আলোকের এই ঝর্নাধারায় ধুইয়ে দাও -আপনাকে এই লুকিয়ে-রাখা ধুলার ঢাকা ধুইয়ে দাও-যে জন আমার মাঝে জড়িয়ে আছে ঘুমের জালে..আজ এই সকালে ধীরে ধীরে তার কপালে..এই অরুণ আলোর সোনার-কাঠি ছুঁইয়ে দাও..আমার পরান-বীণায় ঘুমিয়ে আছে অমৃতগান-তার নাইকো বাণী নাইকো ছন্দ নাইকো তান..তারে আনন্দের এই জাগরণী ছুঁইয়ে দাও আমার মুকুর ----- অনীত রায় ~ alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    আমার মুকুর ----- অনীত রায়














    আমার মুকুর
    অনীত রায়

    আমার প্রখর দীপ্তি
    আমার জ্যোৎস্না মোম
    আমার তৃষিত দৈনন্দিন
    তার মাঝে আমার সর্ব অস্তিতে তুমি
    কে হে বৃদ্ধ অনামিক?
    কোথাকার কোন্ নার্সিসাস আমি
    কেন ছানো আমাকে আলোতে অন্ধকারে?
    আমাতে কি জীয়নশলাকা তোর?

    আমার স্বপ্ন আমার সুপ্তি আমার বিনিদ ক্ষণ
    তোমার কলুষ তোমার নান্দিক পঞ্চেন্দ্রিয়
    আমার দীর্ঘ খরায় আকাশের ঝমঝম বৃষ্টি
    তোমাকেই চাই আমার প্রশ্বাস
    তবুও আমার গণিত পাতায় বিয়োগ সংখ্যা প্রায়শই
    তুমি তুমি তুমি
    বিয়োগ আমারই অস্তিত্বের
    তবু আমারো তো আছে ধুলোর পৃথিবী
    দমকা হাওয়ায় ধুলোকণা
    আমার আকাশ ভাসে
    আমার শরীর
    আমার আঁখিপল্লব
    আমার পোশাক
    তোমার আকাশশোভন স্বস্তিক সযত্নবিধৃত
    মুহূর্তেক মেলি অস্বচ্ছতা শরীরের ভাঁজে ভাঁজে
    তোমার প্রথম গোঁফের মতন জুঁই রেণু
    তোমার মদিরা
    কুহু নির্দয়তা উত্তাল আমার বুকে পঞ্চম শিখর
    তৃষ্ণার সুনিশি ভোর
    সে চূড়াও ডোবে রিক্সা বাইক আর মোটরের হর্নে
    দিনেকের জন্য আড়াল তোমার অস্তি
    তবু দেখি আমার আকাশে তোমার নক্ষত্র
    তিক্ততার স্বাদ পেয়েছ কখনো ওহে বৃদ্ধ
    আমার বরফ-ঘরে রাজপুরী পাকশাল
    অন্য মেরু সুনিশ্চিত অর্ধাশনে
    কতখানি সুখ তাতে বৃদ্ধের?
    সমুদ্রপ্রমাণ?
    না কি পর্বতপ্রমাণ অসুস্থতা ঈর্ষণীয় কাঞ্চনজঙঘা
    ইন্দ্রধনুজাত রঙে রাঙা লোকতৃপ্তি
    তবু সেতো আমি নই
    আমার সর্বস্ব হিম
    হিম
    হিম শুধু
    শুধু তোমারই জন্য আমার প্রেক্ষায় রঙের বিন্যাস
    তোমাতে প্লাবন
    শুধু অবকাশ কটা দিন
    চিনে নিতে দাও
    আমার আমিকে
    আমার পাশের গাছ মাটি পাথর আকাশ
    অদৃশ্য ধুলোর বাতাসকে ছিঁড়ি
    খুঁজে নিতে দাও বুকের গভীরে যন্ত্রণার ঘর
    কান্তিময় রূপ থেকে তোমার স্বরূপ আমার মুকুর

     http://www.alokrekha.com

    3 comments:

    1. সমীরণ চ্যাটার্জিJune 13, 2018 at 5:22 PM

      অনবদ্য শব্দ বিন্যাস। তার প্রখর দীপ্তি ভালবাসার স্নিগ্ধ মোমের আলো তারই মাঝে কবির সারা অস্তিত্বে মিশে আছে। কবির স্বপ্ন সুপ্তি বিনিদ ক্ষণ প্রেমের কলুষ তোমার নান্দিক পঞ্চেন্দ্রিয় তার দীর্ঘ খরায় আকাশের ঝমঝম বৃষ্টি তাকেই চায় এই প্রশ্বাস গণিত পাতায় বিয়োগ সংখ্যা প্রায়শই কেবল সেই। রমণীয় প্রেমময় একটি কবিতা আমার মুকুর কবি অনীত রায়ের। শুভেচ্ছা রইল।

      ReplyDelete
    2. অনিমেষ রায়June 13, 2018 at 10:18 PM

      স্যার ক্ষমা করবেন কবিতাটা বার বার পরেও কিছুই বুঝতে পারলাম না। অনেক কৃতজ্ঞ হবো যদি একটু বিস্তারিত লিখে বুঝিয়ে দেন। অনেক অনেক ভালোবাসা স্যার। ভালো থাকবেন

      ReplyDelete
    3. সালাউদ্দিন কাদেরJune 14, 2018 at 12:43 AM

      আমার মুকুর
      অনীত রায়
      কবিতাটা ভালো, তবে কঠিন ভাষা
      ঠিক আছে, সব কবিতা তো আর
      সাধারণের জন্ন নয় ,
      খুব উচ্চ মার্গের কবিতা,
      গভীর ভাব ও প্রকাশ
      কবিকে অভিনন্দন আর সাধুবাদ

      ReplyDelete

    অনেক অনেক ধন্যবাদ