আলোকের এই ঝর্নাধারায় ধুইয়ে দাও -আপনাকে এই লুকিয়ে-রাখা ধুলার ঢাকা ধুইয়ে দাও-যে জন আমার মাঝে জড়িয়ে আছে ঘুমের জালে..আজ এই সকালে ধীরে ধীরে তার কপালে..এই অরুণ আলোর সোনার-কাঠি ছুঁইয়ে দাও..আমার পরান-বীণায় ঘুমিয়ে আছে অমৃতগান-তার নাইকো বাণী নাইকো ছন্দ নাইকো তান..তারে আনন্দের এই জাগরণী ছুঁইয়ে দাও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব সাংস্কৃতিক ও স্বনামধন্য রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কলিম শরাফী রায়হান সিরাজি ~ alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    বরেণ্য ব্যক্তিত্ব সাংস্কৃতিক ও স্বনামধন্য রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কলিম শরাফী রায়হান সিরাজি


    বরেণ্য ব্যক্তিত্ব সাংস্কৃতিক ও স্বনামধন্য রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কলিম শরাফী
    রায়হান মোহন


    কলিম শরাফী বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী, সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দেশাত্মবোধক গানের ক্ষেত্রেও তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। এর বাইরে তিনি ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িত রেখেছিলেন।
    তার সম্পূর্ণ নাম মাখদুমজাদা শাহ সৈয়দ কলিম আহমেদ শরাফী। কলিম শরাফী ৮ মে ১৯২৪ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার সিউড়ি সদর মহকুমার অন্তর্গত খয়রাদিহি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ৷ কলিম শরাফীর পিতার নাম সামি আহমেদ শরাফী ও মাতার নাম আলিয়া বেগম। মাত্র চার বছর বয়সে মা আলিয়া বেগমকে হারান তিনি। রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারে জন্ম নেয়া কলিম শরাফীর আরও দুই বোন রয়েছে। তাঁর হাতেখড়ি হয় আরবি ওস্তাদজী আর বাংলা পণ্ডিত মশাইয়ের হাতে। এরপর ১৯২৯ সালে তিনি পাঠশালায় ভর্তি হয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করেন। তাঁতিপাড়া প্রাইমারি স্কুলে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করে চলে আসেন কলকাতায় বাবা সামি আহমেদ শরাফীর কাছে। সেখানে ১৯৩৫ সালে ভর্তি হন মাদ্রাসা-ই-আলিয়াতে। অ্যাংলো পার্শিয়ান বিভাগে চতুর্থ শ্রেণীতে ভর্তি হন।



    তিনি কলকাতার বিখ্যাত সঙ্গীত বিদ্যালয় 'দক্ষিণী' থেকে ১৯৪৬ থেকে ১৯৫০ পর্যন্ত সঙ্গীত শিক্ষা লাভ করেন। এরপর সেখানে শিক্ষকতা শেষে ১৯৫০ সালে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। তিনি ১৯৬৪-৬৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান টেলিভিশনে প্রোগ্রাম ডাইরেক্টর হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি ১৯৬৯-৭২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান গ্রামোফোন কোং লিঃ এর পরিচালক ও জেনারেল ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭৪-৭৬ সালে তিনি বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন এর চীফ ইনফরমেশন অফিসার ও জেনারেল ম্যানেজার পদে দায়িত্ব পালন করেন
    রক্ষণশীল পরিবার থেকে উঠে আসলেও কলিম শরাফী সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সবসময়ে নিয়োজিত রেখেছেন। ১৯৪৪ সালে তিনি ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার এ্যাসোসিয়েশন (আইপিটিএ)-তে যোগ দিয়ে কলকাতার হাজারা পার্কে হাজার হাজার দর্শকশ্রোতার উপস্থিতিতে সর্বপ্রথম গণসঙ্গীত পরিবেশন করেন। এরপর ১৯৪৬ সালে বিখ্যাত গ্রামোফোন কোম্পানি এইচএমভি থেকে বের হয় কলিম শরাফীর প্রথম গণসঙ্গীতের রেকর্ড। প্রায় সাথে সাথেই নিয়মিত শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন কলকাতা বেতারে। এরপর শুভ গুহঠাকুরতার রবীন্দ্র সঙ্গীত শেখাবার প্রতিষ্ঠান 'দক্ষিণী'তে নিয়মিত রবীন্দ্র সঙ্গীত চর্চা শুরু করেন। এক সময় কলিম শরাফী দক্ষিণীতে যোগ দিয়েছিলেন শিক্ষক হিসেবে। দক্ষিণীতে কলিম শরাফী সঙ্গীতগুরু দেবব্রত বিশ্বাস, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় সুচিত্রা মিত্রের সাহচর্য পেয়েছিলেন। ১৯৪৮ সালে নীতিগত বিরোধের কারণে মহর্ষি মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, শম্ভু মিত্র, তৃপ্তি মিত্র, অশোক মজুমদার, মোহাম্মদ ইসরাইল, কলিম শরাফী প্রমুখ আইপিটিএ থেকে বেরিয়ে এসে গঠন করেন নাট্যসংস্থা 'বহুরূপী'

    ১৯৪৭ দেশ বিভাগের পর কলকাতায় আবার শুরু হয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এসময় কর্মহীন হয়ে পড়েন কলিম শরাফী। ১৯৫০ সালে তিনি তাঁর স্ত্রী কামেলা খাতুন একমাত্র শিশুকন্যাকে নিয়ে চলে আসেন ঢাকায়। ঢাকায় এসেই ক্যাজুয়াল আর্টিস্ট হিসেবে যোগ দেন রেডিওতে। ১৯৫১ সালে ঢাকা ছেড়ে তিনি চলে যান চট্টগ্রামে। গড়ে তোলেন 'প্রান্তিক' নামে একটি সংগঠন। ১৯৫৬ সালে শেরে বাংলার মন্ত্রিসভাকে বরখাস্ত করে সেকশন নাইনটি টু জারি করার ফলে কলিম শরাফীকে আত্মগোপন করতে হয়। সে বছরের শেষ দিকে তিনি আবার ঢাকায় ফিরে আসেন। ঢাকায় '----' নামে একটি সংগঠনগড়ে তোলেন। সংগঠনের ব্যানারেই মঞ্চস্থ করেন 'তাসের দেশ' নাটকটি। সে সময় কলিম শরাফীর সহযোগী ছিলেন . আনিসুর রহমান . রফিকুল ইসলাম। ১৯৫৭ সালে চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মতো কলীম শরাফী রবীন্দ্র সঙ্গীত গান আকাশ আর মাটি চলচ্চিত্রে। এরপর ১৯৫৮ সালে কলিম শরাফীর গান রেডিওতে সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়। স্বাধীনতা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল ছিলো।

    কলিম শরাফী ১৯৬২ সালে সোনার কাজল চলচ্চিত্রে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন পরবর্তী প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান। সময় কলিম শরাফীর সঙ্গীত পরিচালনায় নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র 'ভেনিস' আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করে। তারপর 'সূর্যস্নান ছবিতে পথে পথে দিলাম ছড়াইয়া রে গানটি গেয়ে তিনি শ্রোতামহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। এছাড়া কবিয়াল রমেশ শীলের জীবন নিয়ে একটি তথ্য চিত্রও নির্মাণ করেন কলিম শরাফী। ১৯৬৪ সালে ঢাকায় প্রথম টিভি সেন্টার চালু হলে তিনি সেখানে প্রোগ্রাম ডিরেক্টর পদে যোগ দেন। কলিম শরাফী ১৯৬৯ সালে সত্যেন সেনের সঙ্গে উদীচীর কর্মকাণ্ডে যোগ দেন এবং ১৯৭৭ থেকে প্রায় অনেকগুলো বছর সভাপতি সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৯ সালে গঠিত হয় 'জাহিদুর রহিম স্মৃতি পরিষদ' কলিম শরাফী এই উদ্যোগের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক। পরে এই 'জাহিদুর রহিম স্মৃতি পরিষদ' 'জাতীয় রবীন্দ সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ'- পরিণত হয়।


    কলিম শরাফী ১৯৮৩ সালের এপ্রিলে 'সঙ্গীত ভবন' নামে একটি সঙ্গীত বিদ্যালয় গড়ে তোলেন প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই শিল্পী কলিম শরাফী প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন। কলিম শরাফী একাধিক চলচ্চিত্রে কন্ঠদান করেছেন "স্মৃতি অমৃত" তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ তাঁর গানের পনেরোটি ক্যাসেট তিনটি সিডি ক্যাসেট প্রকাশিত হয়েছে তিনি শিল্পকলা একাডেমী কাউন্সিল শিশু একাডেমী কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ বেতার টিভি শিল্পী সংস্থা, বাংলাদেশ রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী সংস্থা নাগরিক নাট্য অঙ্গন-এর প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

    সুদীর্ঘ সাংস্কৃতিক জীবনে কলিম শরাফীর মাত্র ৫টি এ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। এগুলোর নাম হলো
    ·         এই কথাটি মনে রেখো,
    ·         আমি যখন তার দুয়ারে,
    ·         কলিম শরাফীর যত গান,
    ·         রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান এবং
    ·         জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের কথা সুরে নবজীবনের গান।
     শরাফী যখন দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তখন নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু কলকাতায় অবস্থিত 'হলওয়েল মনুমেন্ট' অপসারণের আন্দোলন শুরু করেন। কিশোর কলিম শরাফী সে আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। এসময় স্কুলের এক মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের হাতে তিনি নির্যাতিত হন। এরপর ১৯৪২ সালে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন। পরীক্ষার পরই তিনি গান্ধীর 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে যুক্ত হন। ১৯৪২ সালে 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনের সময় নিজ এলাকায় এক সভায় সভাপতিত্ব করার কয়েক দিন পর ডিফেন্স অব ইন্ডিয়া অ্যাক্টের আওতায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়। কারাগারেই আন্দোলনকর্মী বিভিন্ন শিল্পীর সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি বীরভূম জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সেক্রেটারির দায়িত্ব নেন। পঞ্চাশের মন্বন্তর হিসেবে পরিচিত পাওয়া দুর্ভিক্ষের সময় লঙ্গরখানায় কাজ করার সময় তিনি কমিউনিস্ট নেতা কমরেড মুজাফফর আহমেদের সংস্পর্শে আসেন, যোগ দেন কমিউনিস্ট পার্টিতে।

    পঞ্চাশের মন্বন্তরে কলিম শরাফী দল বেঁধে গান গেয়ে গেয়ে পীড়িত মানুষজনের জন্য অর্থ সাহায্য সংগ্রহ করেছেন। সাথে সাথে তিনি লঙ্গরখানায় খাদ্য বিতরণে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। এরপর ১৯৪৫ সালে শরাফী ভর্তি হন হেতমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজে। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে কৃষ্ণনাথ কলেজ ছেড়ে তিনি ভর্তি হন ক্যাম্পবেল মেডিকেল স্কুলে। তিনি এখানেও পড়াশোনা চালাতে পারেননি। মূলত অর্থনৈতিক কারণেই পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে ফেলতে হয়। শেষ চেষ্টা হিসেবে ১৯৪৬ সালে সিটি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৪৬ সালেই শুরু হয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এসময় তিনি ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার এ্যাসোসিয়েশনের হয়ে 'বর্ডার গার্ড'-এর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৮ সালে তিনি আবারও গ্রেফতার হন। অবশ্য জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে ছেড়ে দেয়া হয়।

    ৯০ এর দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শিল্পী-সংস্কৃতিকর্মীদের সংগঠিত করার কাজ করেন তিনি। যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে গণআদালতে সম্পৃক্ত হওয়ায় ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় কলিম শরাফীকে আসামি করা হয়।
    ·         সঙ্গীত শিল্পে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ জনাব কলিম শরাফী
    ·         একুশে পদক (১৯৮৫),
    ·         স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯৯),
    ·         'নাসিরউদ্দিন স্বর্ণ পদক' (১৯৮৮),
    ·         'বেগম জেবুন্নেছা কাজী মাহবুব উল্লাহ স্বর্ণ পদক' (১৯৮৭),
    ·         সত্যজিত রায় পুরস্কার (১৯৯৫)
    ·         শিক্ষা সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র হতে 'কৃতি বাঙ্গালী সম্মাননা পদক' (১৯৮৮)- ভূষিত হন।
    বাংলা একাডেমী ফেলোশীপ, রবীন্দ্র সুবর্ণ জয়ন্তী পাটনা, কলিকাতার শিল্প মেলার বঙ্গ সংস্কৃতি, বুলবুল ললিতকলা একাডেমী, সিকোয়েন্স এওয়ার্ড অব অনার, রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী এওয়ার্ড, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় গুনিজন সংবর্ধনা, পশ্চিমবঙ্গের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১২৫তম জন্ম বার্ষিকী, ডি- আর্ট এন্ড কালচার ফেস্টিভেল, পাকিস্তান ইত্যাদি অনুষ্ঠানে সম্মানিত হন। সর্বশেষ তিনি বাংলা একাডেমী প্রবর্তিত 'রবীন্দ্র পুরস্কার-২০১০' তাঁকে ভূষিত হন।
    ২রা নভেম্বর, ২০১০ তারিখে সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটে নিজে বাসভবনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয় সম্মাননার পর মিরপুর বুদ্ধজীবী গোরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
    তথ্যসূত্র
    বিডিনিউজ২৪
    প্রথম আলো,  
    ক্যাবিনেট ডিভিশন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
    ইত্তেফাক
    কালের কন্ঠ

     http://www.alokrekha.com

    4 comments:

    1. মিতা রহমানAugust 30, 2019 at 6:45 PM

      আমার খুবই প্রিয় শিল্পী কলিম শরাফী। আলোকরেখা ও লেখক রায়হান সিরাজিকে অশেষ ধন্যবাদ তাঁকে নিয়ে এই তথ্যবহুল লেখা লেখার জন্য। অনেক কিছু অজানা ছিল। খুব ভালো লাগলো।

      ReplyDelete
    2. শিখা সেনAugust 30, 2019 at 6:49 PM

      লেখক রায়হান সিরাজিকে অশেষ ধন্যবাদ আমার খুবই প্রিয় শিল্পী কলিম শরাফীকে নিয়ে এই তথ্যবহুল লেখা লেখার জন্য। খুব ভালো লাগলো।

      ReplyDelete
    3. রেখা আহমেদAugust 30, 2019 at 7:36 PM

      লেখক রায়হান সিরাজি বরেণ্য ব্যক্তিত্ব সাংস্কৃতিক ও স্বনামধন্য রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কলিম শরাফী নিয়ে লেখাতা পড়ে খুব ভালো লাগলো। তিনি আমাদের বাঙ্গালী জাতির গৌরব ।তার সম্পর্কে জেনে খুব উপকৃত হলাম। ধন্যবাদ।

      ReplyDelete
    4. লিলি ইসলামAugust 30, 2019 at 7:44 PM

      বরেণ্য ব্যক্তিত্ব সাংস্কৃতিক ও স্বনামধন্য রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কলিম ভাইকে নিয়ে লেখা পড়ে খুব ভালো লাগলো। তিনি আমাদের বাঙ্গালী জাতির গৌরব। অথচ তার সম্পর্কে খুব একটা লেখালেখি হয় না। আলোকরেখায় এই কৃতিমান শিল্পীর জীবন নিয়ে লেখকে সাধুবাদ জানাই। অভিনন্দন লেখক রায়হান সিরাজি।ধন্যবাদ।

      ReplyDelete

    অনেক অনেক ধন্যবাদ