পৌষ সংক্রান্তি পুরনো ঢাকার এক ঐতিহ্যবাহী ঘুঁড়ি উড়ানোর উৎসব।বাংলা পৌষ মাসের শেষের দিন এই উৎসব পালন করা হয়।পুরান ঢাকার মানুষ আমরা বলি “সাকরাইন”। সাধারণত জানুয়ারি মাসের ১৪ তারিখেই এই উৎসব পালন করা হয়।পৌষ মাসের শেষ দিন অর্থাৎ পৌষ সংক্রান্তির দিনই পালিত হয় পুরান ঢাকার আদি “সাকরাইন” উৎসব যা জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলে একসাথে পালন করে আসছে যুগ যুগ ধরে।
লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে
পৌষ সংক্রান্তি পুরনো ঢাকার এক ঐতিহ্যবাহী ঘুঁড়ি উড়ানোর উৎসব ~~~~~~~~~~~ সানজিদা রুমি
পৌষ সংক্রান্তি পুরনো ঢাকার এক ঐতিহ্যবাহী ঘুঁড়ি উড়ানোর উৎসব।বাংলা পৌষ মাসের শেষের দিন এই উৎসব পালন করা হয়।পুরান ঢাকার মানুষ আমরা বলি “সাকরাইন”। সাধারণত জানুয়ারি মাসের ১৪ তারিখেই এই উৎসব পালন করা হয়।পৌষ মাসের শেষ দিন অর্থাৎ পৌষ সংক্রান্তির দিনই পালিত হয় পুরান ঢাকার আদি “সাকরাইন” উৎসব যা জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলে একসাথে পালন করে আসছে যুগ যুগ ধরে।
কবিতা কন্যা কাব্যগ্রন্থ: আহা পাখি ~~~~ মেহরাব রহমান
শুভ নববর্ষ ২০২৬—হোক দায়িত্বশীল রাষ্ট্র, মানবিক সমাজ ও সচেতন মানুষের বছর।~~~~~~~~সানজিদা রুমি
শুভ নববর্ষ ২০২৬—হোক দায়িত্বশীল রাষ্ট্র, মানবিক সমাজ ও সচেতন মানুষের বছর।
২০২৬ সাল এসে দাঁড়িয়েছে আমাদের জীবনের দরজায়।
ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি আরেকটি সংখ্যা মাত্র হলেও মানুষের মনে এর অর্থ অনেক গভীর।
প্রতিটি নতুন বছর আসলে একটি প্রশ্ন নিয়ে আসে—আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি, আর কোন দিকে যেতে চাই। ২০২৬ সেই প্রশ্নগুলোকে আরও
স্পষ্টভাবে আমাদের সামনে তুলে ধরছে।
পেছনে ফেলে আসা বছরগুলো আমাদের খুব সহজ ছিল না। অনিশ্চয়তা, দ্রুত বদলে যাওয়া পৃথিবী, প্রযুক্তির তীব্র অগ্রগতি, সামাজিক সম্পর্কের ভাঙন—সব মিলিয়ে মানুষ ক্রমেই একা হয়ে পড়েছে ভিড়ের মধ্যেই। ২০২৬ তাই কেবল নতুন সময় নয়, এটি মানুষের মানসিকতা ও মূল্যবোধের এক বড় পরীক্ষার বছর।
আমি বিজয় দেখেছি — ব্যক্তিগত স্মৃতিতে ~~~~~~~~~~১৬ই ডিসেম্বর সানজিদা রুমি
বেগম রোকেয়া: নারীজাগরণের ইতিহাসে প্রথম আলোর দীপশিখা ~~~~~~~~~~সানজিদা রুমি
বেগম রোকেয়া: নারীজাগরণের ইতিহাসে প্রথম আলোর দীপশিখা
বাংলার নারীজীবনের ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যাদের উপস্থিতি শুধু সময়কে বদলায়নি, বদলে দিয়েছে সমাজের ভিত, চিন্তার ভিত্তি এবং মানবতার দৃষ্টিভঙ্গি।ইতিহাসের পাতা কখনো কখনো এক অসাধারণ মানুষকে এমনভাবে ধারণ করে, যেন তিনি একাই একটি যুগের মানচিত্র বদলে দেন। উনিশ ও বিশ শতকের সেই আলো-অন্ধকারের সন্ধিক্ষণে বাঙালি মুসলিম সমাজের এক ঘন কুয়াশার সময়ে জন্ম নিয়েছিলেন যে নারী, তিনি আজ ইতিহাসে সুস্পষ্ট অগ্রদ্যুত—বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। তাঁর জন্ম যেন সময়কে চ্যালেঞ্জ করা এক আলোককণা, আর তাঁর যাপন ছিল অশ্রুত, অবদমিত, বাঁধনমুক্তির সংগ্রামে নির্মিত এক মহাকাব্যের মতো। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন তাদের মধ্যেই অন্যতম—বরং সর্বাগ্রে। তিনি ছিলেন নারীশিক্ষার বীজতলা, মুসলিম নারীর আত্মমর্যাদার প্রথম উচ্চারণ, এবং পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুক্তির ধারালো অস্ত্র। উনিশ শতকের শেষদিকে, যখন নারী ছিল গৃহবন্দী, অশিক্ষা ছিল নিয়মের মতো স্বীকৃত, এবং কুসংস্কার ছিল রীতির মতো স্বাভাবিক, ঠিক তখনই রোকেয়া দাঁড়িয়েছিলেন প্রতিরোধের প্রথম সারিতে। তাঁর হাতে ছিল কলম, হৃদয়ে ছিল দৃঢ় বিশ্বাস—শিক্ষাই মানবমুক্তির একমাত্র পথ।
নিরুদ্দেশ অভিসারিকা ।।।।।।।।।অনার্য অধীর
“বিজয়ের ডিসেম্বর: রক্তাক্ত স্মৃতি, দীপ্ত ভবিষ্যতের শপথ” ~~~~সানজিদা রুমি
জাহ্নবী নগরে! - সুনিকেত চৌধুরী
অভিযাত্রিক ।।।।।।।।অনার্য অধীর
মুখোশ --------- মেহরাব রহমান
চাই কবিতার নিয়মিত সরবরাহের নিশ্চয়তা ! ----- সুনিকেত চৌধুরী।
শুভাশীষকে চিঠি' (এপিসোড ৭ )/---------মুনা চৌধুরী
শুভাশীষকে চিঠি' (এপিসোড ৭ )/মুনা চৌধুরী
EPISODE 7
নিলিশ্বরী,
নীলকণ্ঠের এই গল্পটা শুনিনি, কিভাবে শুনবো বলো তোমার সাথে ১৯ বছর ধরে তো কথাই হয়নি! হেসোনা, পুরানের গল্পগুলি তুমি মন দিয়ে পড়তে আর অনেক সময় জোর করে আমায় শোনাতে। আমিও ভান করতাম গায়ে মাখছিনা, কিন্তু আসলে বাধ্য ছেলের মতো অবাক হয়ে তোমার গল্পগুলি শুনে যেতাম ! তুমি বলতে আমি তোমার অর্জুন, কেননা আমি ছিলাম তোমার উদ্ধারদাতা আর তাই তুমি নাকি স্বয়ংবরা হয়ে দ্রৌপদীর মতো আমার গলায় মালা পড়িয়েছিলে।
চিঠির অনুরাগ, ডিজিটালের যুগে হারিয়ে যাওয়া উষ্ণতা ~~~~~~ সানজিদা রুমি
চিঠির অনুরাগ, ডিজিটালের যুগে হারিয়ে যাওয়া উষ্ণতা
সময় এক অদ্ভুত স্রোত। সে কারো জন্য অপেক্ষা করে না। মানুষের জীবন, সম্পর্ক, অনুভূতি—সবকিছু তার সঙ্গে বদলায়। সময় বদলায়। মানুষ বদলায়। বদলে যায় সম্পর্কের প্রকাশের ভাষা। একসময় চিঠি ছিল ভালোবাসার সবচেয়ে নিঃশব্দ অথচ সবচেয়ে গভীর প্রকাশ। এক টুকরো সাদা কাগজে অক্ষরগুলো যেন হৃদয়ের ধ্বনি হয়ে বেজে উঠত। প্রতিটি অক্ষরে থাকত স্পর্শের উষ্ণতা, কালির গন্ধে মিশে থাকত প্রিয়জনের ছোঁয়া।চিঠি লেখা মানে ছিল সময়ের সঙ্গে কথা বলা। কলমের ডগায় জমে থাকা কালির ফোঁটায় লুকিয়ে থাকত হৃদয়ের গোপন ভাষা।চিঠির প্রতিটি বাক্য লেখার আগে প্রিয় মানুষের মুখ মনে ভেসে উঠত। শব্দ বেছে নিতে হতো যত্ন করে--





.jpeg)















