alokrekha আলোক রেখা
1) অতি দ্রুত বুঝতে চেষ্টা করো না, কারণ তাতে অনেক ভুল থেকে যায় -এডওয়ার্ড হল । 2) অবসর জীবন এবং অলসতাময় জীবন দুটো পৃথক জিনিস – বেনজামিন ফ্রাঙ্কলিন । 3) অভাব অভিযোগ এমন একটি সমস্যা যা অন্যের কাছে না বলাই ভালো – পিথাগোরাস । 4) আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট । 5) আমরা জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহন করি না বলে আমাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ হয় না – শিলার । 6) উপার্জনের চেয়ে বিতরণের মাঝেই বেশী সুখ নিহিত – ষ্টিনা। 7) একজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি আরেকজন ঘুমন্ত ব্যাক্তি কে জাগ্রত করতে পারে না- শেখ সাদী । 8) একজন দরিদ্র লোক যত বেশী নিশ্চিত , একজন রাজা তত বেশী উদ্বিগ্ন – জন মেরিটন। 9) একজন মহান ব্যাক্তির মতত্ব বোঝা যায় ছোট ব্যাক্তিদের সাথে তার ব্যবহার দেখে – কার্লাইন । 10) একজন মহিলা সুন্দর হওয়ার চেয়ে চরিত্রবান হওয়া বেশী প্রয়োজন – লং ফেলো। 11) কাজকে ভালবাসলে কাজের মধ্যে আনন্দ পাওয়া যায় – আলফ্রেড মার্শা
  • Pages

    লেখনীর সূত্রপাত শুরু এখান থেকে

    ওগো যা পেয়েছি সেইটুকুতেই খুশী আমার মন!



    ওগো যা পেয়েছি সেইটুকুতেই খুশী আমার মন

    প্রথম সন্তান হিসেবে দুরন্ত না হয়ে যেন শান্ত স্বভাবের হই এবং দু'জন পেশাজীবী মানুষ আমাকে সামলাতে গিয়ে তাদের পেশাগত দায়ীত্ব পালনে বেশী stress না নিতে হয় এই আশায় আমার মা-বাবা হয়তো আমার নাম রেখেছিলেন "সানজিদা"! তাঁদের  আশা কতটা পূরণ হয়েছিলো তা আমি শুনেছি তাঁদের দু'জনারই মুখে ! পরবর্তীতে খেলার সাথী, সহপাঠী, স্বামী সন্তানদের কাছ থেকেও ওই সুবাদেই মন্তব্য শুনেছি ! আমার নামের মতোই আমি  নাকি শান্ত-শিষ্ট ! আমার ড্যাবড্যাবে চোখ নাকি কারো জন্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে না, বরং আমি একজন হাবা-গোবা মানুষ এই ধারণাই সবাই পায় আমার সাথে প্রথম সাক্ষাতের পর, সাক্ষাৎ পরবর্তী সময়গুলোতে

    স্মৃতিমাসী

     স্মৃতিমাসী
    ডঃ শকুন্তলা চৌধুরী


    সবাই ওনাকে স্মৃতিমাসী বলেই ডাকতো চিরকাল — ঋতু, ঋজু, বৃষ্টি এবং তাদের মা-বাবারাও। সবারই তিনি স্মৃতিমাসী। আসলে ঋতু-ঋজুর দিম্মা, যিনি হচ্ছেন বৃষ্টির ঠাম্মা, তাঁর সম্পর্কে মামাতো বোন হন্ স্মৃতিমাসী। কিন্তু বয়সে তিনি ঋতুর মায়ের চেয়ে সামান্যই বড়ো। অতএব ঋতুদের প্রজন্ম তাঁকে দিদিমা-ঠাকুমা না ডেকে, ‘মাসী’ বলেই ডেকে এসেছে চিরকাল। কিভাবে যেন শেষপর্যন্ত ‘স্মৃতিমাসী’ — এই পুরো শব্দটাই ‘প্রপার নাউন’ বা ‘নামবাচক বিশেষ্য’ হয়ে গেছে। সবার তিনি স্মৃতিমাসী — মামাবাড়ীর কাজের মাসী আর রান্নার ঠাকুরেরও। সবকাজে তিনি সাহায্যকারিণী স্মৃতিমাসী। সব উৎসবের বাড়ীতে তিনি ভাঁড়ার আগলানো স্মৃতিমাসী।…

    আমি শুনেছি সেদিন তুমি ||




    সানজিদা রুমি কর্তৃক গ্রথিত http://www.alokrekha.com

    মাতাল পংক্তিমালা

     




    মাতাল পংক্তিমালা
    মেহরাব রহমান

    ১০/৯/২০২২ ইং
    টরোন্টো

    সুবর্ণ সোনার চামচ মুখে নিয়ে
    অতল… অবতল…অব্যয়…অক্ষয়… :
    জোতির্ময় প্রেম
    এখন অবনত ফ্রেম
    বাঁধানো দেয়াল
    শুধুই মনের খেয়াল?

    শুধু চাই - !

     শুধু চাই - !
    - সুনিকেত চৌধুরী


    স্রোতস্বীনীর স্রোতধারায় সতত ধাবমান
    আমাদের প্রতিটা দিন
    আঁচড় দিয়ে দিয়ে মনের গহীনে
    এঁকে যায় সহস্র চিত্রকল্প আর মোনালিসা মুখ !

    পথযাত্রা

    পথযাত্রা

    - সুনিকেত চৌধুরী। 

     সান্ধ্যকালীন কৌমার্যের কুহকিনী কৌলিন্যে

    বিমোহিত বিহ্বলতায় উদ্বেলিত হৃদয়স্পন্দন

    টেনে নেয় অদৃষ্টের অলিখিত অধ্যায়ের

    পরবর্তী পরিক্রমায় ! যাত্রাশুরু নাকি শেষ

    সবিশেষ সনির্বন্ধ ষষ্টাঙ্গ প্রণামে

    যাপিত জীবনের আহাজারি আর অমৃত বাসনা

    সম্বল করে শুধুই বর্তমানে বাস অনিমেষ!

    দীর্ঘ নীরবতার অপরাধ খণ্ডনের প্রচেষ্টা !

    দীর্ঘ নীরবতার অপরাধ খণ্ডনের প্রচেষ্টা !

     

    নীরবতা আর নিরাসক্ততা শব্দ দু'টো ধ্বনি অর্থের দিক থেকে খুব কাছাকাছি হলেও দু'টোর মাঝে অনেক ফারাক ! তবে দুই শব্দেই "না-সূচক" একটা ব্যঞ্জনা আছে, যদিও নীরবতাকে অসামর্থতার সাথে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে ! আর এই নীরবতা কখনো ইচ্ছাকৃত অথবা অনিচ্ছাকৃত হতে পারে !

    মুজিব আমার অহংকার! --------------------- সানজিদা রুমি

    মুজিব  আমার অহংকার!

    সানজিদা রুমি 

    আমি বাংলাদেশমুজিব আমার জন্মের আধার

    মানচিত্রে দিয়েছো ঠাঁই  ! মুজিব  আমার অহংকার!

    তুমি নও  কোন দিবসের -নও  বাঁধা বন্দি কালের যাত্রায়-

    আদি থেকে অন্ত নিত্যকালের চিরন্তন তুমি অক্ষয়তায়

    নারী তুমি শ্রদ্ধার ----তৌহিদা হানফি মাহমুদ

     

    নারী তুমি শ্রদ্ধার
    তৌহিদা হানফি মাহমুদ,
    মা তুমি কৃতজ্ঞতা জেনো
    নারী যোদ্ধা পাশে আছি আজীবন
    মাধবী তোমার অপারগতায় আমি বিচলিত
    বৃহন্নলা সম্মান করি তোমার বেঁচে থাকার লড়াই
    মেয়ে তোমার শক্তি হতে চাই
    কন্যা অকুতোভয়ে এগিয়ে চলো আমায় পাবে তোমার প্রতিটি কদমে
    জায়া আর মুখ বুজে নয় মাথা উঁচু করে চলো ।

    কবিতা নয় কবিতার ছায়া উপছায়া ........... মেহরাব রহমান

     

    কবিতা নয়

    কবিতার ছায়া উপছায়া

    মেহরাব রহমান

    নবীন জীবন / আজ

     খ্রিষ্টিয় নববর্ষ / নূতন

    বছরের অবাক প্রভাত /

    হে আমার  নমস্য সূর্যদেব /

    তোমার স্ফটিক চুম্বন পাওয়ার / অসম্ভব

    সাঁইত্রিশ লক্ষ ভালোবাসা!!

    সাঁইত্রিশ লক্ষ ভালোবাসা!! বর্তমানের এই ডিজিটাল যুগে আমি যদি খুঁজি একটি নিক্তি, একটা কিছু পরিমাপের জন্যে নিক্তি, তাহলে আমাকে যে অনেক যুক্তি তর্ক দাড় করতে হবে তা সহজেই অনুমেয় ! প্রথমেই যে যুক্তিটাকে খণ্ডন করতে হবে সেটা হলো, মাপার জন্যে যে নিক্তি আর বাটখারা সেটা তো আদ্যিকালের কায়-কারবার ! কি মাপতে হবে সেটা জানালেই তো ঝটপট জানা যাবে কোন ডিজিট আর কোন মাধ্যমটি ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে! পুরো ব্যাপারটা একটু সহজ বলে মনে হলেও আমি যে জিনিষটা পরিমাপ করার নিক্তি খুঁজছি, সেটার নাম "ভালোবাসা"!

    নৌকাডুবি ঋতুপর্ণ ঘোষ পরিচালিত বাংলা চলচ্চিত্র

    নৌকাডুবি ঋতুপর্ণ ঘোষ পরিচালিত বাংলা চলচ্চিত্র, যা জানুয়ারি ২০১১-তে মুক্তি পায়।চলচ্চিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি করা হয়েছে। এটি একটি সামাজিক এবং গভীর আবেগপ্রবণ একটি চলচ্চিত্র।নৌকা ডুবি ছবিটি দেখতে হলে ক্লিক করুন    Watch on YouTube

    কোভিডের অপর প্রান্তে ! - সুনিকেত চৌধুরী

    কোভিডের অপর প্রান্তে ! - সুনিকেত চৌধুরী চামেলীর সুগন্ধে সদানন্দ জেগে থাকে সন্ধ্যা থেকে সকাল অবধি অপেক্ষায় থাকে মিতালী নামের একজনের! চেতনার বোধ থেকে ধীরে অতি ধীরে উদ্ভাসিত হয় হাজার ভোল্টের আলোককণা, ধরিত্রীর শেষপ্রান্তে ধেয়ে যায় অপসৃয়মান শব্দাবলী !

    বালকের বাস ......... মুনা চৌধুরী




    বালকের বাস

    মুনা চৌধুরী

    মনে আছে তুমি বলতে আমায়, 'I’m just a kid stuck in this body ' আর আমিও তোমায় বলতাম, 'So, you don’t want to grow up ?' তুমি মিষ্টি করে হাসতে, ভীষণ ভীষণ মিষ্টি করে। চিৎকার, নিষ্ঠূরতা, আর ঔদ্ধ্যেতের আগে যে তুমি ছিলে, সে তোমাতে ছিল এক বালকের বাস। যে বালকের ছিল মায়াভরা দুটি চোখ আর অবিনশ্বরের ছায়ায় গড়া মুখশ্রীর অক্ষয় স্থাপত্য।

    ".... পতাকা যারে দাও, তারে বহিবারে দাও শকতি ।"

    ".... পতাকা যারে দাও, তারে বহিবারে দাও শকতি ।" আমার মনের গভীরে একটা বিশ্বাসকে সযত্নে লালিত করেছি আজীবন ! আর যে দু'জন মানুষ সেই বিশ্বাসের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলো ও জুগিয়েছিলো অনুপ্রেরণা আর সাহস তাঁদের প্রথমজন আমার মা ! একজন সফল ও মানবতার সেবায় নিবেদিত-প্রাণ কোমলমতি চিকিৎসক ! আমাদের সব ভাই-বোনের কাছে একজন আদর্শ ও সর্বংসহা নেত্রী ! আর দ্বিতীয় জন হলেন আমার জীবন সাথী, যিনি আমার কাছে এবং আমার সন্তানদের কাছে সর্বদাই একজন provider এর প্রতিভূ ! না, এমন দু-মানুষের সহচর্যে আমি বখে যাইনি, বরং এই বিশ্বাসে বলীয়ান থেকেছি , " ...... পতাকা যারে দাও, বহিবারে দাও শকতি !"