এসো আমরা রোদ্দুরে যাই!
- সুনিকেত চৌধুরী।
এসো আমরা সবাই রোদ্দুরে যাই
মেলে দেই সবটুকু দুঃখ
ভোজবাজির মতো অদৃশ্য হয়ে যাক
ট্রাম্প কার্ডের আশায় বসে থাকা
আগামীকালের কর্মসূচীতে যোগ হোক
যোগ ব্যায়াম।
লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

লেখকঃ সব্যসাচী দেব
সর্বমোট পোস্ট করেছেনঃ ৫ টি
সর্বমোট মন্তব্য করেছেনঃ ২৬৩ টি
সর্বমোট পঠিত হয়েছে ২৩৩৯৮ বার
নন্দিত হয়েছেনঃ
কৃষ্ণা কবিতা
“এসো আমরা রোদ্দুরে যাই” — সুনিকেত চৌধুরীর অনু কবিতা তবে অনন্য। এর মধ্যে অনেক নিগূঢ় তত্ত্ব লুকিয়ে আছে। কবিতাটি “এসো” শব্দের পুনরাবৃত্ত আহ্বানে শুরু হয়ে এক গভীর সামষ্টিক চেতনা নির্মাণ করে। এটি ব্যক্তিগত বেদনা নয়, বরং সম্মিলিত নিরাময়ের দিকে পাঠককে টেনে নেয়।
ReplyDeleteপ্রিয় কবি সুনিকেত চৌধুরীর “এসো আমরা রোদ্দুরে যাই” কবিতায় রোদ্দুরের প্রতীকী ব্যবহার অনবদ্য।‘রোদ্দুর’ এখানে কেবল প্রকৃতির আলো নয়; এটি আশাবাদ, পুনর্জন্ম ও মানসিক মুক্তির রূপক। অন্ধকার থেকে আলোর দিকে যাত্রা এই চিরন্তন প্রতীক কবিতাটিকে সার্বজনীনতা দিয়েছে। স্বল্প কথায় শব্দের খেলায় তিনি পারদর্শিতা দেখিয়েছেন ।বরাবরই তাঁর কবিতায় এই গুন বিদ্যমান থাকে ।খুব ভাল লাগলো। ভাল থাকবেন কবি ।
ReplyDeleteপ্রিয় কবি সুনিকেত চৌধুরীর “এসো আমরা রোদ্দুরে যাই” কবিতায় রোদ্দুরের প্রতীকী ব্যবহারের সাথে দুঃখের উন্মোচন ও মুক্তির ইঙ্গিত দেয়। “মেলে দেই সবটুকু দুঃখ” এই পঙ্ক্তিতে বেদনা গোপন নয়, উন্মুক্ত। দুঃখকে স্বীকার করেই তাকে বিদায় দেওয়ার সাহস কবিতার মানবিক গভীরতা প্রকাশ করে। আর “ভোজবাজির মতো অদৃশ্য হয়ে যাক”—এই চিত্রকল্পে দুঃখের বিলোপ এক জাদুময় রূপ নেয়। বাস্তবের কষ্টকে কল্পনার কৌশলে লঘু করে তোলার কাব্যিক দক্ষতা স্পষ্ট।
ReplyDeleteকবি সুনিকেত চৌধুরীর “এসো আমরা রোদ্দুরে যাই” কবিতায় জীবনের অনিশ্চয়তা ও ভাগ্যনির্ভর প্রতীক্ষার প্রতীক হয়ে উঠেছে।প্রতিটি শব্দে লুকিয়ে আছে জীবনবোধ ।“আহত হৃদয়” এই চিরপরিচিত প্রতীক নতুন প্রেক্ষিতে এসে তীব্রতা অর্জন করেছে। বেদনার গভীরতা সংক্ষিপ্ত শব্দেই ধরা পড়েছে। ছন্দের সরলতা ও উচ্চারণযোগ্যতা কবিতাকে সাফল্য দান করেছে । কবিতার পঙ্ক্তিগুলো সহজ উচ্চারণযোগ্য, মুক্তছন্দে গাঁথা। এই সরলতা তার বার্তাকে আরও প্রাঞ্জল করেছে।শুভ কামনা ।
ReplyDelete“এসো আমরা রোদ্দুরে যাই” কবিতায় প্রিয় কবি সুনিকেত চৌধুরীর প্রকাশ ব্যক্তি থেকে সমাজে উত্তরণ।‘আগামীকালের কর্মসূচী’এই শব্দবন্ধ কবিতাকে ব্যক্তিগত অনুভূতি থেকে সামাজিক প্রয়াসে রূপান্তরিত করেছে। এটি এক ইতিবাচক ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বপ্ন দেখায়।যোগ ব্যায়ামের অন্তর্ভুক্তি অনন্য। এখানে ‘যোগ ব্যায়াম’ কেবল শারীরিক অনুশীলন নয়, মানসিক স্থিতি ও আত্মসংযমের ইঙ্গিত। কবিতায় এটি আত্মশুদ্ধির এক প্রতীকী পথ। বেদনা ও আশার দ্বৈত এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সুর কবিতার ভেতরে বেদনার ভার যেমন আছে, তেমনি আছে মুক্তির দীপ্ত সম্ভাবনা। এই দ্বৈত সুর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ করেছে।সব মিলিয়ে, এই কবিতা আলোর দিকে যাত্রার এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী মানসিক ম্যানিফেস্টো—যেখানে দুঃখ স্বীকার করে তাকে অতিক্রম করার সাহস শেখানো হয়।
ReplyDeleteপ্রিয় কবি সুনিকেত চৌধুরীর “এসো আমরা রোদ্দুরে যাই” কবিতার সূচনাতেই “এসো আমরা সবাই”—এই সমবেত আহ্বান কবিতাটিকে ব্যক্তিগত আর্তি থেকে সামষ্টিক চেতনার স্তরে উন্নীত করেছে। এখানে কবি একা নন; তিনি পাঠককে পাশে দাঁড়াতে ডাকছেন। এই আহ্বান কেবল রোদ্দুরে যাওয়ার নয়, বরং একসাথে দুঃখকে অতিক্রম করার। ফলে কবিতাটি পাঠকের মনে অংশগ্রহণের অনুভূতি জাগায়—সে কেবল পাঠক থাকে না, সহযাত্রী হয়ে ওঠে। ‘রোদ্দুর’ প্রতীকের বহুমাত্রিকতা
ReplyDelete‘রোদ্দুর’ শব্দটি কবিতার কেন্দ্রীয় প্রতীক। এটি প্রকৃতির আলো, আবার মানসিক উজ্জ্বলতা; এটি শারীরিক উষ্ণতা, আবার অন্তরের সাহস। অন্ধকার মানেই দুঃখ, আর রোদ্দুর মানেই পুনরুত্থান—এই চিরায়ত দ্বন্দ্বকে কবি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত অথচ গভীরভাবে ব্যবহার করেছেন। ফলে রোদ্দুর হয়ে উঠেছে মুক্তি, আশ্বাস ও পুনর্জন্মের এক বহুমাত্রিক রূপক।
প্রিয় কবি সুনিকেত চৌধুরীর “এসো আমরা রোদ্দুরে যাই” কবিতা ছোট্ট কিন্তু হৃদয়কে নাড়া দেয়।দুঃখের উন্মুক্তকরণ—অন্তর্মুক্তির কাব্যিক প্রক্রিয়া অসম্ভব পাঠককে ভাবতে বাধ্য করে ।“মেলে দেই সবটুকু দুঃখ” এই পঙ্ক্তি কবিতার এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁক। এখানে দুঃখ লুকোনো নয়, বরং প্রকাশিত। কবি যেন বলছেন, দুঃখকে চাপা দিলে সে ভারী হয়; আর তাকে মেলে দিলে সে হালকা হয়। এই ভাবনা মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকেও গভীর—স্বীকারোক্তিই মুক্তির প্রথম ধাপ। কবিতাটি তাই এক অন্তর্মুক্তির যাত্রা।
ReplyDelete“ভোজবাজির মতো অদৃশ্য হয়ে যাক”—এই উপমা কবিতায় এক কল্পনাময় পরিমণ্ডল সৃষ্টি করেছে। বাস্তবের কঠিন বেদনা হঠাৎ জাদুর মতো মিলিয়ে যাকএই আকাঙ্ক্ষা মানবমনের চিরন্তন ইচ্ছে। কবি এখানে বাস্তবতাকে অস্বীকার করেননি, বরং কল্পনার সহায়তায় তাকে অতিক্রম করার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। খুব ভাল লাগলো বরাবরের মতই এই কবিতা পড়ে। শুভ কামনা কবি ।ভাল থাকবেন !!!!!
প্রিয় কবি সুনিকেত চৌধুরীর “এসো আমরা রোদ্দুরে যাই” খুব ভাল লাগলো কবিতা পড়ে বরাবরের মতই ।মুক্তছন্দের সাবলীল গতি বিদ্যমান। কবিতাটি ছন্দের বাঁধনে আবদ্ধ নয়; বরং মুক্তছন্দে প্রবাহিত। এই স্বাধীন গতি তার ভাবনার স্বাধীনতাকেও প্রতিফলিত করে। প্রতিটি পঙ্ক্তি ছোট হলেও তার অন্তর্নিহিত শক্তি গভীর। পাঠের সময় স্বাভাবিক বিরতি ও উচ্চারণ কবিতাকে আরও প্রাঞ্জল করে তোলে। বেদনা থেকে কর্মে উত্তরণ ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।কবিতার শেষাংশে “আগামীকালের কর্মসূচীতে যোগ হোক”—এই লাইনটি আবেগ থেকে বাস্তবতার দিকে যাত্রা। এখানে কবি শুধু অনুভূতি প্রকাশে থেমে থাকেননি; তিনি কর্মের ডাক দিয়েছেন। বেদনা থেকে শক্তি সঞ্চয় করে সামনে এগোনোর দর্শন এখানে সুস্পষ্ট।শুভ কামনা কবি ।ভাল থাকবেন ! আর আপনার কবিতা যেন নিয়মিত পাই ।
ReplyDeleteপ্রিয় কবি সুনিকেত চৌধুরীর “এসো আমরা রোদ্দুরে যাই” কবিতাটি পড়ে খুব ভাল লাগলো । যোগ ব্যায়ামের প্রতীকী তাৎপর্য অনন্য ।‘যোগ ব্যায়াম’ শব্দবন্ধ কবিতাকে এক দার্শনিক স্তরে নিয়ে যায়। যোগ মানে সংযোগ নিজের সঙ্গে, প্রকৃতির সঙ্গে, সৃষ্টির সঙ্গে। ব্যায়াম মানে অনুশীলন। অর্থাৎ সুস্থতা ও স্থিতি কোনো আকস্মিক প্রাপ্তি নয়; তা নিয়মিত চর্চার ফল। কবি যেন মানসিক ও শারীরিক সামঞ্জস্যের এক সমন্বিত জীবনদর্শন তুলে ধরেছেন।আলো-অন্ধকারের চিরন্তন দ্বন্দ্ব , কবিতার ভেতরে আলো ও অন্ধকারের দ্বৈত সুর সুস্পষ্ট। একদিকে দুঃখ, আহত হৃদয়; অন্যদিকে রোদ্দুর, ভোজবাজির মতো মুক্তি। এই দ্বন্দ্বই মানবজীবনের সারাংশ। কবি খুব সংক্ষেপে সেই সার্বজনীন সত্যকে স্পর্শ করেছেন।দৃশ্যকল্প ও নাটকীয়তার ব্যবহার যেমন রোদ্দুরে যাওয়া, দুঃখ মেলে দেওয়া, কার্ডের অপেক্ষা এই সব চিত্রকল্প এক ধরনের নাটকীয়তা তৈরি করে। পাঠকের চোখের সামনে দৃশ্য ভেসে ওঠে। কবিতাটি তাই শুধু ভাবনার নয়, দৃশ্যমান কল্পনারও।সবশেষে, কবিতাটি এক ধরনের আশাবাদী ম্যানিফেস্টো। এটি নিছক আবেগঘন আহাজারি নয়; বরং দুঃখকে স্বীকার করে তাকে অতিক্রম করার শক্তির ঘোষণা। রোদ্দুরে যাওয়ার আহ্বান মানে জীবনের দিকে ফিরে আসা। এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিই কবিতাটিকে প্রেরণাদায়ক ও সমকালীন করে তুলেছে।
ReplyDeleteসমগ্র বিবেচনায়, এই কবিতা সংক্ষিপ্ত আকারে এক গভীর জীবনদর্শনের বার্তা বহন করে—যেখানে দুঃখ, আশা, কর্ম ও আত্মশুদ্ধি একসূত্রে গাঁথা হয়ে উঠেছে আলোর দিকে এক সম্মিলিত যাত্রার কাব্যিক ঘোষণায়। অনবদ্য কবিতা ।
কবিতাটি আশাবাদের আহ্বান দিলেও তার উপস্থাপনায় মৌলিকতার ঘাটতি স্পষ্ট। ‘রোদ্দুর’, ‘দুঃখ মেলে দেওয়া’, ‘আহত হৃদয়’—এসব চিত্রকল্প বাংলা কবিতায় বহুল ব্যবহৃত, ফলে এখানে নতুন কোনো নান্দনিক চমক তৈরি হয়নি। “ভোজবাজির মতো অদৃশ্য হয়ে যাক” লাইনটি বাস্তবতার জটিলতাকে অতিরিক্ত সরল করে ফেলে। শেষাংশে “যোগ ব্যায়াম” যুক্ত হওয়ায় কবিতাটি কাব্যিক আবহ হারিয়ে কিছুটা উপদেশমূলক বা স্লোগানধর্মী হয়ে পড়েছে। সব মিলিয়ে, ভাবনা ইতিবাচক হলেও কাব্যিক গভীরতা ও ব্যতিক্রমী নির্মাণের অভাব অনুভূত হয়।
ReplyDeleteআমি কবিতা কম বুঝি কিন্তু পড়তে খুব ভাল লাগে ।আর তা যদি হয় আমার প্রিয় কবি সুনিকেতের ।আমার যা মনে হয়েছে এই কবিতায় কবি সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন দুঃখ-কষ্ট ভুলে আলোর পথে এগিয়ে যেতে। তিনি চান, মানুষের মনে জমে থাকা সব বেদনা যেন জাদুর মতো মিলিয়ে যায়। আহত হৃদয় আর হতাশার অপেক্ষা না করে, নতুন দিনের জন্য প্রস্তুত হোক। কবিতার শেষাংশে তিনি কর্মমুখী ও সুস্থ জীবনের দিকে ইঙ্গিত করেছেন—যেখানে মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য নিয়মিত অনুশীলনও গুরুত্বপূর্ণ। সারকথা, কবিতাটি দুঃখ থেকে আশার দিকে, হতাশা থেকে ইতিবাচক জীবনের দিকে যাত্রার আহ্বান। অনেক অনেক ভালবাসা কবি । আরও একটা কথা জানাতে খুব ইচ্ছে করছে যে আমি কাজের ফাঁকে আমার প্রিয় কবির কবিতা পড়ি। খুব ভাল থাকবেন কবি ।ভালবাসা!!!
ReplyDelete