আলোকের এই ঝর্নাধারায় ধুইয়ে দাও -আপনাকে এই লুকিয়ে-রাখা ধুলার ঢাকা ধুইয়ে দাও-যে জন আমার মাঝে জড়িয়ে আছে ঘুমের জালে..আজ এই সকালে ধীরে ধীরে তার কপালে..এই অরুণ আলোর সোনার-কাঠি ছুঁইয়ে দাও..আমার পরান-বীণায় ঘুমিয়ে আছে অমৃতগান-তার নাইকো বাণী নাইকো ছন্দ নাইকো তান..তারে আনন্দের এই জাগরণী ছুঁইয়ে দাও শেষের কবিতা (শ্রুতিনাটক) ~ alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    শেষের কবিতা (শ্রুতিনাটক)


    শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথের চিত্রসৃষ্টি পর্যায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস (প্রথমটি যোগাযোগ) এটি। ১৯২৭ সাল (১৩৩৪ বঙ্গাব্দের ভাদ্র) থেকে ১৯২৮ সাল (১৩৩৪ বঙ্গাব্দের চৈত্র) অবধি প্রবাসীতে ধারাবাহিকভাবে রচনাটি প্রকাশিত হয়।শেষের কবিতা বিংশ শতকের বাংলার নবশিক্ষিত অভিজাত সমাজের জীবনকথা। ব্যক্তি মানুষের মূল্যচেতনার উপাদান যদি অন্তর থেকে শুধুই বার হয়ে আসতে থাকে - যার সমুন্নতি ও দীপ্তি বিদ্যার বৃহৎ পরিমার্জনায়, তারও একটা চরিত্র আছে। বাস্তব চেনাশোনার চলা বাহ্যিক অভিজ্ঞতার জগৎ থেকে তা একেবারে অন্তর অভিমুখী।
    এই নবতর চেতনার অদ্ভুত আবিষ্কার এই উপন্যাস রচনার কাছাকাছি সময়ে। রবীন্দ্রনাথের অঙ্কিত এই পর্বের দু-একটি মুখাবয়বে কল্পনার প্রাধান্য লক্ষণীয়।লেখা ও প্রকাশের দিক থেকে শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দশম উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এটি লেখেন ১৯২৮ সালে ব্যাঙ্গালোরে, স্বাস্থ্য উদ্ধারের প্রয়াসে সেখানে থাকবার সময়ে। শেষের কবিতা প্রথম প্রকাশিত হয় প্রবাসী’তে, ধারাবাহিকভাবে ভাদ্র থেকে চৈত্র পর্যন্ত। অনেকে একে কবিতার বই ভেবে ভুল করে। আদতে এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম রোমান্টিক উপন্যাস।রবীন্দ্রনাথের শেষজীবনে ছবি আঁকার কালে কথাসাহিত্যের চিত্রধর্মে কিছু কিছু নূতনত্ব দেখা গেছে। কলমের স্বল্প আঁচড়ে বক্তব্যকে নিশ্চিতভাবে চোখের সামগ্রী করে তোলার এক বিশেষ ঝোঁক এবং সেই সঙ্গে দক্ষতা।

    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    7 comments:

    1. মোহন সিরাজীMarch 3, 2020 at 6:11 PM

      রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা –শুনে এক ভালোলাগা হৃদয় আন্দোলিত করে। অলোকরেখাকে অনেক ধন্যবাদ এই শ্রুতি নাটক প্রকাশ করার জন্য।

      ReplyDelete
    2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা – যতবার পড়ি বা যতবার শুনি ততবার নতুন লাগে। আজ এই বৃষ্টির দিনে এই শ্রুতি নাটক শুনে খুব ভালো লাগলো। আলোকরেখা ধন্যবাদ।

      ReplyDelete
    3. মিতা রহমানMarch 3, 2020 at 6:21 PM

      আলোকরেখাকে ধন্যবাদ।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা শ্রুতি নাটক শুনে খুব ভালো লাগলো।

      ReplyDelete
    4. প্রদীপ কুমার সাহাMarch 3, 2020 at 6:33 PM

      আলোকরেখা আমাদের এই জন্য ভালো লাগে কারণ মন ,মনন ও প্রজ্ঞার খোরাক পাওয়া যায়।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা শ্রুতি নাটক শুনে খুব ভালো লাগলো। অনেক অনেক ধন্যবাদ আলোকরেখাকে।

      ReplyDelete
    5. রাশিদা আফরোজMarch 3, 2020 at 6:40 PM

      রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা শ্রুতি নাটক প্রাণের গভীরে যেয়ে লাগলো। অনেক অনেক ধন্যবাদ আলোকরেখাকে। এমন একটি প্রয়াস নেওয়ার জন্য।

      ReplyDelete
    6. শর্মিষ্ঠাMarch 3, 2020 at 8:49 PM

      রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা শুনে খুব ভালো লাগলো। প্রতিটি সংলাপ এক একটি কাব্য। খুব খুব ভালো লাগলো আমার। কতদিন বাদে শুনলাম। আলোকরেখাকে অশেষ ধন্যবাদ।

      ReplyDelete
    7. পাপিয়াMarch 3, 2020 at 9:00 PM

      রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা শ্রুতি নাটক প্রাণের গভীরে যেয়ে লাগলো।শুনে খুব ভালো লাগলো।অনেক ধন্যবাদ আলোকরেখাকে। এমন একটি প্রয়াস নেওয়ার জন্য।

      ReplyDelete

    অনেক অনেক ধন্যবাদ