আলোকের এই ঝর্নাধারায় ধুইয়ে দাও -আপনাকে এই লুকিয়ে-রাখা ধুলার ঢাকা ধুইয়ে দাও-যে জন আমার মাঝে জড়িয়ে আছে ঘুমের জালে..আজ এই সকালে ধীরে ধীরে তার কপালে..এই অরুণ আলোর সোনার-কাঠি ছুঁইয়ে দাও..আমার পরান-বীণায় ঘুমিয়ে আছে অমৃতগান-তার নাইকো বাণী নাইকো ছন্দ নাইকো তান..তারে আনন্দের এই জাগরণী ছুঁইয়ে দাও ইরফান খান ------ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে তিনি তার অতুলনীয় ও অকল্পনীয় সহজাত অভিনয় ক্ষমতার জন্য পরিচিত। ~ alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    ইরফান খান ------ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে তিনি তার অতুলনীয় ও অকল্পনীয় সহজাত অভিনয় ক্ষমতার জন্য পরিচিত।

    ইরফান খান (৭ জানুয়ারি ১৯৬৭ - ২৯ এপ্রিল ২০২০) ছিলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা। ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে তিনি তার অতুলনীয় ও অকল্পনীয় সহজাত অভিনয় ক্ষমতার জন্য পরিচিত। ৩০ বছরের তাঁর দ্যুতিমান যাত্রায়, ইরফান খান প্রায় ৫০টির কাছাকাছি দেশী ও বহু বিদেশী চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয়ের মাধ্যমে বারবার দর্শকদের বিমুগ্ধ করেছেন। বলিউড, ব্রিটিশ ভারতীয়, হলিউড এবং একটি তেলুগু চলচ্চিত্রে তিনি কাজ করছেন।৩৫ বছরের কর্মজীবনে তিনি ৫০টির অধিক দেশীয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার-সহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন। চলচ্চিত্র সমালোচক, সমসাময়িক অভিনয়শিল্পী ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা তাকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও অনন্য একজন অভিনয়শিল্পী বলে গণ্য করে থাকেন। ২০১১ সালে ভারত সরকার তাকে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রীতে ভূষিত করে।


    ১৯৮৮ সালের মীরা নায়ার পরিচালিত, একাডেমি পুরস্কার মনোনীত হিন্দি চলচ্চিত্র সালাম বম্বেতে প্রথম অভিনয়ের মাধ্যমে সিনেমায় তাঁর অভিষেক ঘটে। এরপর কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি নাট্যধর্মী হাসিল (২০০৩) ও মকবুল (২০০৪) চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে অভিনয় করে সমাদৃত হন এবং প্রথম চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ খল অভিনয়শিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৭ সালের বহু-প্রশংসিত মুম্বই-কেন্দ্রিক হিন্দি নাট্যধর্মী লাইফ ইন আ...মেট্রোর সফলতা তাঁর কর্মজীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং এই কাজের জন্য তিনি প্রশংসিত হন ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার অর্জন করেন। ক্রীড়া নাট্যধর্মী পান সিং তোমার (২০১১) চলচ্চিত্রে ক্রীড়াবিদ পান সিং তোমারের ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি সমাদৃত হন এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার অর্জন করেন। শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে বাফটা পুরস্কার মনোনীত ২০১৩ সালের রোমান্টিক প্রেম চলচ্চিত্রদ্য লাঞ্চবক্সে তাঁর অসামান্য অভিনয় বৈশ্বিক সমালোচক ও দর্শকদের প্রশংসা সমানভাবে অর্জন করে। এরপর তিনি আরও কয়েকটি বাণিজ্যিকভাবে সফল ও সমাদৃত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, সেগুলো হল হায়দার (২০১৪), পিকু (২০১৫), তালবার (২০১৫), ও ব্ল্যাকমেইল (২০১৮)। তাঁর অভিনীত সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি চলচ্চিত্র হল হাস্যরসাত্মক নাট্যধর্মী হিন্দি মিডিয়াম (২০১৭), এটি ভারত ও চীনে স্লিপার হিট তকমা লাভ করে। এই কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার অর্জন করেন।

    দেশীয় চলচ্চিত্রে বাইরে তিনি কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন, তন্মধ্যে রয়েছে দ্য ওয়ারিয়র (২০০১), দ্য নেমসেক (২০০৬), দ্য দার্জিলিং লিমিটেড, একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র স্লামডগ মিলিয়নিয়ার (২০০৮), নিউ ইয়র্ক, আই লাভ ইউ (২০০৯), দি অ্যামেজিং স্পাইডার-ম্যান (২০১২), লাইফ অব পাই (২০১২), জুরাসিক ওয়ার্ল্ড (২০১৫), ও ইনফার্নো (২০১৬)। ২০১৭ সাল পর্যন্ত তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রসমূহ বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে $৩.৬৪ বিলিয়ন আয় করে। ২০১৮ সালে তিনি নিউরো এন্ডোক্রিন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নেন। সুস্থ্য হয়ে ফিরে এসে তিনি আংরেজি মিডিয়াম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। কিন্তু পুনরায় মলাশয়ের ক্যান্সারের জটিলতায় তিনি ২০২০ সালের ২৯শে এপ্রিল ৫৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
    ইরফান ১৯৬৭ সালের ৭ই জানুয়ারি ভারতের জয়পুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ইরফানের মাতা বেগম খান এবং তাঁর মরহুম পিতা জাগিরদার খান টঙ্ক জেলার বাসিন্দা ছিলেন এবং সেখানে পাগড়ির ব্যবসা করতেন।ইরফান ও তাঁর এক বন্ধু সতীশ শর্মা ভালো ক্রিকেট খেলতেন এবং ইরফান পরবর্তীতে ভারতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ভিত্তি হিসেবে সুপরিচিত সিকে নায়ুডু টুর্নামেন্টে অনুর্ধ্ব ২৩ দলের জন্য নির্বাচিত হন। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থায়নের অভাবে তিনি এই আসরে খেলতে পারেননি।

    তিনি স্নাতকোত্তর পড়াকালীন ১৯৮৪ সালে নতুন দিল্লির রাষ্ট্রীয় নাট্য বিদ্যালয়ে (এনএসডি) অধ্যয়নের জন্য বৃত্তি পান। এনএসডি থেকে তিনি নাট্যতত্ত্বে ডিপ্লোমা করেন। 
    ইরফান খান মুম্বাইয়ে চলে আসেন এবং সেখানে একাধিক টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয় করেন, তন্মধ্যে রয়েছে চণক্য, ভারত এক খোঁজ, সারা জাহাঁ হামারা, বনেগি আপনি বাত, চন্দ্রকান্ত, শ্রীকান্ত, অনুগুঞ্জ, ও স্পর্শ। এর পূর্বে তিনি দূরদর্শনের টেলিভিশন নাটক লাল ঘাস পর নীলে ঘোড়ে-তে ভ্লাদিমির লেনিন চরিত্রে অভিনয় করেন। এটি মিখাইল শাতরভের রুশ নাটকের উদয় প্রকাশের অনুবাদের উপর ভিত্তি করে নির্মিত। তিনি স্টার প্লাসের দর টিভি ধারাবাহিকে প্রধান খলচরিত্রে অভিনয় করেন। কে কে মেননের বিপরীতে এই ধারাবাহিকে তিনি একজন ধারাবাহিক খুনী চরিত্রে অভিনয় করেন। এছাড়া তিনি কাহকাশাঁ নাটকে বিখ্যাত বিপ্লবী উর্দু কবি ও মার্ক্সবাদী রাজনৈতিক কর্মী মখদুম মহিউদ্দিন চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি স্টার প্লাসে প্রচারিত স্টার বেস্টসেলার্স-এর কয়েকটি পর্বে অভিনয় করেন। একটি পর্বে তাকে একজন দোকানদার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়, যেখানে তার ধারণা হয় তার বাড়িওয়ালার স্ত্রী তাকে কামের ফাঁদে ফেলতে চাচ্ছে, কিন্তু পরে দেখা যায় তার স্ত্রীই তাকে ফাঁকি দিচ্ছে। আরেকটি পর্বে তাকে একজন হিসাবরক্ষক চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়, যেখানে তিনি তার নারী বস কর্তৃক অপমানিত হওয়ার পর এর প্রতিশোধ নেন। এছাড়া তিনি সেট ইন্ডিয়ায় প্রচারিত ভানবর ধারাবাহিকের দুটি পর্বে অভিনয় করেন।

    ১৯৮৮ সালের মীরা নায়ার পরিচালিত, একাডেমি পুরস্কার মনোনীত হিন্দি চলচ্চিত্র সালাম বম্বেতে প্রথম অভিনয়ের মাধ্যমে সিনেমায় তিনি পদার্পণ করেন। এরপর কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি ২০০১ সালে ওয়ারিয়র চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ২০০৩ সালে তিনি নাট্যধর্মী হাসিল চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে অভিনয় করেন। সমালোচকগণ তাঁর অভিনয়ের প্রশংসা করেন। রেডিফ.কম লিখেন, "উচ্চাকাঙ্ক্ষী, উদ্ধত ও নির্ভয় দুর্বৃত্ত চরিত্রে তার অভিনয় অনবদ্য। তিনি খুবই ভয়ঙ্কর, যা আপনাকে ভয় পাইয়ে দিবে, এবং পরবর্তীতে কি করতে যাচ্ছে তা আপনাকে বিস্মিত করবে। এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ খল অভিনয়শিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। পরের বছর মকবুল (২০০৪) চলচ্চিত্রে তাকে পুনরায় খল চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়, এবং চলচ্চিত্রেও তার অভিনয় সমাদৃত হয়। বলিউড চলচ্চিত্রে তাঁর প্রথম কেন্দ্রীয় চরিত্রে কাজ ছিল রোগ (২০০৫)। এই চলচ্চিত্রের তার অভিনয়ের প্রশংসা করে স্ম্যাশহিটস লিখে, "ইরফানের চোখ তার শব্দের চেয়েও জোড়ে কথা বলে এবং পর্দায় তাকে যতক্ষণ দেখা যায়, তিনি অভিনয়শিল্পী হিসেবে তাঁর নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছেন।

    ২০০৬ সালে তিনি দ্য নেমসেক চলচ্চিত্রে তাবুর বিপরীতে অভিনয় করেন। ২০০৭ সালের বহু-প্রশংসিত মুম্বই-কেন্দ্রিক হিন্দি নাট্য-চলচ্চিত্র লাইফ ইন আ... মেট্রো বক্স অফিসে ব্যবসা সফল হয়। এই চলচ্চিত্রে পার্শ্ব চরিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। এই চলচ্চিত্রে কঙ্কনা সেন শর্মার সাথে রসায়ন এই তারকাবহুল চলচ্চিত্রের অন্যতম দিক ছিল। এই বছর তিনি দুটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রে কাজ করেন, সেগুলো হল আ মাইটি হার্ট ও দ্য দার্জিলিং লিমিটেড। 
    তিনি ২০০৮ সালে একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র স্লামডগ মিলিয়নিয়ার চলচ্চিত্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তা চরিত্রে অভিনয় করেন। এই কাজের জন্য তিনি এবং এই চলচ্চিত্রের বাকি অভিনয়শিল্পীগণ চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পীদের সেরা অভিনয় বিভাগে স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার অর্জন করেন। চলচ্চিত্রটির পরিচালক ড্যানি বয়েল তার সম্পর্কে বলেন, "কোন চরিত্রের "নৈতিক কেন্দ্রবিন্দু" খোঁজার তার সহজাত কৌশল রয়েছ, স্লামডগের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।" বয়েল তাকে সেই সকল অ্যাথলেটদের সাথে তুলনা করেন যারা একই কাজ সঠিকভাবে বারবার করতে পারেন। বয়েলের ভাষ্যমতে, "তা দৃষ্টি নন্দন"।[১২] এরপর তিনি নিউ ইয়র্ক, আই লাভ ইউ (২০০৮) চলচ্চিত্রে গুজরাতি হীরক ব্যবসায়ী এবং নিউ ইয়র্ক (২০০৯) চলচ্চিত্রে এফবিআই কর্মকর্তা চরিত্রে অভিনয় করেন। এছাড়া তাকে ২০০৯ সালে মারপিটধর্মী এসিড ফ্যাক্টরি চলচ্চিত্রে দেখা যায়।

    তিনি ক্রীড়া নাট্যধর্মী পান সিং তোমার (২০১১) চলচ্চিত্রে ক্রীড়াবিদ থেকে ডাকাত হয়ে যাওয়া পান সিং তোমারের ভূমিকায় অভিনয় করে সমাদৃত হন। এই কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার সমালোচক পুরস্কার অর্জন করেন।[১৪] পরের বছর তিনি দি অ্যামেজিং স্পাইডার-ম্যান এবং লাইফ অব পাই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে বাফটা পুরস্কার মনোনীত দ্য লাঞ্চবক্স (২০১৩) চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় বৈশ্বিক সমালোচক ও দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করে।
    এরপর তিনি আরও কয়েকটি ব্যবসাসফল ও সমাদৃত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, সেগুলো হল হায়দার (২০১৪), পিকু (২০১৫), তালবার (২০১৫), ও ব্ল্যাকমেইল (২০১৮)। তাঁর অভিনীত সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি চলচ্চিত্র হল হাস্যরসাত্মক নাট্যধর্মী হিন্দি মিডিয়াম (২০১৭), এটি ভারত ও চীনে স্লিপার হিট তকমা লাভ করে। এই কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তাঁর অভিনীত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র হল জুরাসিক ওয়ার্ল্ড (২০১৫), ও ইনফার্নো (২০১৬)। ২০১৭ সাল পর্যন্ত তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রসমূহ বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে $৩.৬৪ বিলিয়ন আয় করে। ইরফান খানের অভিনীত সর্বশেষ চলচ্চিত্র হলো ২০২০ সালের আংরেজি মিডিয়াম।
    ইরফান খান দীর্ঘ একবছর কঠিন নিউরো এন্ডোক্রিন কর্কটরোগ রোগে ভুগছিলেন। লন্ডনে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। ২৭শে এপ্রিল বৃহদন্ত্রে ইনফেকশনের জন্য মুম্বইয়ে অবস্থিত কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হলে, ২৯শে এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    পুরস্কার
    বিজয়ী
    বেসামরিক সম্মান
    ২০১১: পদ্মশ্রী 
    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
    ২০১২: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা - পান সিং তোমার
    ফিল্মফেয়ার পুরস্কার
    ২০১৮: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা - হিন্দি মিডিয়াম
    ২০১২: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা (সমালোচক) – পান সিং তোমার
    ২০০৭: শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা - লাইফ ইন আ... মেট্রো
    ২০০৩: শ্রেষ্ঠ খল অভিনয়শিল্পী – হাসিল
    চলচ্চিত্রের তালিকা
    বছর চলচ্চিত্র ভূমিকা
    ১৯৮৮ সালাম বম্বে! পত্রলেখক
    ২০০৩ ধন্ধ, দ্য ফগ অজিত খুরানা
    ২০০৯ বিল্লু বিল্লু নাপিত
    ২০১২ দ্য লাইফ অব পাই পিসিনচন্দ্র
    ২০১৫ পিকু রানা চৌধুরি
    ২০১৭ হিন্দি মিডিয়াম রাজা বাত্রা
    ২০১৭ ডুব জাবেদ হাসান
    ২০২০ আংরেজি মিডিয়াম ছুরি রাজা বাত্রা
     সুত্র ঃ উইকিপিডিয়া

    উইকিপিডিয়া

    উইকিপিডিয়া

    1 comments:

    1. নিশা গুহApril 29, 2020 at 5:28 PM

      ইরফান খানের অকাল প্রয়ানে ভারতীয় তথা বিশ্বের চলচ্চিত্রের অনেক ক্ষতি সাধন হলো। তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।

      ReplyDelete

    অনেক অনেক ধন্যবাদ