আলোকের এই ঝর্নাধারায় ধুইয়ে দাও -আপনাকে এই লুকিয়ে-রাখা ধুলার ঢাকা ধুইয়ে দাও-যে জন আমার মাঝে জড়িয়ে আছে ঘুমের জালে..আজ এই সকালে ধীরে ধীরে তার কপালে..এই অরুণ আলোর সোনার-কাঠি ছুঁইয়ে দাও..আমার পরান-বীণায় ঘুমিয়ে আছে অমৃতগান-তার নাইকো বাণী নাইকো ছন্দ নাইকো তান..তারে আনন্দের এই জাগরণী ছুঁইয়ে দাও ও মেয়ে-----------শতাব্দী রায় ~ alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    ও মেয়ে-----------শতাব্দী রায়



    ও মেয়ে
    শতাব্দী রায়

    ও মেয়ে
    তোর বয়স কত?
    কি জানি গো!
    মা থাকলে বলে দিত।
    সেই যে বারে দাঙ্গা হলো,
    শ'য়ে শ'য়ে লোক মরলো।
    হিন্দুদের ঘর জ্বললো,
    মুসলমানের রক্ত ঝরলো।


    তখন নাকি মা পোয়াতি!
    দাঙ্গা আমার জন্মতিথি।
    ও মেয়ে তোর বাবা কোথায়?
    মা বলেছে
    গরীবদের বাবা হারায়,
    কেউ তো বলে
    বাপটা আমার হারামি ছিল।
    মায়ের জীবন নষ্ট করে
    অন্য গাঁয়ে ঘর বাঁধলো।
    মা বলতো
    শিবের দয়ায় তোকে পেলাম।
    শিবকেই
    তাই বাপ ডাকলাম।

    ও মেয়ে তোর প্রেমিক আছে?
    ছেলেরা ঘোরে ধারে কাছে?
    প্রেমিক কী গো?
    মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে!
    স্বপ্ন দেখায় দিন-দুপুরে!
    চুরি-কাজল মেলাতে কেনায়,
    ঝোপের ধারে জামা খোলায়!
    এসব নন্দ কাকা করেছে দু'বার,
    প্রেমিক ওকেই বলবো এবার।
    ও মেয়ে তোর পদবি কি?
    বাপই নাকি দেয় শুনেছি!
    পদবি থাকলে ভাত পাওয়া যায়?
    বাপের আদর কাঁদায় হাঁসায়!
    ওটা কি বাজারে মেলে?
    কিনবো তবে দু-দশে দিলে।
    দামী হলে চাই না আমার,
    থাক তবে ওঠা বাপ-ঠাকুরদার।
    ও মেয়ে তুই রুপসী?
    লোকে বলে
    ডাগর গতর সর্বনাশী।
    রুপ তো নয় চোখের ধাঁ ধাঁ,
    যৌবনেতে কুকুরী রাধা।
    পুরুষ চোখের ইশারা আসে,
    সুযোগ বুঝে বুকে পাছায় হাতও কষে।
    রুপ কি শুধুই
    মাংসপেশী?
    তবে তো আমি খুব রুপসী।
    ও মেয়ে তোর ধর্ম কী?
    মেয়ে মানুষের ধর্ম কী
    গো?
    সব কিছু তো শরীর
    ঘিরে!
    সালমা বলে ধর্ম ওই
    মানুষ বানায়।
    সন্ধে বেলায় যখন
    দাঁড়ায়,
    কেউ তো বলে না
    হিন্দু নাকি?
    সবাই বলে কতোয় যাবি!
    বিছানা নাকি ধর্ম
    মেলায়,
    শরীর যখন শরীর খেলায়।
    তাই ভাবছি এবার থেকে
    ধর্ম বলবো শরীর বা বিছানাকে।

    http://www.alokrekha.com

    3 comments:

    1. শর্মিষ্ঠা সেনJune 26, 2020 at 5:22 PM

      এত দিন পর আলোকরেখায় লেখা পেয়ে খুব ভালো লাগছে। শতাব্দী রায় যেমন অভিনয়ে তেমনি তার প্রতিবাদী লেখা। খুব ভালো লাগলো।

      ReplyDelete
    2. নোমান রহমানJune 26, 2020 at 6:42 PM

      তদিন পর আলোকরেখায় লেখা পেয়ে খুব ভালো লাগছে। শতাব্দী রায় যে কবিতা লেখেন আমার তা জানা ছিল না।আলোকরেখার মাধ্যমে তা জানতে পেরে খুব ভালো লাগলো। চমৎকার কবিতা।

      ReplyDelete
    3. বাহ্ ! কী দারুন কবিতা
      কবি খুব ভালো লাগলো
      এই কবিতা বাংলা কবিতা অঙ্গনে মাইলফলক হয়ে থাকবে

      ReplyDelete

    অনেক অনেক ধন্যবাদ