটনডিসিতে।National Air and Space Museum দেখতে।মিউজিয়াম খুলবে সকাল ১০:০০টায় আর আমরা চলে এসেছি
    সকাল :০০টার আগেই তাই অন্যান্য ভিজিটরদের সাথে আমরাও মিউজিয়াম এর সামনের সিঁড়িতে হাত পা এলিয়ে বসে আছি।
    যেমন চড়া রোদ তেমন প্রচণ্ড গরম।মোটামুটি অসহ্য অবস্থা! ইচ্ছে করছিলো ঘরে ফেরত চলে যাই এমন সময় এক শেতাঙ্গ ফ্যামিলি এসে আমাদের দুই সিঁড়ি নিচে বসেছে।ফ্যামিলি মানে স্বামী-স্ত্রী আর / বছরের চাঁন্দের মতন দুই মেয়ে।দেখে মনে হচ্ছে ওরা যমজ।

    একেবারেই আইডেন্টিটিক্যাল টুইন্স!নানান কিসিমের লোকে লোকারণ্য হয়ে গেছে সিঁড়ি সহ আশেপাশের সবটুকু জায়গা।সবাই অধীর আগ্রহে মিউজিয়াম এর ভেতরে যাওয়ার অপেক্ষায়।আমার ফিজিসিস্ট মাস্টার সাহেব গরমে অস্থির যেমন হয়ে আছেন তারচেয়ে হাজার গুণ বেশী অস্থির হয়ে আছেন মিউজিয়াম এর ভেতরে যাবার জন্য।সবার চোখ মিউজিয়ামে দরজার দিকে, কেবলমাত্র আমার মুগ্ধ দুই চোখ নিচের সিঁড়িতে বসা শেতাঙ্গ ফ্যামিলির দিকে।নাদুসনুদুস মা-টি তার নিজের মোবাইল ফোনে খুব দ্রুত গতিতে স্ক্রলিং করে যাচ্ছে আর ছিপছিপে রাজপুত্রের মতন বাবাটি পালা করে তার দুই রাজকন্যার হাতে পায়ে মুখে যত্ন করে সানস্ক্রিন মাখিয়ে দিচ্ছে আর আদর করে মাঝেমাঝে ঠাণ্ডা পানির বোতল ধরে রাজকন্যাদের মুখে পানি ঢেলে দিচ্ছে। আই রিপিট! বাবা তার মেয়েদের গায়ে সানস্ক্রিন মাখিয়ে দিচ্ছে,মা নয়! মা ব্যস্ত ফেইসবুকিং নিয়ে!
    সব পুরুষ যেমন খারাপ পুরুষ নয় তেমনি সব জন্মদাতাই কিন্তু খারাপ বাবা নয়।
    ওয়াশিংটন, ডিস্ট্রিক্ট অফ কলোম্বিয়া
    ১৪ জুলাই '১৭

     http://www.alokrekha.com

    1 comments:

    1. সমিরন সেনJuly 14, 2017 at 6:32 PM

      নীপা লায়লার'ভিনদেশি বাবা' খুব সুন্দর লেখা ! বাবারা সাধারনত ততটা যত্নশীল হয় না !লেখক খুব সুন্দর করে একজন অনন্য বাবাকে চিত্রিত করেছেন। নীপা লায়লার লেখার ভক্ত আমি বরাবরই । আলক রেখায় তার লেখা ভিন্নধর্মী ।শুভেচ্ছা লেখাক কে !

      ReplyDelete

    অনেক অনেক ধন্যবাদ